শুক্রবার, ২০ এপ্রিল ২০১৮
Mon, 09 Apr, 2018 08:56:49 PM
ঢাবি প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম

ঢাবি: কোটা সংস্কার আন্দোলন আগামী মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত স্থগিত করার ঘোষণা দিয়েছিলেন নেতারা। তবে এই দাবি মানছেন না ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় অবস্থানরত কয়েক হাজার আন্দোলনকারী।

সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয় আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদের। সেখানে ৭ মে পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রাজু ভাস্কর্যের অবস্থান থেকে মাইকে বলেন, সব শিক্ষার্থী আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নয়। এ কারণে আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যতক্ষণ পর্যন্ত কোটা সংস্কারের তাৎক্ষণিক কোনো সিদ্ধান্ত না আসছে বা প্রজ্ঞাপন জারি না হচ্ছে, ততক্ষণ আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।

সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় নতুন করে হাজারো শিক্ষার্থীরা জড়ো হচ্ছেন। সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলছেন, কৌশলে আন্দোলন বন্ধ করার কোনো চক্রান্ত তারা মেনে নেবে না।
 
ঘোষণার পর পরই ক্ষোভে ফেটে পড়ে ক্যাম্পাসে অবস্থান নেওয়া আন্দোলনকারীরা। বিভিন্ন হল থেকে নতুন করে জড়ো হতে শুরু করেছেন। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়কে লাঠি-সোটা নিয়ে মিছিল করছেন শতশত শিক্ষার্থী।

আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত ‘মানিনা- মানবো না’ মুহুর্মূহু স্লোগানে পুরো ক্যাম্পাস মুখর হয়ে উঠছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পারফরমেন্স স্টাডিজ বিভাগের রাগীব নাঈম বলেন, সত্যিকার অর্থে সরকারের কোনো ইচ্ছে নেই কোটা সংস্কার করার। তাদের যদি সত্যি ইচ্ছে থাকতো কোটা সংস্কার করার, তাহলে তারা আজকেই ফাইনাল ঘোষণা করতো। একমাসের সময় তারা নিতো না।

নৃবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী কাশফিয়া হাসান বলেন, সরকার আমাদের সঙ্গে টালবাহানা শুরু করেছে।

মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারই যদি সব সরকারি চাকরি পেয়ে যায়, তাহলে এই দেশে আমাদের জন্ম নেয়াই সবচেয়ে বড় ভুল। একমাস পর কিছুই হবে না। তখন তারা এই বিষয় ভুলে যাবে।

নতুন বার্তা/কেকে
 


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top