বিনোদনহোমপেজ স্লাইড ছবি

মানসিক অস্থিরতা দূর করতে পারে যে সিনেমার একটি সংলাপ

সোলাইমান কবির অনিক: “Bridge of spies” সিনেমায় দেখা যায় ১৯৫৭ সালে একজন সোভিয়েত স্পাই (রুডল্ফ এবল) আমেরিকায় ধরা পড়ে,আর তাকে ডিফেন্ড করার দায়িত্ব পরে একজন ইন্স্যুরেন্স লয়্যার (জেমস বি ডনাভন) এর উপর। আমেরিকার কোর্ট, আমেরিকার জাজ,আমেরিকার জুরি বোর্ড এমনকি ডিফেন্ড করার জন্যে যেই উকিল নিযুক্ত করা হয়েছে তিনিও আমেরিকান। কোল্ড ওয়ার এর সময় মোটামুটি সবাই এমন কি এবল ও নিশ্চিত ছিল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হবে।

কোর্ট প্রসিডিওর এবং জিজ্ঞাসাবাদের পুরোটা সময় রুডল্ফ এবল খুব ই স্বাভাবিক এবং নির্লিপ্ত থাকে। তার এই নির্লিপ্ততা দেখে ডনাভন জিজ্ঞেস করে ” You are not worried?” রুডল্ফ এবল কোনোরকম এক্সপ্রেশন চেঞ্জ না করে জিজ্ঞেস করে “Would it help?” একই কথা ডনাভন আবারো জিজ্ঞেস করে যখন তিনি জানতে পারেন এবল কে যদি সোভিয়েত ইউনিয়ন এ ফেরত ও দেয়া হয় তাকে হত্যা করা হতে পারে। এবল জীবন যাচ্ছে এইটায় ভয় না পেয়ে ঠিক একই ভাবে উত্তর দেয় “Would it help?”

কত সহজ না ব্যাপারটা? মাত্র ৩ টা শব্দ, তা দিয়ে কি পরিমাণ সাহস আর কি পাহাড়সমান মানসিক জোর বুঝানো যায় তাই না? “আমি ভাঙবো না যত যাই হোক” এমন একটা ভাইব পাওয়া যায় না? – ‘Your heart is broken, why are you not mourning?’ – ‘would it help?’ অথবা – She/he left you, why are you not sad? Don’t you had feelings for him/her? – I had, still do. but ‘would it help?’ কিংবা – Its a pandemic, people are dying out there. Why are you not scared/panicked? – ‘would it help?’ isn’t it a powerful weapon to Console yourself when you can’t say anything to anyone when you have no one around to console you?? কিছু নিয়ে আপনি ডিস্টার্বড, কিছু নিয়ে আপনার মন ভালো নেই, কিছু নিয়ে চিন্তা করতে পারছেন না এতটা অসহায় লাগছে আপনার। সেটা নিয়ে পরে থাকলেন আপনি। – “would it help?”

সব চিন্তা দুর হয়ে গেল? আপনি স্বাভাবিক হয়ে গেলেন? এমন তো না তাই না? শোক করেন,প্যানিক করেন,ভয় পান বাট নট ফর হোল ডে,কারণ আপনাকে এইটা হেল্প করবে না। সারাদিন শোক করলে আপনি শোক কাটাইতে কাজ করবেন কখন? স্যাড যেই কারণে ওইটা থেকে ওভারকাম করবেন কখন? আবার প্যান্ডেমিক এ প্যানিকড না হয়ে সাহস দেখায়া বাইরে চইলা গেলেন এইটাও তো লজিক্যাল না। আপনি আপনাকে ঠিক রাখেন,যেভাবে পারেন, যেটা ভালো লাগে সেটা করেন। এখন তো অবশ্যই বুঝতে পারছেন লাইফ ইজ টু শর্ট টু ওয়াস্ট এ ডে। তবে যাই করেন অবশ্যই নিরাপদে থেকে আশেপাশের সবাইকে নিরাপদে রেখে। সেইফ এন্ড সাউন্ড ওয়েতে। যখন ভয় পাবেন, যখন খুব বেশি প্যানিক করতে থাকবেন। চেষ্টা করবেন নিজেকে জিজ্ঞেস করার “Would it help?”

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker