চট্টগ্রাম বার্তা

চট্টগ্রামে ডিশ ব্যবসার দখল নিয়ে সংঘর্ষ, যুবলীগ নেতা নিহত

চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামে কেবল ব্যবসার বিরোধের জেরে দুই পক্ষের গোলাগুলিতে এক যুবলীগ নেতা নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে নগরীর চকবাজার থানার ডিসি রোড কালাম কলোনির মুখে গুলিবিদ্ধ হন ফরিদুল ইসলাম (৪০)।

সেখান থেকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন বলে চমেক পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই আলাউদ্দিন তালুকদার জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ফরিদুলের বুকের নিচের দিকে গুলি লেগেছিল।

নিহত ফরিদুল ইসলাম পশ্চিম বাকলিয়া চাঁন মিয়া মুন্সী রোডের বাসিন্দা নুরুল ইসলামের ছেলে। তিনি চকবাজার ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বলে তার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।

চকবাজার থানার ওসি নুরুল হুদা বলেন, কেবল ব্যবসার বিরোধে দুই পক্ষের বিরোধে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার বিকেলে চমেক হাসপাতালে ছুটে যান নিহত ফরিদুল ইসলামের পরিবাররে সদস্যরা।

সেখানে ফরিদুলের মেয়ে নবম শ্রেণির ছাত্রী জারা বলেন, বাবা দুপুরে ভাত খেতে বাসায় এসেছিল। এসময় একটা ফোন আসলে তাড়াতাড়ি বাসা থেকে বেরিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পরই আরেকটা ফোন আসে। কেউ একজন আমাদের মেডিকেলে আসতে বলে।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেবল ব্যবসার বিরোধ নিয়ে এমদাদুল হক বাদশার অনুসারী এবং স্থানীয় ফয়সাল ও রাসেলের নেতৃত্বে এমএ মুসার অনুসারী পক্ষ শুক্রবার সকাল থেকেই মুখোমুখি অবস্থানে ছিল। বেলা আড়াইটার দিকে দুই পক্ষের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়।

এমদাদুল হক বাদশাসহ তিনজনের মালিকানাধীন কেসিটিএন নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ওই এলাকার কেবল ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে। কেসিটিএনের তিন মালিক হলেন- এমদাদুল হক বাদশা, প্রসুন কান্তি নাগ ও শ্যামল কুমার পালিত। নিহত ফরিদুল এমদাদুলের বন্ধু।

কেসিটিএনর কর্মচারী কুতুব উদ্দিন বলেন, স্থানীয় একটি পক্ষ ডিশ ব্যবসা দখলে নেয়ার চেষ্টা করছিল। আজ তারা কামাল কলোনির মুখে গুলি চালিয়ে ব্যবসার দখল নিতে গেলে ফরিদুল ইসলাম বাধা দেন। এসময় তার গায়ে গুলি লাগে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, দুই পক্ষকেই হেলমেট মাথায় দিয়ে অস্ত্র হাতে গুলি করতে দেখা গেছে।

নতুন বার্তা/কেকে

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker