রোববার, ২২ অক্টোবর ২০১৭
webmail
Thu, 12 Oct, 2017 02:31:01 PM
বেরোবি প্রতনিধি
নতুন র্বাতা ডটকম

বেরোবি: রং-বেরঙের নানা প্রকারের ফ্যাস্টুন ও প্লেকার্ড, শিক্ষার্থীদের মুখে মুখে বাশিঁর মনোরোম তালের  স্বর, সন্ধ্যায় ক্যাম্পাসে জাঁকজমকময় আলোকসজ্জা আর রঙ্গিন ব্যানারের আচঁলে বর্ণাঢ্য র্যা লী ও শোভাযাত্রার মধ্যদিয়ে পালিত হলো উত্তরবঙ্গের উচ্চ শিক্ষাবিস্তারের প্রাণকেন্দ্র রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নবম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০১৭।এ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোড়দার করা হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে নয়টায় বিশ্ববিদ্যালয় এক নম্বর মাঠে জমকালো আয়োজনের মধ্যদিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন,শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্তকরণ,কেক কাটা এবং উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্যদিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিনব্যাপী কার্যক্রমেরআনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ (বিটিএফও)।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড.নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ’র নেতৃত্বেশুরু হয়বর্ণাঢ্য  আনন্দ র্যা লী ও শোভাযাত্রা। এতে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. তুহিন ওয়াদুদ, রেজিস্টার মো: ইব্রাহিম কবীর,ব্যবসা অনুষদের ডিন মো: ফেরদৌস রহমান, বাংলা বিভাগের শিক্ষক ড, নাজমুল হক রসায়ন বিভাগের শিক্ষক নুরুজ্জামান খান,লোকপ্রশাসন বিভাগের শিক্ষক মো: জুবায়ের ইবনে তাহের,বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি তুষার কিবরিয়া ও সাধারণ সম্পাদক নোবেল শেখসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে সকাল ১১ টা থেকে বিকেল ৪ টা পর্যন্ত একাডেমিক ফেয়ার। যেখানে অংশগ্রহণ করবে বিশ্ববিদ্যারয়ের ২১ টি বিভাগ এবং তাদের প্রদর্শনী। এতে প্রথম,দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্টলকে পুরষ্কৃত করা হয়।শেষ বিকেলে অনুষ্ঠিত হয় উপাচার্যের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। এরপরে সন্ধ্যায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বর্তমান সময়ের নামকরা ব্যান্ড শিল্পীগোষ্ঠী চিলেকোঠা ও অগ্নি¯œান।

এর আগে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও নারীজাতির জাগরণের অগ্রদূত রোকেয়া সাখাওয়াতের প্রতিকৃতিতে পূস্পার্ঘ অর্পণের পরে উদ্বোধনী বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানের চারমাস অতিবাহিত হচ্ছে।ইতোমধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে যুগান্তকারী কতগুলো সিদ্ধান্ত নিয়েছি যা বিশ্ববিদ্যালয়কে অকেদুর এগিয়ে নিয়ে যাবে।’

এছাড়াও তিনি সকলের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করে বেরোবি’কে আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কাতারেদাড় করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য যে, ২০০৮ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম উপাচার্য ছিলেন অধ্যাপক লুৎফর রহমান। এরপর আসেন ড. জলিল মিঞা এবং ড.নুর উন নবী।বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রায় দশ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১৫৪ জন শিক্ষক ও প্রায় ৪০০ জনের মতো কর্মকতা-কর্মচারী রয়েছে।যেখানে চারটি একাডেমিক ভবন,একটি প্রশাসনিক ভবন,কেন্দ্রীয় মসজিদ,সেন্ট্রাল লাইব্রেরি,কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া,ছেলেদের জন্য দুটি আবাসিক হল ও মেয়েদের জন্য একটি আবাসিক হল, চারটি ডরমেটরি এবং নির্মাণাধীন রয়েছে মেয়েদের জন্য দশতলা ‘শেখ হাসিনা’ হল ও ড. ওয়াজেদ ইন্টারন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউট। তবে আর আগে কয়েকবার বিশ্ববিদ্যালয় দিবসটি অবহেলিতভাবে পালিত হলেও এবারের আয়োজন ছিলো  চোখে পড়ার মতো । রেকর্ড পরিমাণ শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ,বিভিন্ন রং সংবলিত ব্যানার ফ্যাস্টুন,শিক্ষার্থীদের হুলিখেলায় মেতে ওঠা,সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিলো চোখে পড়ার মতো উল্লেখ করে অভিমত প্রকাশ করেন বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা।


নতুন বার্তা/কেকেআর


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top