স্বাস্থ্যহেলথ টিপসহোমপেজ স্লাইড ছবি

সুস্থ থাকতে বাসায় থাকুন

যে কথাটা বলা দরকার- কেন জনগন স্বীকার করতে ভয় পাচ্ছে? প্রথমেই বলা যায় সরকার বা দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান (আদৌ শুরুতে এই ভাইরাস কিভাবে মোকাবেলা করা হবে তার কোন সরকারী প্রস্তুতি ছিল বলে মনে হয়না- আসলে দেখা যাবে টাইপ একটা মনোভাব ছিলো) কোন ধরনের কমিউনিকেশন করেনি জনগনের সাথে বা বিদেশী যারা আসবে তাদের কোন গাইড লাইন বা ইনফরমেশন কিছুই দেয়া হয়নি।

বিভিন্ন কেস, বা মনোভাব দেখে (হাসপাতাল, ডাক্তার, কর্মী, সেবক) সবার মনে একটা ভীতি চলে আসছে যে করোনা হলে যে কোয়ারান্টাইনে পাঠানো হয় সেটা এক প্রকার জেল খানার মত/ আসলে এটা যে তার ভালো হবার জন্য এটা কেউ বিশ্বাস করছেনা, যার কারণে সবাই তথ্য গোপন এবং অনেকেই উপসর্গ নিয়ে আত্বগোপন করছে। এটা সরকারের সংস্থার প্রতি অনাস্থার বিষয়- ভয়ে নয়। উপসর্গ আছে এমন অনেকেই যেমন প্রথম দিকে সেবা পায়নি- তেমনি অনেকে আছে গোপন করে পরিবার বা সমাজ ব্যবস্থায় ঢুকে গেছে,  এখনো গোপন করছে।

সামাজিক অনাস্থাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখছে। কারন সহানুভুতিশীল সমাজ ব্যবস্থার ভীত নড়বড়ে হয়ে গেছে। আপনার বা আমার করোনা হলে সমাজ এটাকে অপরাধ হিসেবে দেখছে, রাষ্ট্রপুলিশ পাঠাচ্ছে (যেখানে আমাদের দেশে পুলিশের প্রতি একধরনের ভীতি সবসময় কাজ করে- সেখানে এটাকে নেগাটিভ হিসেবে দেখা মোটেও অস্বাভাবিক নয়)- এজন্য মানুষ গোপন করছে।

আর এই গোপনীয়তা আরো ভয়াবহ- বাসায় লাশ পড়ে থাকবে কিন্তু কেউ খবর পাবেনা। সরকারের উচিত আস্থার জায়গা টা তৈরী করা, ভরসার জায়গা তৈরী করা, সাথে তথ্য নিয়ে স্বচ্ছতা এবং আক্রান্ত রোগিদের কিভাবে সেবা দিয়ে শুশ্রুষা করা হবে এটা জানানো- কোয়ারান্টাইন শব্দটা পরিহার করা (এটা ভীতিকর একটা শব্দ- সবাইকে প্রথমেই আতংকগ্রস্ত করে তুলেছে- এবং যার ফলে কেউ কোয়ারান্টাইনে যেতে চায় না) সবাই সুস্থ থাকুক।

 

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker