মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
webmail
অতিরিক্ত ঠান্ডা পানীয় পান করলে তা বিভিন্ন ভাবেই শরীরের ক্ষতি করে। ওজন বৃদ্ধি, ডায়াবেটিস, মহিলাদের ক্ষেত্রে সময়ের নির্দিষ্ট বয়সের আগেই পিরিয়েড শুরু হওয়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার জন্ম দেয়। কিন্তু এবার জানা গেল আরও মারাত্মক ক্ষতির কথা। বোস্টন ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিন-এর গবেষকরা বলছেন, অতিরিক্ত ঠান্ডা পানীয় পান করলে
রোগা হওয়া এখন একটা ট্রেন্ড। পুরোনো পোশাক যদি গায়ে বড় হয় তাহলে মন যেন খুশিতে ভরে ওঠে। স্লিম অ্যান্ড ট্রিম চেহারাই এখন ফ্যাশনে ইন। আর এর মধ্যে এমন কিছু মানুষ আছেন যাঁরা খাওয়া ছাড়া থাকতেই পারেন না। তার জন্য চেহারার দিকে খুব একটা চোখও দেন না। তাঁরা আছেন নিজের মতোই।
কেউ দেন পায়েসে, কেউ ধোঁয়া ওঠা পোলাওয়ে। অনেকে আবার বিরিয়ানি স্পেশ্যাল করতেও উপরে ছড়িয়ে দেন। যেখানেই পড়ুক না কেন, স্বাদ কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেয়। অনেকে আবার খাবার প্লেটে আলাদা করে পাশে রেখে দেন। যাতে খাওয়ার শেষে কিসমিসের টকমিষ্টি স্বাদটা মুখে থেকে যায়। তবে কেবল স্বাদেই অতুলনীয় নয় ছোট এই ড্রাই ফ্রুট,
আয়োডিন আমাদের শরীরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, যদিও বিষয়টিকে আমরা কমই গুরুত্ব দিয়ে থাকি। থাইরয়েড হরমোন এবং হজমের কর্মকাণ্ডের জন্য এটি বিশেষ ভূমিকা রাখে। আয়োডিনের অভাব হলে শারীরিক বৃদ্ধি বা গঠনে বড় ধরণের প্রভাব পড়ে। কিন্তু আমাদের অনেকেরই জানা নেই, কতটা আয়োডিন আমাদের দরকার বা কোন খাবারে সেটি পাওয়া যাবে? এ নিয়ে গবেষণার পর সারে
বছর চব্বিশের হাসিখুশি, ছটফটে তরুণী। ভালবাসেন পাহাড়-জঙ্গল-ঝর্নার ধারে বন্ধুদের সঙ্গে মজা করতে। ঘোড়ায় চড়তে। কিন্তু এ বারে ছুটি কাটিয়ে আসার কিছু দিন পর থেকেই একটা চোখ করকর করছিল বেশ। জলে ধুয়ে, হাত দিয়ে অল্পবিস্তর ঘষাঘষি করেও লাভ হচ্ছিল না। তার পর এক দিন নিজেই চোখের মণি থেকে টেনে বার করলেন
আমাদের শরীরের ৬০ শতাংশই জলীয় পদার্থ। আর যখন শরীরের জলের পরিমাণ কমে যায়, তখনই আমাদের ডিহাইড্রেশন হয়। শরীর থেকে সাধারণত প্রস্রাব, ঘাম এবং মলের মাধ্যমে জল নির্গত হয়। ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করতে তাই আমাদের প্রচুর পরিমাণে জল খাওয়া দরকার। অল্প মাত্রায় ডিহাইড্রেশন হলে তা প্রচুর পরিমাণে জল খেলে ঠিক হয়ে গেলেও,
"বিজ্ঞানে এটা প্রমাণ হয়েছে যে সুখী হতে হলে সচেতন প্রচেষ্টার প্রয়োজন," বলেছেন যুক্তরাষ্ট্রে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ে মনোবিজ্ঞান এবং কগনিটিভ বিজ্ঞান বিভাগের একজন অধ্যাপক লরি স্যান্টোস। বিবিসিকে তিনি বলেছেন, "এটা খুব একটা সহজ কাজ নয়, এজন্যে সময় লাগবে।" তবে তিনি হয়তো জানেন যে সুখী হতে হলে কি করতে হবে? কারণ তিনি পড়ান 'মনোবিজ্ঞান
এককাপ গরম চায়ে মন ভাল। সঙ্গে সতেজ শরীর। বেড টি ছাড়া সকালের খবরের কাগজটাও কেমন যেন ম্রিয়মাণ ঠেকে। অভ্যেস থেকে যা নেশায় পরিণত হয়। কিন্তু এই নেশাই বিপদের। ঘুম থেকে উঠে চা খাওয়া ছাড়ুন। খালি পেটে চা মারাত্মক ক্ষতি করছে আপনার। বারোটা বাজবে লিভার, কিডনি, ফুসফুসের, বলছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষজ্ঞদের দাবি, খালি
ঢাকা: কোনো অসুখ হলে আমাদের শরীরই নানা রকম সংকেতের মাধ্যমে তা জানান দেয়। মানুষের যত রকম ক্যান্সার হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শরীর সে সম্পর্কে কোন না কোন পূর্বসংকেত দেয়। কিছু লক্ষণ দেখে আপনি সন্দেহ করতে পারবেন যে আপনার দেহে হয়তো ক্যান্সার হয়ে থাকতে পারে। কি লক্ষণ সেগুলো? চিকিৎসকেরা বলছেন সেই সংকেত মূলত সাতটি। তাই
বাচ্চাদের গলায় খাবার আটকে যাওয়া খুব স্বাভাবিক বিষয়। খাবার ছাড়াও অনেক সময় তাদের গলায় খেলনাও আটকে যায়। আসলে একটা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত তারা সব জিনিসই মুখে দেয়। আর এতেই সমস্যা তৈরি হয়। অনেক সময় হাতের কাছে পয়সা পেলেও তারা মুখে ঢুকিয়ে দেয়। ফলে গলার মধ্যে তাও আটকে যেতে পারে। তবে
কলা অন্যান্য ফলের তুলনায় দামে সস্তা হলেও পুষ্টিগুণের দিক দিয়ে মোটেও পিছিয়ে নেই। বরং এর মধ্যে অধিক পরিমানে পটাশিয়াম থাকায় এটা রক্তচাপ ও হৃদরোগের রোগীদের জন্য খুবই উপকারী। কিন্তু শুধুমাত্র কলাই নয়, কলার খোসার মধ্যেও যে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ অনেকেই জানেন না। তাই এবার থেকে কলা খেয়ে খোসা ফেলে দেওয়ার
ঢাকা: “একজন মেয়ে যখন গর্ভবতী হয় তখন সবাই তার শারীরিক দিকটাকে বেশি গুরুত্ব দেয় কিন্তু তার মানসিক দিকটা থাকে বেশ অবহেলিত। একজন গর্ভবতী মা’র গর্ভাবস্থায় শরীরের যত্নের সাথে সাথে  মানসিক সেবারও প্রয়োজন হয়। একটির সাথে আরেকটি সংযুক্ত। আমি মনে করি, নতুন যারা মা হতে যাচ্ছেন তাদের শুধু শারীরিক চিকিৎসক নয়,
‘দুধ না খেলে, হবে না ভালো ছেলে...’ ছেলে হোক কিংবা মেয়ে, দুধ খেলে কে কতটা ভালো হবে তা জানা নেই, কিন্তু দুধ খেলে স্বাস্থ্যের অনেক উপকার হবে, তা চিকিত্সকরাই পরামর্শ দিয়ে থাকেন। দুধে প্রচুর পরিমানে ক্যালশিয়াম, ভিটামিন ডি, পটাশিয়াম রয়েছে। বেশিরভাগ মানুষই দুধ গরম খেতে পছন্দ করেন। আবার কিছু মানুষ
ক্তচাপের সমস্যায় একবার ভুগতে শুরু করলে, তা সারা জীবন পিছু ছাড়ে না। তাই অগত্যা চিকিৎসকের দ্বারস্থই হতে হয় রোগীদের। বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যায় ভুগতে শুরু করলে তখন খাওয়া দাওয়া থেকে শুরু করে জীবন যাপন সবেতেই রাশ টানতে হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ‘ডেইলি এক্সপ্রেস’-এর প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য
ক্যানসারের লক্ষণ দেখা দেবার আগেই রোগনির্ণয়? মার্কিন গবেষকরা বলছেন, একটি রক্তপরীক্ষা থেকেই নাকি আট ধরনের ক্যানসার ধরা পড়বে৷ ডিম্বকোষ, যকৃৎ, পাকস্থলী, প্যানক্রিয়াস, খাদ্যনালী, মলাশয় ও স্তনের ক্যানসারের টিউমার নাকি ভবিষ্যতে শুধুমাত্র একটি রক্তপরীক্ষা থেকেই ধরা পড়বে বলে বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন৷ আরো বড় কথা হলো, এই রক্তপরীক্ষায় যখন ক্যানসার ধরা পড়বে, তখনও
