ঢাকা: সাভারের রানা প্লাজার ঘটনা তদন্তে গঠিত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। প্রতিবেদনে ভবনমালিক সোহেল রানা এবং পাঁচ পোশাক কারখানার মালিককে দোষী চিহ্নিত করা ...
ঢাকা: রাজধানীতে প্রায় ১০ হাজার অবৈধ ভবন ও স্থাপনার তালিকা নিয়ে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যৌথ উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু করেছে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও ...
ঢাকা: গাজীপুর সিটি করপোরেশন এবং জাতীয় সংসদের কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের উপনির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দিন আহমেদ এ ...
ঢাকা: বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু অভিযোগ করে বলেছেন, “সংলাপের আশা গুঁড়েবালিতে পরিণত হয়েছে। আমরা সংলাপ নিয়ে অনেক আশা করেছিলাম। এ বিষয়ে সরকার আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার ঘোষণা দিয়েও তা দেয়নি।”
বুধবার বিকেলে ...
ভোলা: ভোলার বোরহানউদ্দিনে মতিয়ার মার পুকুর নামক এলাকায় মির্জাকালু পরিবহন নামক একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের পুকুরে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান তিন যাত্রী। আহত হয়েছে কমপক্ষে আরো ...
রাজশাহী: রাজশাহীতে সারওয়ার হোসেন ডাবলু (৪০) নামে এক যুবলীগ নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে নগরীর চণ্ডিপুর মুসার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ডাবলু নগরীর ...
ঢাকা: দৈনিক ‘আমার দেশ’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মা এবং আমার দেশ পাবলিকেশন্সের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মাহমুদা বেগমের বিরুদ্ধে করা মামলা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট।
একই সঙ্গে মামলাটি ...
ঢাকা: পদ্মা সেতু দুর্নীতি মামলার প্রমাণপত্র রমেশের ডায়েরি উদ্ধারের চেষ্টা করছে কানাডায় সফররত দুদক প্রতিনিধি দল। ওই ডায়েরি উদ্ধার করতে না পারলে এর অনুলিপি সংগ্রহ করা হবে। রমেশের ডায়েরি সংগ্রহ করাই ...
ঢাকা: মাহমুদুর রহমানের মুক্তি ও বন্ধ মিডিয়া হাউজগুলো খুলে দেয়ার দাবিতে ১৫ সম্পাদকের দেয়া বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করায় তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর কঠোর সমালোচনা করেছেন সাংবাদিক নেতারা। বুধবার দুপুরে বাংলাদেশ ...
ঢাকা: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্য রফতানিতে জিএসপি-সুবিধা বহাল রাখার ক্ষেত্রে সে দেশের মনোভাব ইতিবাচক। তবে এ জন্য শ্রমিকদের কর্মপরিবেশ ও অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে দ্রুত পদক্ষেপ ...
ঢাকা: ঘরোয়া ক্রিকেট লিগের দলবদলে গ্রেডিং পদ্ধতি চালুর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে বিষয়টিতে আপত্তি তুলেছে ক্রিকেটাররা। এবার দুই পক্ষের অনড় এ অবস্থা দূরীকরণে এগিয়ে এসেছে ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন (কোয়াব)। বুধবার খেলোয়াড়দের এ সংগঠনটি ঘোষণা দিয়েছে, তিন দিনের মধ্যে ক্রিকেটারদের সঙ্গে আলোচনা সারবে তারা। চেষ্টা করবে বিষয়টির সুষ্ঠু একটা সমাধান বের করার।
কোয়াবের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত রায় নতুন বার্তাকে জানিয়েছেন,“অনেক দিন ধরেই গ্রেডিং পদ্ধতি নিয়ে মনিটরিং করছি আমরা। বিসিবি গ্রেডিং পদ্ধতি চালু করার ঘোষণা দিয়েছে। যা ক্রিকেটারদের জন্য বিরাট ক্ষতি। তবে বিসিবি আমাদের চূড়ান্ত কিছু জানায়নি। দুই দিনের মধ্যেই বিসিবির লিখিত সিদ্ধান্ত জানতে পারব আমরা। এরপর ক্রিকেটারদের নিয়ে আলোচনায় বসব। কী করা যায় সে নিয়ে মতানৈক্যে পৌঁছার চেষ্টা করব।”
জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোয়াবের কথা হয়েছে কিনা এর জবাবে তিনি বলেন,“জাতীয় দলের তারকা কয়েক জন ক্রিকেটার ছাড়া বাকিদের সঙ্গে ও লিগের অনেক ক্রিকেটারদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত ফোনে আলোচনা চলছে। গ্রেডিং পদ্ধতি ক্রিকেটারদের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তারপরও ক্রিকেটাররা চায় লিগ হউক। কিন্তু ক্রিকেটারদের ক্ষতি না করে।”
গ্রেডিংয়ের নতুন নিয়ম মেনে ২০ জুন দলবদল শুরু হওয়ার কথা। আর নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার কথা এক জুলাই। কিন্তু গ্রেডিং ইস্যুতে ক্রিকেটার, ক্লাব ও বিসিবির মধ্যে মতানৈক্য স্থাপিত না হলে লিগ কিভাবে শুরু হবে সেটাই এখন দেখার বিষয়।
বুধবার সকাল ১১টার দিকে ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোজাম্মেল হক এ দুটি মামলায় অভিযোগ (চার্জ) গঠনের শুনানির দিন পিছিয়ে ১৬ জুন পুনর্নির্ধারণ করেছেন।
বুধবার শুনানির দিন ধার্য থাকলেও আদালতে যাননি খালেদা জিয়া। তার আইনজীবী মাহবুব উদ্দিন খোকন আদালতকে জানান, সামনে সংসদ অধিবেশন থাকায় তিনি (খালেদা জিয়া) আদালতে হাজির হতে পারেননি।
আবেদনের শুনানি শেষে ঢাকা বিভাগীয় বিশেষ জজ-৩ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোজাম্মেল হক শুনানি পিছিয়ে ১৬ জুন পুনর্নির্ধারণ করেন।
ঢাকা: মালয়েশিয়ার ব্যাবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহবান জানিয়েছে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)।
বুধবার রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআইয়ের সম্মেলন কক্ষে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) এবং দি অ্যাসোসিয়েটেড চাইনিজ চেম্বারর্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব মালয়েশিয়ার (এসিসিসিআইএম) মধ্যকার বিজনেস টু বিজনেস ম্যাচ মেকিং অনুষ্ঠান ডিসিসিআইএ’র পক্ষ থেকে এ আহবান জানানো হয়। এসিসিসিআইএম-এর নির্বাহী উপদেষ্টা টান সিরি দাতো সং সিও হোন্জ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
এ সময় ডিসিসিআই সভাপতি সবুর খান বলেন, “বিশ্বায়নের এ যুগে আমাদের উচিত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আঞ্চলিক এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতা আরো জোরদার করা।” তিনি মালয়েশিয়ার ব্যবাসয়ীদেরকে বাংলাদেশে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, খাদ্য পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, গ্যাস চালিত শিল্পকারখানা, টেলিযোগাযোগ এবং কৃষি ভিত্তিক শিল্পে বিনিয়োগের আহবান জানান।
তিনি ডিসিসিআই এবং এসিসিসিআইএম-এর মধ্যে ২০০৬ সালে স্বাক্ষারিত সমঝোতা চুক্তির ভিত্তিতে দুদেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে দি এসোসিয়েটেড চাইনিজ চেম্বারর্স অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অব মালয়েশিয়া (এসিসিসিআইএম)-এর নির্বাহী উপদেষ্টা টান সিরি দাতো সং সিও হোন্জ বলেন, মালয়েশিয়ার ব্যবসায়ীরা এ দেশে সম্ভাবনাময় খাতে বিনিয়োগে অত্যন্ত আগ্রহী। মালয়েশিয়ার অর্থনীতি একসময় কৃষি ভিত্তিক থাকলেও আজ তারা উৎপাদন নির্ভর অর্থনীতির দেশে পরিণত হয়েছে। তিনি দুদেশের বাণিজ্য বৃদ্ধির জন্য চেম্বারগুলোর মধ্যকার কার্যক্রম আরো বৃদ্ধির আহবান জানান।
ডিসিসিআই সহ-সভাপতি আবসার করিম চৌধুরী, পরিচালক খায়রুল মজিদ মাহমুদ, কে এম এন মঞ্জুরুল হক, হায়দার আহমদ খান, এফসিএ, আবুল হোসেন, ওসামা তাসীর, মোহা. ইফতেখারউদ্দিন (নওশাদ), রিজওয়ান-উর রহমান, হুমায়ুন রশীদ, এম আবু হোরায়রা, খন্দকার শহীদুল ইসলাম এবং আলহাজ্ব আব্দুস সালাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা: দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে কর্মকর্তারা।ছবি: নতুন বার্তা, ২২ মে ২০১৩
ঢাকা: বুধবার আমেরিকান সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মোজেনা বক্তব্য রাখছেন। ছবি: নতুন বার্তা ডটকম/২২ মে ২০১৩।
ঢাকা: বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন জাতীয় প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে।ছবি: নতুন বার্তা, ২২ মে ২১০৩
ব্যাংকক: রোববার সকালে থাইল্যান্ডের চিয়াংমাইয়ের আন্তর্জাতিক কনভেনশন অ্যান্ড এক্সিবিশন সেন্টারে দ্বিতীয় এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় পানি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অতিথিরা। ছবি: বাসস/২০ মে ২০১৩।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম
চবি: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সমাজতত্ত্ব বিভাগের মাস্টার্সের এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি করার ঘটনায় অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত ছাত্রী।
বুধবার দুপুর ১২টা থেকে তিনটা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্তরা হলেন- ছাত্রলীগকর্মী মাসুম ওরফে মুন রোজারিও এবং মো. আলী। মাসুম বিশ্ববিদ্যালয় সমাজতত্ত্ব দ্বিতীয়বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ সভাপতি মামুনুল হকের অনুসারী এবং আলী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রহরী শেখ ফরিদ উদ্দিনের ছেলে।
এদিকে, উপযুক্ত বিচার না পেলে লাঞ্ছনার শিকার ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের সামনে আত্মহত্যা করার হুমকি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, যৌন হয়রানির ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের উপযুক্ত শাস্তির দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শত শত ছাত্রী বুধবার দুপুর ১২টা থেকে বিকাল তিনটা পর্যন্ত প্রশাসনিক ভবন ঘেরাও করে রাখে। একই সময়ে মানববন্ধন কর্মসূচিও পালন করা হয়।
এ সময় প্রশাসনিক ভবনের সামনে কোনো যানবাহন চলাচল করতে দেয়নি ছাত্রীরা।
পরে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের আগামী শনিবার অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে আশ্বস্ত করলে ছাত্রীরা অবরোধ কর্মসূচি তুলে নেয়।
এর আগে লাঞ্ছনার শিকার ওই ছাত্রী যদি উপযুক্ত বিচার না পায় তাহলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরের সামনেই তিনি আত্মহত্যা করবেন বলে হুমকি দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
আন্দোলনরত ছাত্রীরা বলেন, উপযুক্ত শাস্তি না দিয়ে যদি লোক দেখানো শাস্তি দেয়া হয় তাহলে আমরা বিচার মানব না এবং কঠোর আন্দোলনে যাব।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর সিরাজ উদদৌল্লাহ বলেন, “সমাজতত্ত্ব বিভাগ থেকে অভিযুক্ত ছাত্রের বিরুদ্ধে শাস্তির জন্য নোট পাঠালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেবে।”
এদিকে, লাঞ্ছনার শিকার ওই ছাত্রীর মামলার প্রেক্ষিতে বুধবার দুপুর দুইটার দিকে মুন রোজরিও ও আলীকে কোর্টে চালান করে হাটহাজারী থানা পুলিশ।
গত সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে লোকাল সিএনজি অটোরিকসা যোগে হলে ফেরার সময় ছাত্রলীগকর্মী মুন রোজারিও ও মো. আলী ওই ছাত্রীকে লাঞ্ছিত করে।
কলম্বো: সোমবার শ্রীলঙ্কার নেগোম্বোতে তিনদিনব্যাপী বিশ্ব কুমির সম্মেলন শুরু হয়েছে। বিশ্বখ্যাত কুমির এবং পরিবেশ বিজ্ঞানীরা কুমিরের অস্তিত্ব সংকট মোকাবিলায় বক্তারা আলোচনা করেন।
