দৈনিক ভালো খবর

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঢাকার রাস্তায় ডিজিটাল পুশ বাটন

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে সড়ক দুর্ঘটনা আশঙ্কাজনকহারে বেড়েছে। এর জন্য পথচারীদের বেপরোয়া চলাচলও কম দায়ী নয়। কর্মব্যস্ত মানুষ সুযোগ পেলেই আড়াআড়ি রাস্তা পার হচ্ছে। দ্রুতগতির গাড়ি চলাচলের মধ্যেই হাত উঁচিয়ে রাস্তা পার হচ্ছে। এতে অহরহ দুর্ঘটনা ঘটছে। বিষয়টি সরকারসহ সংশ্লিষ্টদের ভাবিয়ে তুলেছে।

তাই উন্নত বিশ্বের আদলে রাজধানী ঢাকায় নেয়া হয়েছে ডিজিটাল পুশ বাটন টাইম কাউন্টডাউন সিগন্যাল চালুর উদ্যোগ ।  ৪৮টি স্থানে এ পুশ বাটন চালু করা হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ২০টি স্থানে এ পদ্ধতি চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরপর পর্যায়ক্রমে বাকি স্থানগুলোতেও এ পদ্ধতি চালু করা হবে।

ইতোমধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে মোহাম্মদপুর আসাদ এভিনিউতে গ্রিন হেরাল্ড ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের সামনে পুশ বাটন টাইম কাউন্টডাউন সিগন্যালসহ জেব্রা ক্রসিং নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো: আতিকুল ইসলাম এটি উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ডিজিটাল পুশ বাটন সিগন্যাল বানানোর উদ্দেশ্য হলো নিরাপদ সড়ক তৈরি করা। আমরা নিরাপদ সড়ক ও শহর চাই। সড়কে সবাইকে আইন মানার আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, এখানকার নতুন সিগন্যাল লাইটের সাথে ক্যামেরার ব্যবস্থা আছে। যেসব গাড়ির ড্রাইভার ট্রাফিক আইন ভঙ্গ করবে তাদের গাড়ির নম্বর ক্যামেরা দিয়ে খুঁজে বের করা হবে। তাদেরকে চিহ্নিত করে মামলা দেয়া হবে। ইতোমধ্যেই পুলিশকে সে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে হলে আমাদের সুনাগরিক হতে হবে। ঢাকা শহরকে স্মার্ট সিটিতে রূপান্তর করতে হবে।

উল্লেখ্য, উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সড়ক দুর্ঘটনা রোধে পথচারীদের সড়ক পারাপারে ডিজিটাল পুশ বাটন টাইম কাউন্টডাউন সিগন্যাল ব্যবস্থা রয়েছে। যে পদ্ধতি প্রয়োগে পথচারীরা একটি নির্দিষ্ট সময় পর বাটনে চাপ দিলে গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকবে। এ সময়ে পথচারীরা রাস্তা পার হতে পারবেন। তবে নির্দিষ্ট সময় ছাড়া পথচারীরা রাস্তা পার হতে পারবেন না। আবার পথচারী বাটনে চাপ দিলে কোনো গাড়িও চলতে পারবে না। গাড়ি চললে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। একইভাবে পথচারীও আইন অমান্য করলে জরিমানার শিকার হবেন। এতে দুর্ঘটনাও কমে আসবে।

 এ

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker