শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮
আমরা হলাম হুজুগে জাতি। কেউ কিছু করলে অন্যরা পিছিয়ে থাকার দলে থাকতে একদম রাজি নই, সেটা অন্যায় হলেও। এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতায় মেতেছি সবাই। এই দেশে এখন সবকিছু সস্তাদর। নৈতিকতা আর মুল্যবোধ ও। এসব এখন গায়ে থাকলেই মনে হয় বিপত্তি। আধুনিকতার স্রোতে নিজেকে ভাসাতে গিয়ে কিছু মানুষ নিজেকেই সস্তাদর করে ফেলেছে।   প্রথম
  বৈশাখ মাসের শেষ বিকেলে সময় করে এসো এক জনমের জমানো ব্যথার সুর তুলেছি মনে, মিলাবো সুর, তাল, লয়....   বৈশাখের শেষ বিকেলটায় তুমি এসো অতীত স্মৃতি গুলোতে ধূলো পড়ে আছে- তুমি এলে ধূলো গুলো ঝেড়ে মুছে নতুন করে সাজিয়ে নিব।   বৈশাখ মাসের শেষ বিকেলটায় আমি তোমার অপেক্ষায় থাকবো, তুমি বলেছিলে, যদি ফিরে আসি- তোমায় আমি সোনালী রোদ ঝরা সকাল দেখাবো-   আমি অপেক্ষায় আছি-- এই
  মায়ের কেন গলায় দড়ি, বোনকে কারা দেয় রে হানা- এরা কারা পশু হলো পালিয়েছে তো পাকসেনারা। আঁধার রাতে রাম দা হাতে, চলছে কারা ধীর ল'য়ে- হঠাৎ করে আছড়ে পড়ে আক্রমণ আর রক্তক্ষয়ে। পেশীর বলে আজকে তোরা আঘাত করিস ভাই বোনেরে- অধিকারের দাবীতে যারা বাইরে এলো ঘর ছেড়ে। প্রতিবাদের ভাষা তারা, বেছে নিল আন্দোলন- তোমরা তাদের রুখতে সেথায় হানছো বুলেট নিচ্ছ প্রাণ। কে দিয়েছে এই অধিকার, কেন এতো
  শহরের শেষ মাথায় যেখানে গাঁয়ের শুরু সেখানে আমার মন পড়ে আছে। ভেজা ঘাসের মায়াবী বুনো গন্ধের শৈশব হারিয়ে যায় গাঁয়ের মেঠো পথ ধরে বাবার আঙুল ধরে হাঁটতে গিয়ে, হোঁচট খেয়ে পড়ে যাওয়ার মাঝেও যেন একটা আনন্দ- বাবার কাঁধে চড়ে হাটে যাওয়া, খেলনা কিনে দেয়ার বায়না এখন শুধুই স্মৃতি.... যান্ত্রিক সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে স্মৃতিরা হেরে যায়- মনের
  “নিজেকে শক্ত করুন, মা কারো চিরকাল থাকেনা।” ডাক্তারের মুখের দিকে চেয়েই রইলাম আমি। আমাকে তিন ছেলেমেয়ে আর শাওন ধরে রেখেছে। গত দুইদিন আগে মা স্ট্রোক করে কমায় চলে গেছেন, হাসপাতালেই সবাই মায়ের জ্ঞান ফেরার অপেক্ষায়। গত ২৮টি বছর সুখে-দুঃখে মা আমাকে আগলে রেখেছেন পরম নির্ভরতায়। কখনওই বলা হয়নি তাকে কতো ভালবাসি! ২৮বছর
পৃথিবীর সবচেয়ে নোংরা রাজনীতি হলো পক্ষপাতিত্ব করা। সংসারের প্রধান যদি সবাইকে এক চোখে না দেখে পক্ষপাত করেন তখন কিন্তু আর তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা আসে না। সংসার থেকেই বিভাজন শুরু হয় তাই ইচ্ছে করলেও ক্ষমতায় থাকলে আপনি স্বজনপ্রীতি করতে পারেন না, সেটা ঘর হোক আর প্রতিষ্ঠান হোক। ক্ষমতার অপব্যবহার সন্তানরা ঘর
  ধার্মিক মানে নয় পূজার ছলে শুধু উপোস বসে থাকা, আর শত অন্যায়ের ছাতা হিসাবে ধর্মটাকে রাখা। ধার্মিক মানে নয় ধর্মের নামে বেলায় বেলায় স্নান, আর কথায় কথায় এক কাপড় ছেড়ে আরেক কাপড় পরিধান। স্নান আর কাপড় বদলেই যদি শুচিতা এসে যেত, তাহলে সবাই এই পথ ধরে   নিজের মাঝে শুদ্ধতা এনে নিত। মনের শুচিতা বড় শুচিতা নেহাত সহজ নয়, তা আনতে মনের সকল কালি মোচন করতে
  আজ সকালেও জানে না কেউ আগমী সকাল কেমন হবে, প্রাণের চেয়ে প্রিয় কেউ হয়তো কারো চিরতরে হারিয়ে যাবে। চোখের সামনে ভেসে উঠে কিছু অসহায় মুখ, বেঁচে থাকা যেন মরনের যন্ত্রনা উপভোগ। কষ্ট তখন আরো বেশি কষ্টের হয়, যে কষ্ট কখনও সয়ে যায় না যখন তা বয়ে নিয়ে যেতে হয়। এ জমা না পাওয়ার ক্ষত, তিলে তিলে বাড়ে ক্ষয়ে যায় না তো, বুকে দগদগে থাকে সদা অবিরত। দিন
  অন্তবিহীন পথে ছুটে চলেছি দিন থেকে রাত, তারপরও আমি শেষের দেখা পাইনি। এক জীবনের নানা বাঁক, নানা ঘাট..... বাঁকে বাঁকে ঘুরে যখন কোন ঘাটে তরী ভীড়ে, পায়ের স্পর্শ পড়তে না পড়তেই তা বিলীন হয়ে যায় কোন এক চোরাবালির ফাঁদে।   দুর্বিষহ জীবনে সুখ নামক চিলের পিছে ছুটতে ছুটতে আজ আমি ক্লান্ত-- কিসের আশায় যে কোন্ পথে ছুটছি, কী পেয়েছি আর
  ভিড় দেখলেই নারী দেহ ছুঁতে চায় মন পুরুষ-তুমি ভেবে দেখো একবার, এই নারী, তার দেহে তোমায় নয় মাস দশ দিন সযত্নে করেছে ধারন। তুমি মেয়ে যা-ই পরো, ঢেকে রাখো বুক, পারবো না ফাঁকি দিতে শকুনের চোখ। মানুষের মুখোশে হায়েনারা চলে সে আমার মা-বোন সম্মুখে বলে। তোমরাই বলো মুখে নারী রবে অন্দরে- গর্ভে সন্তান নিয়েও কেন কাজ করে বন্দরে! আজ তুমি
  সংসারের একটা নিয়ম আছে যদি কেউ কখনো অনুভব করে সে এতদিন অকারণ ভয়ের কাছে ভীত ছিলো, সেটার আসলে দরকার ছিলো না তখন কিন্তু সেই মানুষ আপনাআপনিই বদলে যাবে। অকারণ ভয় ভেঙে সামনে এগিয়ে যাবে। আপনি চাইলেও আর পিছনে ভুলেও তাকাবে না। অনেকেই বলে আপনি নারীদের নিয়েই বেশী লিখেন, হ্যাঁ আমি নারী
  পাল্টালো দিন, বদলালো মাস, বেলাশেষে রয়ে গেল সেই একই ইতিহাস! নারী- কখনও হবেনা শেষ তোমার দীর্ঘশ্বাস!   হোকনা তোমার বয়স তিন কিংবা পাঁচ হওনা তুমি যুবতী বা বৃদ্ধা, ধর্ষণের সময় তুমিই সত্য বাকী পুরো পৃথিবীটাই মিথ্যা!!   তুমি যদি হও মানসিক ভারসাম্যহীন তাহলেতো ধর্ষণ আরও রঙিন।   যোনি কী তা বুঝার বয়স যখন তোমার হয়নি তোমাকে ক্ষত-বিক্ষত করে ছিঁড়ে খাওয়ার লোভ বেড়ে যায় ঠিক তখনি!!   নারী- তোমার
যুগ যুগ ধরে রাখা মানসিকতা থেকে অনেক মানুষই আজো বের হতে পারেনি। একজন মেয়ে যে মানুষ --এটা ভাবতে আজো কিছু মানুষের ভীষণ আপত্তি। যুগ পালটেছে কেবল টিভির নাটকে আর সিনেমায় দেখি। বাস্তবতা ভিন্ন ব্যাপার। আজো মেয়েদের ক্যারিয়ার গড়ার কথা সম্মানীয় অভিভাবকবৃন্দ সেভাবে ভাবেননা, বিয়ে দিয়েই দায়মুক্তি পেতে চান। আবার যুগ
    আমি তোমার শেষের খেয়ার যাত্রী হবো, এলোচুলে আলতা পায়ে সাঁঝের বেলার বাতি হবো। কোন সুদূরের পথের পানে, চলছো তুমি আনমনে সেথায় আমি তোমার চলার সাথী  হবো।   দিন চলে যায় খেয়ালী বাঁশির সুরের মায়ায় বাঁধবো তোমায় ভালোবাসার নিবিড় ছায়ায়। মনের গাঙে নানা রঙের পাল তুলে যাও, ভালবাসার বৈঠা হাতে এদিক সেদিক ধাও।   তুমি যখন দুপুর বেলার তপ্ত রোদে-- ঘামে ভেজা
আংকেল আজ কি খাবেন? খুব শাক খেতে ইচ্ছে করছে। রাতের বেলায় শাক খেতে নেই, অন্যকিছু খান। কাল দুপুরবেলা আপনাকে শাকভাজি দেয়া হবে। শরীরটা ভালো লাগছে না শুধু এক বাটি স্যুপ দাও। এখন ৭:৩০ বাজে, একবাটি স্যুপ খেয়ে সারারাত থাকতে পারবেননা, সাথে হাল্কা অন্যকিছু নিন। ইয়্যাংম্যান তুমি সবসময় দাঁড়িয়ে কথা বলো কেন? সামনের চেয়ারটা টেনে বসো। ওয়েটারদের
    -সে আমায় বলেছিল,দেখো- আমি আমার ভালবাসা দিয়ে তোমায় একদিন ঠিকই কিনে নিব। -বললাম ভালবাসা তো অবশ্যই চাই -আর কি চাও বলো, -যদি এক পয়সা দিয়ে কিনতে পারো তবেই আমি তোমার হবো! -আমি তোমার এক পয়সার বউ হব। তারও অনেক দিন পর...... -অনেকটা সময় পাশাপাশি বসে থাকার পর বলল -------তোমায় আজ আমি এক পয়সায় কিনে নিব। আমার হাতটা
ঢাকা: অমর একুশে গ্রন্থমেলায় তরুণ কবি তান্ত্রিক রঙ্গনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘পিছিয়ে পড়া আত্মার জবানবন্দি’ অর্বাক প্রকাশনী থেকে প্রকাশ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে তিনি লেখালেখি করেন, তবে এই বইয়ের কবিতাগুলো ২০১৪ থেকে ২০১৬ এর মধ্যে লেখা।   প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, নিজের সাথে কথা বলতে গিয়ে পিছিয়ে পরা আত্মার সাথে
  ব্যস্ত সময়টুকু হাতের মুঠোয় নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম, কত জনমের কাজ যে জমে আছে- বুঝতে পারিনি। বুঝতে পারিনি কাজের দীর্ঘতা, পরিসর, আকার, ধরন-- দায়িত্ববোধ কখন যে কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে গেছে বোঝার সময় দেয়নি, দেয়নি সামলে নেয়ার সময় টুকুও। এভাবে কি জীবন চলে....?   নষ্ট সময়ের বোঝা কি কেবল আমাকেই নিতে হবে, এই সমাজ সংসার কেন বিভেদ করে-নারী বলে? বুকের ভিতর
  বড্ড অসময়ে জন্ম নিয়েছি বলে, আজ তোমরা আমার ভাষা বুঝতে পারোনা.. আমি আজ না তোমাদের দলে না তাদের দলে, তাই আমার ভাষাও ভিন্ন হয়ে গেছে। আমার আবেগ অনুভুতির সত্বাও আলাদা হয়ে গেছে। আমার চাওয়া-পাওয়াগুলো তোমাদের থেকে আজ ভিন্ন। আমি কী মানুষ নাকি অন্যকিছু!বুঝিনা.... আমি যদি মানুষই হই তাহলে আমার ভাষা, আমার চাওয়া-পাওয়া গুলো কেন বুঝনা তোমরা? মাঝে মাঝে তোমাদের
প্রায় প্রতিটি মানুষের বুকের ভেতর অচেনা কেউ একজন একান্তে লুকিয়ে থাকে, সময় হলেই সেই অচেনা, অবিশ্বাসের পোকা বেরিয়ে আসে। "তুমি চাকুরী ছাড়বে অথবা আমাকে, ডিসিশন তোমার হাতে লিয়া।" "যেটার সমাধান আছে, সেটার জন্য চাকুরী ছাড়তে কেন হবে? আর তুমিতো বিয়ের আগে থেকেই জানো আমি জব করি, জেনেশুনে বিয়ে করে এখন কেন এই
আরো খবর
দেশে-বিদেশে
ব্রুনাই দারুস সালাম। ‘ব্রুনাই – শান্তির স্থান’ বাংলা অনুবাদ করলে দেশটির নাম এই দাঁড়ায়। `সুলতান ...
পৃথিবীর মানচিত্রে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ছোট্ট দেশ ব্রুনাই খুব পরিচিত নয় এমন ধারণা অনেকেই করে থাকেন। ...
চলতি হাওয়া
‘বিয়ে? এখনই? এটা নিয়ে আমরা পরে কথা বলি?' ‘এই তো বেশ আছি, এ রকমই থাকলে হয় ...
স্মার্টফোনের যুগে এসএমএস-এর মতো এত সহজ যোগাযোগের মাধ্যম কিছু হতেই পারে না। তবে টেক্সটিং ব্যাপারটা ...
ভালোবাসা আছে, কিন্তু কমিটমেন্ট নেই৷ বিবাহিত হয়েও প্রাক্তন প্রেমীর খোঁজ৷ মেয়ে হোক বা ছেলে, বিবাহিত ...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার তরী কবিতার শেষ স্তবকটি মনে পড়ে? একটি অপসৃয়মান তরণীর মতো কবি ক্রমশ ...
সমাপ্তির গল্পটা বেশ মিষ্টি প্রেমের তাই না? ঝাল-নুনের বিয়েটা শেষমেশ সুখী গৃহকোণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গল্প ...
পুরানো সেই দিনের কথা..


শিরোনাম
Top