মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
webmail
ঢাকা: ১০ মে উত্তর ভারতের মেরাট বা মিরাট শহরে ভারতীয় সৈন্যরা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসে। নতুন সংস্কার, আইন, পশ্চিমা মূল্যবোধ এবং খ্রিস্টান ধর্ম চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টার প্রতিবাদে ছিল এই বিদ্রোহ। সে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে দিল্লি, আগ্রা, লক্ষ্ণৌ ও কানপুরে।   এই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলিম
ঢাকা: শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ্ জাফরের কথা মানুষ প্রায় ভুলেই গিয়েছিল এক শতাব্দীরও উপরে । কিন্তু ১৯৯১ সনে হঠাৎ করে তাঁর কবর আবিষ্কৃত হবার পর তাঁকে নিয়ে মানুষের মধ্যে আবার নতুন করে আগ্রহ মাথা চাড়া দিয়েছে।   মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ্ জাফর নিজে একজন সুফি সাধক ছিলেন এবং ছিলেন
ঢাকা: ওঁকে প্রথম দেখি ভার্চুয়াল জগতে একটা ফটোগ্রাফি গ্রুপে। তাঁর বেশকিছু ছবি তথা ফটো বেশ হৃদয়গ্রাহী। অতঃপর ভার্চুয়াল জগতে ভার্চুয়ালি পিঁছু নেয়া। অবশেষে কোন এক ফটো প্রদর্শনীতে এল সেই মহেন্দ্রক্ষণ - যাঁর সাথে ভার্চুয়ালি সম্পর্ক, তাকে সামনে থেকে দেখা। ফটোগ্রাফিতে তাঁর নিষ্ঠা দেখে অভিভূত। এ জগতে খুব বেশিদিন না হলেও
ইচ্ছে ঘুড়ির নাটাই হাতে,চলছি আমি দিনে রাতে কিসের অপেক্ষায়-- দিন চলে যায়, রাত বেড়ে যায়- কি মিলেছে হায়! রঙিন সুতো খুঁজতে গিয়ে,মাঞ্জাতে রঙ দেই লাগিয়ে সঙ সেজে সে পালিয়ে বেড়ায়,কার পিছে সে ধায়-- দিন চলে যায় রাত বেড়ে যায় ছন্ন ছাড়া গায়.... আমায় ছেড়ে কোন অজানায় দিচ্ছ পাড়ি কোন ঠিকানায়; অচিন পুরের গাঁয়, ফিরবে তুমি কোন বেলাতে,রইলে মেতে কোন খেলাতে- রঙ বাহারি
অনার্স ৪র্থ বর্ষে এসেও যখন আমি ‘একা’ রয়ে গেলাম, তখন বন্ধুমহলে আমাকে নিয়ে ঠাট্টা-রসিকতা শুরু হলো। নিয়মিত আড্ডাতে যখন এক এক জনের ভালোবাসার মেয়েটির সম্পর্কে ও ওদের সম্পর্ক সম্পর্কে বিভিন্ন “রসের আলাপ” শুনতাম, তখন কেউ একজন পাশ থেকে খোঁচা দিয়ে বলতো, “এ শালাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না”।   আমি কিছু বলতাম না,
প্যারিস:কাঠকয়লায় আঁকা এক নারীর একটি নগ্ন ছবি প্রায় ১৫০ বছর ধরে এক শিল্প সংগ্রহশালায় পড়ে ছিল, সেটি দ্য ভিঞ্চির আঁকা মোনালিসার স্কেচ বলে মনে করছেন ফরাসী শিল্প বিশেষজ্ঞরা।   নগ্ন নারীর এই স্কেচটি ‘মোনা ভান্না’ নামে পরিচিত। এটি আগে কেবল লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির স্টুডিওর কাজ বলে বর্ণনা করা হতো।কিন্তু শিল্প বোদ্ধারা এখন
  দোষ কি ছিল মাগো আমার বসুন্ধরা বলো। মার কেড়েছে সম্ভ্রম ওরা বাপকে জবাই দিলো। বোনকে খেলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে ভাইকে পোড়া দিলো। পাড়া পড়শির রক্তে ওরা তোমায় রাঙ্গিয়ে দিলো। সেই ভয়েতে সজনেরা সোনার বাংলায় গেলো। সোনার বাংলা মাগো তখন বন্যা কবলিত।   ভাসিয়ে নিলো সহায় সম্বল যেটুকু তাদের ছিলো। প্রতিবেশীর তাড়ানো জলে ডুব সাঁতার খেলিলো। কেউ দিল না দৃষ্টি তাদের
ঢাকা:মন্টব্লাঙ্ক দ্য লা কালচার আর্টস প্যাট্রনেজ এ্যাওয়ার্ড একটি বাৎসরকি সম্মাননা পুরস্কার যা ১৯৯২সালে যাত্রা শুরু করে। সমকালীন সময়ের শিল্প পৃষ্টপোষকদের উৎসাহ ও স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য এই এ্যাওয়ার্ড চালু করা হয়। মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিন এশিয়ায় ২০১৭ সনেই প্রথমবারের মত এটি আয়োজিত হচ্ছে।   ঢাকা আর্ট সামিট ও সামদানী আর্ট ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিল্পের পৃষ্টপোষকতার
জয়নাল আবেদীন ঘুমুতে যাবার কালে রাসেল বাবার কোল ঘেঁষে কানে কানে বলে- কালকের অনুষ্ঠানে আমি যাব তোমার সাথে । বাবা আদর করে বলে - ঘুমো গিয়ে, নেব নে। পিতার সাথে পুত্রের এই ছিল শেষ কথা এই  ছিল শেষ দেখা। জ্ঞান হবার পরে রাসেল কম পেয়েছে বাবাকে বন্দী বাবা থাকেন জেলে। বাবার বাড়ি  ওটাই রাসেলের  ধারণা এটাই। মাসে একদিন খেলা ফেলে রাসেল যায় মার সাথে বাবাকে দেখতে জেলে। এভাবে  রাসেল
ঢাকা: আলোকিত মানুষের কথা ভাবলেই শ্রদ্ধার সাথে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। শহর থেকে অনেক দূরে গ্রামে আপনার সঙ্গে দেখা করতে এসেছে একটা পত্রিকা। কেন? কী মনে হচ্ছে আপনার? আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ: হয়তো কিছুটা আমার টানে, কিছুটা গ্রামের টানে… কারণ ঢাকায় ব্যসত্মতার কারণে আমাদের মাঝে যোগাযোগ খুব কমই হয়।
আসাদ চৌধুরী আল মাহমুদ কবি, আগাপাছতলা কবি, অন্য পরিচয় বিলক্ষণ আছে; সে পরিচয় একেবারেই মূল্যহীন এমন মনে করার কোনো কারণও নেই। তবে, সবকিছু ছাপিয়ে যে পরিচয় বাংলা বর্ণমালার সাথে টিকে থাকবে সে পরিচয় অবশ্যই তার কবিতা-অবিস্মরণীয় অজর অমর পংক্তিমালা। আজকে তার জন্মদিনটিকে সামনে রেখে সঞ্জয় ঘোষ তার কিছু কথা, ক্যাজুয়াল ভঙ্গিতেই বলা,
জাকির তালুকদার আমাদের সভ্যতা-ভব্যতার আরেক নাম হচ্ছে অনেক কিছু ধামাচাপা দিয়ে রাখা। সিঁড়ির ক্ষয় না দেখার জন্য যেমন মাদুর পেতে রাখা। নগ্ন সত্যের চেহারা সহ্য করার মতো মানুষের সংখ্যা খুবই কম। সমাজ, পরিবার, রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক পরিসর- কেউই চায় না সব সময় দেদীপ্যমান সত্যের সাথে বসবাস করতে। শত শত বছর ধরে এই
এই লেখাটি কেন লিখলাম, সেই কথাটি আমি না বললে যা-ই ভাবুক তা’ পুরোপুরি সঠিক হবার সম্ভাবনা নেই। কারণ যে যা করে, কেন করে, তা সেই ভালো জানে। অন্যেরা যা ভাবে তা’ আন্দাজ মাত্র। অন্ধকারে ঢিল ছুঁড়তে থাকলে, কখনো বা টার্গেট মতো লেগেও যেতে পারে। এ- উক্তিটি অবশ্য কবিতার ক্ষেত্রে অধিক
ঢাকা: বাংলা ভাষায় শতাধিক বই বেরিয়েছে প্রবীণ উপন্যাসিক কাসেম বিন আবুবাকারের। কেউ কেউ তাকে বলছেন বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখকদের একজন। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস, হাসান আজিজুল হকের চেয়েও কাসেম বিন আবুবাকারের লেখা শক্তিশালী বলেও কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঝড় তুলছেন। সমালোচকরা তাকে বলছেন বটতলার উপন্যাসিক। মূলধারার বাংলা সাহিত্যের চর্চা
সামনে রোদ্দুর ছায়া কোথায়? হাত-পা ছড়িয়ে উদোম হয়ে রোদ্দুর শুয়ে আছে সবখানে। কাল রাতে বৃষ্টি ছিল, আজ একটু ছিঁটেফোঁটা নেই গাছের পাতায়। পলাতক সব মেঘ। হাওয়া-ও নেই আজ। তাই কোথায় পাবে একটু স্নিগ্ধময়তার ছোঁয়াছুঁয়ি? কিছুটা সুশীতল আরাম? এখানেই থাকো। একটু এগিয়ে আসো, আমি বেরিয়ে পড়ি। বসন্তে একদিন একবার এমনি এক বসন্তের দিনে লুশান-এর চূড়ায় উঠে উধাও নীলিমার দিকে তাকিয়ে – আরেকবার হুয়াংশান-এর চূড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল ঝাঁপ