হলুদ শুধুমাত্র রান্নার স্বাদ বাড়ানোর কাজে ব্যবহৃত হয় না। রান্নার কাজে ব্যবহৃত হলেও হলুদের গুণাগুণ অনেক। মশলার রানি হলুদ আমাদের স্বাস্থ্যের কী কী উপকার করে জেনে নিন- আরও পড়ুন : মাংস এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়, মত গবেষকদের ১) ঠাণ্ডা লাগা, কফ, সর্দি, কাশি এবং ত্বকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে
শীতে একটু অসতর্ক হলেই সর্দি, কাশি। হতে পারে ফুসফুসের সমস্যা বা ব্রঙ্কাইটিস। কারণটা শুধু কম তাপমাত্রা ও শুষ্ক আবহাওয়াই নয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী দূষণ ও ধূমপান। জেনে নিন ব্রঙ্কাইটিস কী ও কীভাবে এই মরশুমে সুস্থ থাকবেন। ব্রঙ্কাইটিস কী ব্রঙ্কাইটিস হল ফুসফুসের মধ্যে শ্বাসনালীর প্রদাহ। এর ফলে শ্বাসনালীর ঝিল্লিপর্দা ফুলে যায়, অতিরিক্ত মিউকাস
প্রত্যেকটি মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত জরুরি ভিটামিন। দেহের পর্যাপ্ত বৃদ্ধি ও সুস্থ থাকার ক্ষেত্রে ভিটামিনের ভূমিকা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু অনেক সময় দৈনিক খাবার-দাবারের পাশাপাশি নানা ধরনের ভিটামিন ট্যাবলেটও খেয়ে থাকেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে যদি ট্যাবলেট খান, তাহলে সমস্যা নেই। কিন্তু দুর্বল থেকে সবল হতে নিজেই ডাক্তারি করে ভিটামিন ট্যাবলেট বেছে
শীতের প্রভাব যায়নি শহর থেকে, উত্তরে হাওয়ার তেজ এখনও একইরকম। তারমধ্যে কলকাতায় বেলার দিকে গরম লাগছে। এমন আবহাওয়া ঠান্ডা লাগার জন্য আদর্শ। তাই ঠান্ডা লাগার হাত থেকে বাঁচাতে, রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে গরম জল আর মধু খান। মধু যেমন ঠান্ডা লাগার হাত থেকে বাঁচায়, তেমন বাড়তি ওজন ঝরিয়ে ফেলতেও 
আমাদের খাদ্যাভ্যাসের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে অসুস্থতার কারণগুলি। সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় এমন তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, অতিরিক্ত মাংস, মিহি শস্যদানা এবং উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই ক্যানসারের কারণ হতে পারে। সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পানীয় এবং অতিরিক্ত মাংস প্রতিদিনের ডায়েটে থাকলে কলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। জামা অঙ্কোলজি
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ
হেলথ টিপস
ব্যর্থ প্রেমিক ছাড়া প্রেম ব্যাপারটা দোষে গুণে সবার কাছেই বেশ আহ্লাদের। প্রেম নিয়ে আহ্লাদীপনার দাপটটা ...
প্রকৃতি আমাদের জন্যে কত রকম খাবারেরই না যোগান মজুত রেখেছে! তারই মধ্যে এমন অনেক খাবার ...
নিয়ম করে প্রতিমাসে বিউটি পার্লারে যেতে ইচ্ছে করে না? কিন্তু একেবারে ঝকঝকে স্কিন পেতেও তো ...


শিরোনাম
Top
close