শনিবার, ২৫ নভেম্বর ২০১৭
webmail
Sun, 10 Sep, 2017 07:47:26 PM
মিরসরাই প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম

মিরসরাই: চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার সাহেরখালী ইউনিয়নের গৃহবধূ হাসিনা আক্তারের প্রসব যন্ত্রণা শুরু হয় রোববার গভীর রাতে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তাকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন স্বামী সোলেমান। সঙ্গে তার পিতা-মাতাও। গন্তব্য মিরসরাই সদরের মাতৃকা হাসপাতাল। রাত তখন চারটা। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে বাম দিকে ঢুকলেই গন্তব্যস্থল। এমন সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তীব্র গতিতে সড়ক বিভাজকের সঙ্গে ধাক্কা খায় পাইভেট কারটি।

মারাত্মক আঘাতে হাসিনার যন্ত্রণা আরও বাড়ে। হাসপাতালে নিয়ে তাৎক্ষণিক অস্ত্রোপচার করা হলে বেরিয়ে আসে নিথর নবজাতক; যে কিছুক্ষণ আগেই দুর্ঘটনার ধকল সইতে না পেরে চলে যায় না ফেরার দেশে। পৃথিবীর মুখ দেখতে দেখতেই যেন চলে গেলো এই নবজাতকের প্রাণ।

গুরুতর আহত অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ হারান হাসিনার শাশুড়ি হালিমা খাতুন। হাসিনা, তার স্বামী, শশুর আবুল হোসেন এবং প্রাইভেট কারের চালক এমদাদ হোসেন আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার খবরে গোটা এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সাহেরখালী ইউনিয়নের আলামিয়া চৌধুরী বাড়ির মাতৃকা হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় আঘাত পেয়ে পেটের মধ্যেই মারা গেছে ওই নবজাতক। ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। আর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ওরা হাসপাতালে পৌঁছে যেত।
 
সাহেরখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হায়দার চৌধুরী জানান, একটি নবজাতক পৃথিবীতে আসার আগেই দুর্ঘটনার শিকার হলো। এই ঘটনাটি খুবই হৃদয়বিদারক। আমরা শোকে মুহ্যমান। নিহত হালিমা খাতুনের মরদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনার প্রস্তুতি চলছে।

মিরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইরুল ইসলাম বলেন, দুর্ঘটনায় কবলে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করেছি। হাসপাতালে নেয়ার পথে একজন ও নবজাতক মারা যাওয়ার কথা স্বীকার করেন তিনি।

নতুন বার্তা/এমআর


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top
    close