মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
webmail
  বড্ড অসময়ে জন্ম নিয়েছি বলে, আজ তোমরা আমার ভাষা বুঝতে পারোনা.. আমি আজ না তোমাদের দলে না তাদের দলে, তাই আমার ভাষাও ভিন্ন হয়ে গেছে। আমার আবেগ অনুভুতির সত্বাও আলাদা হয়ে গেছে। আমার চাওয়া-পাওয়াগুলো তোমাদের থেকে আজ ভিন্ন। আমি কী মানুষ নাকি অন্যকিছু!বুঝিনা.... আমি যদি মানুষই হই তাহলে আমার ভাষা, আমার চাওয়া-পাওয়া গুলো কেন বুঝনা তোমরা? মাঝে মাঝে তোমাদের
প্রায় প্রতিটি মানুষের বুকের ভেতর অচেনা কেউ একজন একান্তে লুকিয়ে থাকে, সময় হলেই সেই অচেনা, অবিশ্বাসের পোকা বেরিয়ে আসে। "তুমি চাকুরী ছাড়বে অথবা আমাকে, ডিসিশন তোমার হাতে লিয়া।" "যেটার সমাধান আছে, সেটার জন্য চাকুরী ছাড়তে কেন হবে? আর তুমিতো বিয়ের আগে থেকেই জানো আমি জব করি, জেনেশুনে বিয়ে করে এখন কেন এই
  আজকাল আমরা সবাই মেকি ভালবাসায় মজেছি, একদিনের ভালবাসা প্রকাশ করার জন্য কি মাতামাতি আমাদের! যেনো অন্যদিনগুলোয় আমরা আমাদের প্রিয় মানুষদের ভালবাসি না!   আধুনিকতার জোয়ারে ভাসার জন্য সে কি প্রাণান্তকর চেষ্টা! নিজের সংস্কৃতি, মুল্যবোধ খুলে প্রগতিশীল হতেই হবে, নিজেকে উজাড় করে দেখাতে হবে আমিও আধুনিকতম! সবাই শো-অফ করতে ব্যস্ত। আচ্ছা আমাদের আগের
  রাতে খাবার টেবিলে ছোট বৌমাকে দেখে নিজের ভূল বুঝতে পারলাম। "বড় বৌমা কই? খাবে না?" "ভাবী বলেছে শরীর ভালো নেই, খাবে না" নিজেই গেলাম বউকে ডাকতে। "খেতে এসো মা" "বাবা আমার খিদে নেই" "মারে আমার বয়স হইছে, অনেককিছু মনেই রাখতে পারিনা, আমার উপর রাগ করে থেকো না" বড়বৌ উঠে খাবার টেবিলে এলেও থমথমে পরিবেশ বদলালো না। কেন
ঢাকা: অমর একুশে বইমেলায় কবি ও কথাশিল্পী রুবাইদা গুলশানের প্রথম ছোটগল্পের বই ‘সেপটিপিন’ প্রকাশিত হয়েছে। এই পৃথিবীর বুকে ঘটে যাওয়া ছোট ছোট সুখ-দু:খের অল্প কিছু জীবনের ছবি আঁকা হয়েছে ‘সেফটিপিন’ গ্রন্থে। ২৮টি গল্পের সমন্বিত রূপ ‘সেফটিপিন’।   বইটি সম্পর্কে রুবাইদা গুলশান বলেন, “পৃথিবীর কোথাও যেন সন্ধ্যা নামছে গুটি গুটি পায়ে- কোথাও যেন
কে বলে, চকচক করলেই সোনা হয় না। যখন থেকে চোখের সীমায় ধরা পড়ল, ভেলোরের গরম পড়া প্রখর রোদ্দুরে চকচক করছিল। যার পুরোটাই সোনা দিয়ে মোড়ানো। বোধকরি ভারতের সবচে ধনী মন্দির।   ভারতের দক্ষিণের রাজ্য তামিলনাড়ু'র একটি জেলা শহর ভেলোর। ভেলোরের শ্রীপুরমে অবস্থিত এই মন্দির। অনেক বিধিনিষেধ পার করে এর দর্শনলাভ হয়। প্রবেশ
  মন রেখে রেখে কি কখনো কারো "মন" রাখা সম্ভবপর!! মনের দাবি আর প্রত্যাশার দাবি যে দিন, দিন কেবল শিকড় বাড়িয়েই চলে! ইচ্ছের বাহিরে গিয়ে মানুষকে কতো কি মেনে চলতে হয়! কারো উপস্থিতি ভালো না লাগলেও মুখে কৃত্রিম হাসি ফুটিয়ে দেখাতেই হয় অসম্ভব খুশী হয়েছি আমি। কিছু কিছু ব্যাপারে নারী -পুরুষ
ঢাকা: শিল্প এবং স্থাপত্যকে নতুন আঙ্গিকে মানুষরে সাথে পরচিয় করিয়ে দিতে সামদানী র্আট ফাউন্ডশেন-এর উদ্যোগে এবং বাংলাদশে শল্পিকলা একাডমেরি সহযোগতিায় আগামী ২ ফব্রেুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ‘ঢাকা র্আট সামিট’। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে এই সামটি চলবে আগামি ১০ ফব্রেুয়ারি র্পযন্ত।   ২ ফব্রেুয়ারি সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থি থাকবনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদশে
  "বউমাকে নিয়ে কোথাও ঘুরে আসো অর্ণব " "অফিসে কাজের খুব চাপ, ছুটি পাওয়া যাবেনা " "এক ভাংগা রেকর্ড আর কতো বাজাবে? "" "আপনি না বুঝলে আমার কিছুই করার নেই " বাপ, ছেলের চোখে শীতল যুদ্ধের পুর্বাভাস, টেবিলে বাকি সবাই নির্বাক শ্রোতাদর্শক। শ্বাশুড়িমা, দেবর, ননদ আর আমি ----যাকে নিয়ে বাপ ছেলের স্নায়ুযুদ্ধ। রাতে শুতে যাবার সময়
    বউ হারালে বউ পাওয়া যায়, মা হারালে নয়। আপনার বউ কিন্তু দাদা, আপনার সন্তানেরই মা হয়। বউ হারালে সত্যি যদি বউ পাওয়া যায়, এই সত্যিটা যেন মনে থাকে নিজের বাপেরও বেলায়। কিছু বলার আগে একটু ভেবে নিতে হয়, আপনার মাও কিন্তু দাদা আপনার বাপেরই বউ হয়। তিনিও তো বউ পাবেন আপনি পাবেন না মা, এই কথাটাই নিজের সন্তানের বেলায় কেন মনে থাকে না। নিজের মায়ের মর্ম
"তোমার মায়ের এতো স্মার্টনেস আমার ভালো লাগেনা, বয়স হইছে এখনো বন্ধুবান্ধব নিয়ে হৈ-হুল্লুড় করে বেড়ান " "আস্তে কথা বলো, মা শুনলে কষ্ট পাবেন সোনিয়া "" "আমি সত্যি বলতে ভয় পাইনা " "মায়ের খুঁত ধরা ভিন্ন অন্যকিছু কি তুমি পারো? বিয়ের আগেতো মাকে স্যালুট করতে।" ডাইনিংয়ে পানি খেতে এসে ছেলে আর ছেলে বউয়ের কথোপকথন শুনে
কলকাতা: কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা চিঠিপত্র এবার তৈরি হয়ে আসছে সিডি অ্যালবাম আকারে। অমূল্য এসব রচনা, যা ‘বিদ্রোহী কবি’ একসময় লিখেছিলেন সমসাময়িক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কবি জসীম উদদীন প্রমুখদের উদ্দেশ্যে।   সাহিত্য তো বটেই সামাজিক-রাজনৈতিক তথা ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এর গুরুত্ব অপরিসীম।'ছায়ানট (কলকাতা)' সংস্থার উদ্যোগে নভেম্বর ২০১৭ থেকে Studio Vibrations এ ‘ইতি কাজী
ঢাকা: শিল্প এবং স্থাপত্যকে নতুন আঙ্গিকে মানুষের সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ঢাকা আর্ট সামিট। শিল্পকলা একাডেমীতে এই সামিট চলবে আগামী ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সামদানি আর্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ঢাকা আর্ট সামিটের ৪র্থ সংস্করনের সহযোগীতা করছে, গোল্ডেন হারভেষ্ট গ্রুপ।  নাদিয়া সামদানি ও রাজিব সামদানির
ঢাকা: ১০ মে উত্তর ভারতের মেরাট বা মিরাট শহরে ভারতীয় সৈন্যরা ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে বসে। নতুন সংস্কার, আইন, পশ্চিমা মূল্যবোধ এবং খ্রিস্টান ধর্ম চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টার প্রতিবাদে ছিল এই বিদ্রোহ। সে বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে দিল্লি, আগ্রা, লক্ষ্ণৌ ও কানপুরে।   এই বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিলেন হাজার হাজার হিন্দু ও মুসলিম
ঢাকা: শেষ মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ্ জাফরের কথা মানুষ প্রায় ভুলেই গিয়েছিল এক শতাব্দীরও উপরে । কিন্তু ১৯৯১ সনে হঠাৎ করে তাঁর কবর আবিষ্কৃত হবার পর তাঁকে নিয়ে মানুষের মধ্যে আবার নতুন করে আগ্রহ মাথা চাড়া দিয়েছে।   মোগল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ্ জাফর নিজে একজন সুফি সাধক ছিলেন এবং ছিলেন
ঢাকা: ওঁকে প্রথম দেখি ভার্চুয়াল জগতে একটা ফটোগ্রাফি গ্রুপে। তাঁর বেশকিছু ছবি তথা ফটো বেশ হৃদয়গ্রাহী। অতঃপর ভার্চুয়াল জগতে ভার্চুয়ালি পিঁছু নেয়া। অবশেষে কোন এক ফটো প্রদর্শনীতে এল সেই মহেন্দ্রক্ষণ - যাঁর সাথে ভার্চুয়ালি সম্পর্ক, তাকে সামনে থেকে দেখা। ফটোগ্রাফিতে তাঁর নিষ্ঠা দেখে অভিভূত। এ জগতে খুব বেশিদিন না হলেও
ইচ্ছে ঘুড়ির নাটাই হাতে,চলছি আমি দিনে রাতে কিসের অপেক্ষায়-- দিন চলে যায়, রাত বেড়ে যায়- কি মিলেছে হায়! রঙিন সুতো খুঁজতে গিয়ে,মাঞ্জাতে রঙ দেই লাগিয়ে সঙ সেজে সে পালিয়ে বেড়ায়,কার পিছে সে ধায়-- দিন চলে যায় রাত বেড়ে যায় ছন্ন ছাড়া গায়.... আমায় ছেড়ে কোন অজানায় দিচ্ছ পাড়ি কোন ঠিকানায়; অচিন পুরের গাঁয়, ফিরবে তুমি কোন বেলাতে,রইলে মেতে কোন খেলাতে- রঙ বাহারি
অনার্স ৪র্থ বর্ষে এসেও যখন আমি ‘একা’ রয়ে গেলাম, তখন বন্ধুমহলে আমাকে নিয়ে ঠাট্টা-রসিকতা শুরু হলো। নিয়মিত আড্ডাতে যখন এক এক জনের ভালোবাসার মেয়েটির সম্পর্কে ও ওদের সম্পর্ক সম্পর্কে বিভিন্ন “রসের আলাপ” শুনতাম, তখন কেউ একজন পাশ থেকে খোঁচা দিয়ে বলতো, “এ শালাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না”।   আমি কিছু বলতাম না,
প্যারিস:কাঠকয়লায় আঁকা এক নারীর একটি নগ্ন ছবি প্রায় ১৫০ বছর ধরে এক শিল্প সংগ্রহশালায় পড়ে ছিল, সেটি দ্য ভিঞ্চির আঁকা মোনালিসার স্কেচ বলে মনে করছেন ফরাসী শিল্প বিশেষজ্ঞরা।   নগ্ন নারীর এই স্কেচটি ‘মোনা ভান্না’ নামে পরিচিত। এটি আগে কেবল লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির স্টুডিওর কাজ বলে বর্ণনা করা হতো।কিন্তু শিল্প বোদ্ধারা এখন
  দোষ কি ছিল মাগো আমার বসুন্ধরা বলো। মার কেড়েছে সম্ভ্রম ওরা বাপকে জবাই দিলো। বোনকে খেলো ছিঁড়ে ছিঁড়ে ভাইকে পোড়া দিলো। পাড়া পড়শির রক্তে ওরা তোমায় রাঙ্গিয়ে দিলো। সেই ভয়েতে সজনেরা সোনার বাংলায় গেলো। সোনার বাংলা মাগো তখন বন্যা কবলিত।   ভাসিয়ে নিলো সহায় সম্বল যেটুকু তাদের ছিলো। প্রতিবেশীর তাড়ানো জলে ডুব সাঁতার খেলিলো। কেউ দিল না দৃষ্টি তাদের
আরো খবর
দেশে-বিদেশে
ব্রুনাই দারুস সালাম। ‘ব্রুনাই – শান্তির স্থান’ বাংলা অনুবাদ করলে দেশটির নাম এই দাঁড়ায়। `সুলতান ...
পৃথিবীর মানচিত্রে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার ছোট্ট দেশ ব্রুনাই খুব পরিচিত নয় এমন ধারণা অনেকেই করে থাকেন। ...
চলতি হাওয়া
‘বিয়ে? এখনই? এটা নিয়ে আমরা পরে কথা বলি?' ‘এই তো বেশ আছি, এ রকমই থাকলে হয় ...
স্মার্টফোনের যুগে এসএমএস-এর মতো এত সহজ যোগাযোগের মাধ্যম কিছু হতেই পারে না। তবে টেক্সটিং ব্যাপারটা ...
ভালোবাসা আছে, কিন্তু কমিটমেন্ট নেই৷ বিবাহিত হয়েও প্রাক্তন প্রেমীর খোঁজ৷ মেয়ে হোক বা ছেলে, বিবাহিত ...
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার তরী কবিতার শেষ স্তবকটি মনে পড়ে? একটি অপসৃয়মান তরণীর মতো কবি ক্রমশ ...
সমাপ্তির গল্পটা বেশ মিষ্টি প্রেমের তাই না? ঝাল-নুনের বিয়েটা শেষমেশ সুখী গৃহকোণের প্রতিশ্রুতি দিয়ে গল্প ...
পুরানো সেই দিনের কথা..


শিরোনাম
Top
close