সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৭
webmail
Sun, 06 Aug, 2017 12:45:04 PM
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম

চট্টগ্রাম: বন্দরনগরী চট্টগ্রাম  চাক্তাই চালপট্টিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগ থেকে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে নগদ টাকা ও দোকানে সংরক্ষণ করে রাখা চাল পুড়ে গিয়ে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানিয়েছে।

শনিবার গভীর রাত তিনটার দিকে আগুন লাগলে সাড়ে আট ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে রোববার সকাল ১১টার দিকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ৫টি ইউনিটের ১০ অগ্নিনির্বাপন গাড়ী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, আগুনে তিনটি রাইস মিল, তিনটি ময়দার মিল, ৯টি চালের দোকান পুড়ে গেছে। এতে নগদ টাকা ও চাল পুড়ে বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নগরীর বাকলিয়া থানার চাক্তাই এলাকায় এটি সবচেয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা বলে জানান।

চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম জেলার উপ সহকারি পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন সিটিজিনিউজকে বলেন,চাক্তাই এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের  খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিটের ১০টি গাড়ি ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। নগরীর আগ্রাবদ, নন্দন কানন, বাকলিয়া ফায়ার ষ্টেশন থেকে এসব অগ্নিনির্বাপন গাড়ি পাঠানো হয়। রোববার সকাল ১১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই চাক্তাই এলাকায় তিনটি রাইচ মিল ও ৯টি চালের দোকান পুড়ে যায়। এসব দোকানের নগদ টাকা ও বিপুল পরিমাণ চাল ছিল। ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে কাজ চলছে। অগ্নিকাণ্ডের বিষয়ে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠণ করা হচেছ বলে জানান জসিম উদ্দিন।

এদিকে চাক্তাই চাল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ওমর আজম জানান, ফায়ার স্টেশনের অবহেলার কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায় নি অভিযোগ করে বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসলেও প্রায় একঘন্টা পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে পাম্প মেশিন চালু করতে পারে নি। ততক্ষণে আগুন বিপুল পরিমাণ ক্ষতি হয়ে যায়।

একই ভাবে ক্ষোভ প্রকাশ করে সাবেক কাউন্সিলর জামাল হোসেন বলেন, ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ব্যবস্থা নিলে বিপুল ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেত ব্যবসায়ীরা। রাইস মিল, ময়দার মিল ও চালের দোকান পুড়ে ব্যবসায়ীদের বিশাল ক্ষতি হয়েছে। আগুন নিভাতে গিয়ে স্থানীয় কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স চট্টগ্রাম জেলার উপ সহকারি পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন সিটিজিনিউজকে বলেন, আগুন লাগার খবর পাওয়ার পর ২০ সেকেন্ডের মধ্যে যাওয়ার নিয়ম অনুযায়ী আমরা সর্বোচ্চ ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে আউট হয়ে যাই।

অর্থাৎ আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য অগ্নিনির্বাপন গাড়ি বের হয়ে যায়। এর পর যদি আমাদের পথে দেরি হয় সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার থাকে না। এয়াড়াও আশপাশের পানি উৎস না থাকলেও আগুন নেভাতে বিপাকে পড়ে যেতে হয়।

নতুন বার্তা/এমআর


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top
    close