ঢাকা: সাংবাদিকদের অধিকার বিষয়ক প্রথম বই ‘রাইট টু প্রেস’ সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। সাংবাদিক ও আইনজীবী মিয়া হোসেনের লেখা বইটি প্রকাশ করেছে সৃজনশীল প্রকাশনা সংস্থা ‘প্রতিভা প্রকাশ’। বইটির মূল্য ১৬০ টাকা, তবে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়। প্রতিভা প্রকাশের ২০১ ও ২০২ নাম্বার স্টলে ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ৭৩ নাম্বার
ঢাকা: বাংলা একাডেমির এবারের বইমেলায় প্রকাশ হয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবদুল মান্নানের লেখা বই ‘সক্রেটিসের জল্লাদ’। বেশ কয়েকজন বিশ্ববিখ্যাত কিংবদন্তি নিয়ে বইটিতে লেখক নানা তথ্য তুলে ধরেছেন। লেখাগুলোর মাধ্যমে সর্বকালের কীর্তিমান কিছু স্মরণীয় মানুষকে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিচয় করিয়ে দেয়ার প্রয়াস আছে। এ বইয়ের প্রবন্ধ, নিবন্ধ বা গল্পগুলো সহজ
ঢাকা: অমর একুশে বইমেলায় এসেছে তরুণ কবি জিয়া হক ও তানজিলা তাসনিমের শুভবিবাহে নিবেদিত ম্যারেজ মেমোরেন্ডাম ‘খোঁপায় তারার ফুল’। ম্যাগাজিনটি প্রকাশ করেছে ‘যুক্তপ্রকাশ’। প্রচ্ছদ করেছেন বিপ্লব বিপ্রদাশ। নামলিপি (ক্যালিগ্রাফি) আরিফুর রহমান। বইমেলার লিটল ম্যাগ চত্বরের উন্মুক্ত ১৩ (সময়ের জানালা) নং স্টলে পাওয়া যাবে ‘খোঁপায় তারার ফুল’। জিয়া হক ও তানজিলা তাসনিমকে শুভেচ্ছা
রুবাইদা গুলশান দমকা আঁচল উড়ায়ে আকাশে এলোকেশী মেয়ে একলা দাঁড়ায়ে এদিক সেদিক তাকায়ে খোঁজে; জোনাকির রঙ নিভে আর জ্বলে সেটুকু আলোয়, সে পথ চলে। অতঃপর উদ্দাম হাওয়ায় এলোমেলো শাড়িখানা, ফুল আনবে ছিনিয়ে সে, ফুল আনবে সে চক্ষুতে তার অগ্নিস্ফুলিঙ্গ, মূল্য হোক যেটা। ছুটে চলে সে প্রতি পদে পদে, নতুন ফুলের খোঁজে। সেই ফুল ফোটে এই জীবনের প্রতি ভাঁজে ভাঁজে স্পর্শে দুঃখী মানুষগুলো
ঢাকা: বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমদিন থেকে শুরু হবে মাসব্যাপী অমর একুশে বই মেলা। একে বলা হয় বাঙ্গালীর চেতনা এবং সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। বই এর উৎসবে প্রকাশিত হবে হাজারো নতুন বই। কিন্তু তার মধ্যে নারী লেখকদের বই থাকে কতগুলো? কেমন প্রকাশ ও বিক্রি হয় তাদের লেখা? প্রকাশকদের কাছ থেকে কতটা পৃষ্ঠপোষকতা
আরো খবর
দেশে-বিদেশে
ব্রুনাই দারুস সালাম। ‘ব্রুনাই – শান্তির স্থান’ বাংলা অনুবাদ করলে দেশটির নাম এই দাঁড়ায়। `সুলতান ...
পৃথিবীর মানচিত্রে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ছোট্ট দেশ ব্রুনাই খুব পরিচিত নয় এমন ধারণা অনেকেই করে থাকেন। ...
চলতি হাওয়া
‘বিয়ে? এখনই? এটা নিয়ে আমরা পরে কথা বলি?' ‘এই তো বেশ আছি, এ রকমই থাকলে হয় ...
স্মার্টফোনের যুগে এসএমএস-এর মতো এত সহজ যোগাযোগের মাধ্যম কিছু হতেই পারে না। তবে টেক্সটিং ব্যাপারটা ...
ভালোবাসা আছে, কিন্তু কমিটমেন্ট নেই৷ বিবাহিত হয়েও প্রাক্তন প্রেমীর খোঁজ৷ মেয়ে হোক বা ছেলে, বিবাহিত ...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার তরী কবিতার শেষ স্তবকটি মনে পড়ে? একটি অপসৃয়মান তরণীর মতো কবি ক্রমশ ...
সমাপ্তির গল্পটা বেশ মিষ্টি প্রেমের তাই না? ঝাল-নুনের বিয়েটা শেষমেশ সুখী গৃহকোণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গল্প ...
পুরানো সেই দিনের কথা..


শিরোনাম
Top
close