শ্রীলঙ্কাসহ ৩০টি দেশের প্রায় ২২০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনে শ্রীলঙ্কার কুমির বিশেষজ্ঞ অ্যানস্লেম ডি সিলভা বলেন,“কুমির যাতে সঠিকভাবে বাঁচতে পারে আমাদের সেই দায়িত্ব পালন করতে হবে। কারণ কুমিরের বেঁচে থাকার সঙ্গে মানব জীবনও ওৎপ্রোতভাবে জড়িত।”
তিনি আরো বলেন, “পরিবেশ চক্রে কুমিরের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তারা যদি হুমকির সম্মুখীন হয় তবে মানবজাতিও হুমকির মুখে পড়বে।”
প্যারিস: বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে ফ্রান্সে নিযুক্ত বাংলাদেশর রাষ্ট্রদূত এম শহীদুল ইসলাম মতবিনিময় করেছেন।
২০ মে দূতাবাসের হলরুমে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে রাষ্ট্রদূত তার স্বাগত বক্তব্যে সাংবাদিকদের কর্মতৎপরতার প্রশংসা করে বলেন, “ফ্রান্সের সাংবাদিকরা যেভাবে ইতিবাচকভাবে প্রত্যেকটি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে ভূমিকা রাখছে তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।কমিউনিটি গঠনে সাংবাদিকদের এ অবদান ফ্রান্সের বাংলাদেশীরা সারা জীবন মনে রাখবে।”
তিনি দূতাবাসের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ বিশেষ করে ফ্রান্সব্যাপী বাংলাদেশকে পরিচিত করা, বাংলাদেশের পোশাক খাতের রফতানি বাড়ানো, দূতাবাসের সেবার মান, নতুন ওয়েবসাইটসহ আগামী দিনের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন।
তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেন।সাংবাদিকদের বিভিন্ন অভিযোগ যেমন পাসপোর্ট রিনিউএর মেয়াদকাল ছয় মাস, বাংলাদেশ প্রমোটিং সিস্টেম, পোশাক প্রমোটিং সিস্টেম, দূতাবাসের বিভিন্ন সেবাদানের ওপর আরোপিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ নোট করে আবিলম্বে তা সমাধানের আশ্বাস দেন।
সভায় সাংবাদিকদের পক্ষ্য থেকে রাষ্ট্রদূত এবং দূতাবাস কর্মকর্তাবৃন্দকে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
দূতাবাসের কর্মাশিয়াল কাউন্সিলর ফিরোজ রশীদ ও প্রথম সেক্রেটারি ওয়ালিউর রহমান এ সময় উপস্তিত ছিলেন। সাংবাদিকদের মধ্যে প্যারিসের বিভিন্ন বাংলা মিডিয়ার সাংবাদিকদের মধ্যে একাত্তর টিভি ও চ্যানেল এস’র ইউরোপ প্রতিনিধি নুরুল ওয়াহিদ, এটিএন বাংলার ফ্রান্স প্রতিনিধি দেবেশ বড়ুয়া, চ্যানেল নাইন ইউকের ফ্রান্স প্রতিনিধি খান বাবু রুমেল, এনটিভি ইউকের ফ্রান্স প্রিতিনিধি শাহীন আহমদ, বাংলা ভিশনের প্রতিনিধি ফয়সাল আহাম্মেদ দ্বীপ, মাসিক নবকন্ঠের সম্পাদক আবু তাহির, মাসিক প্রবাস বাংলা সম্পাদক অধ্যাপক আলম অপু, ইকবাল হোসেইন, খালেদ রহমান বাপ্পি, বদরুল হাসান, ওলিউর রহমান, সেলিম চৌধুরী ও সাখাওয়াত হোসেইন।
ওয়াশিংটন: অবশেষে সিনেটে পাশ হলো বহুল আলোচিত অভিবাসন বিল। এর মাধ্যমে আমেরিকায় বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের দেশটির নাগরিক হিসেবে গ্রহণ করার সুযোগ আরো একধাপ এগিয়ে গেলো।
মঙ্গলবার সিনেটের জুডিশিয়ারিতে বিলটি ১৩-৫ ভোটে পাশ হয়। আগামী জুন মাসে বিলটি নিয়ে সিনেটে বিস্তারিত বিতর্ক হবে।
বিলটি পাশ হওয়ার পর আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সিনেট কে উৎসাহ দিয়ে বলেন, “এই বিষয়টির দ্রুত নিষ্পত্তির বিষয়ে এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের জন্য বিলটির বিষয়গুলা যাতে সামনে আনা হয় সেজন্য আমি সিনেটকে উৎসাহিত করছি।”
প্রস্তাবিত বিলে আগামী ১৩ বছরের মধ্যে এক কোটি ১০ লাখ অভিবাসীকে বৈধতার বিষয়ে বলা হয়েছে।
কলকাতা: ফের অসুস্থ দেবযানী মুখোপাধ্যায়। তবে চাপে পড়ে এবার আর বেসরকারি হাসপাতালে নয়, ভর্তি করা হয়েছে সরকারি হাসপাতাল এসএসকেএমে। যদিও আদালতের নির্দেশের পর এদিন দেবযানীকে কোথায় রাখা হবে তা নিয়ে তৈরি হয়েছিল রহস্য। বাড়তি সুবিধা পাইয়ে দিতেই কী শেষ পর্যন্ত দেবযানীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হলো পুলিশকে। এমন প্রশ্ন উঠছে।
মঙ্গলবার সকালেই বারুইপুর আদালতে পেশ করা হয় সারদাকাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে। তার আট দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। এরপরেই দেবযানী মুখোপাধ্যায়কে নিয়ে নিউ টাউন থানার উদ্দেশ্যে রওনা দেয় পুলিশ। নিউ টাউন থানার লক আপে দুজনের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। সেখানে রাখা হয়েছে সুদীপ্ত সেন এবং অরবিন্দ সিং চৌহানকে। প্রশ্ন উঠছে কেন তারপরেও নিউ টাউন থানায় নিয়ে আসা হল দেবযানীকে।
নিউ টাউনে আনার পরই বা পুলিশ কেন দেবযানীকে সোনারপুর থানায় নিয়ে যাওযার কথা জানায় তাও স্পষ্ট নয়। তারপরেই তাকে নিয়ে যাওয়া হয় থানার অনতিদূরে জিরলগাছা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ দেন চিকিৎসক। এরপর দেবযানীকে নিয়ে আসা হয় এসএসকেএমে। সেখানে তাকে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকেরা।
যদিও চাপে পড়ে শেষ পর্যন্ত এবার আর বেসরকারি নার্সিংহোমে নয়, ভর্তি করা হলো সরকারি হাসপাতালে। কিন্তু এই ঘটনাতেও বেশকিছু রহস্য তৈরি হয়েছে। আর যে রহস্য পুলিশের ভূমিকা নিয়েই। কেন আদালত থেকে দেবযানীকে নিউটাউন থানায় নিয়ে আসা হয়েছিল। কেন তাকে ফের সোনারপুর থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলেন পুলিশকর্তারা। কেনই বা তাকে হঠাৎ চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো এবং শেষ পর্যন্ত ভর্তি করা হলো এসএসকেএম হাসপাতালে। সূত্র: ওয়েবসাইট।
ঢাকা: প্রধান দুই দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) একাংশের সভাপতি রুহুল আমিন গাজী বলেছেন, “দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি ও চ্যানেল ওয়ান খুলে না দেয়া পর্যন্ত কোনো সংলাপ হতে পারে না। সাংবাদিকদের আটকে রেখে কোনো সংলাপ হতে পারে না। মিডিয়ার তালা খুলে ও সাংবাদিকদের মুক্তি দিয়ে তারপর সংলাপে বসুন।”
বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাব প্রাঙ্গণে দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টিভি, ইসলামি টিভি ও চ্যানেল ওয়ান বন্ধের প্রতিবাদে বিএফউজে ও ডিইউজের একাংশ আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন ডিইউজের একাংশের সভাপতি আব্দুস শহিদ, প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, বিএফইউজের সিনিয়র সহ-সভাপতি নুরুল আমিন রোকন, দৈনিক আমার দেশের বার্তা সম্পাদক জাহিদ চৌধুরী, কবি আব্দুল হাই শিকদার, ডিইউজের সহ-সভাপতি খায়রুল বাশার, ফটো জার্নলিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি একেএম মহসিন, ডিইউজের কোষাধ্যক্ষ জহিরুল হক রানা, দৈনিক আমার দেশের ইউনিট প্রধান বাসির জামাল, দৈনিক সংগ্রামের ইউনিট প্রধান শহিদুল ইসলাম ও বিএফইউজের সদস্য কামার ফরিদ প্রমুখ।
গাজী বলেন, “আগে মিডিয়া খুলে দিন, মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দিন। তারপর সংলাপ করুন। নির্বাচন করুন। তার আগে কোনো সংলাপ হতে পারে না। সাংবাদিকরা মুক্তিযুদ্ধ করেছে, স্বৈরাচার হটিয়েছে। তাদের আটকে রেখে সংলাপ হতে পারে না।”
তিনি বলেন, “যদি সাংবাদিকদের এত স্বাধীনতা থাকতো তাহলে আজ সাংবাদিকদের কেন এখানে প্রতিবাদ সমাবেশ করতে হয়। এ সরকার দেশের মানুষের বাক স্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে।”
গাজী বলেন, “আমরা আন্দোলন করি পেশাদারিত্বের কারণে। আমরা কিছু হওয়ার জন্য আন্দোলন করি না। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতির বা কারো জমি দখলের মামলা নেই। সত্য কথা বলার অপরাধে তার নামে মামলা হয়েছে। আমার গত ৪০ বছরের পেশাজীবনে আমি মাহমুদুর রহমানের মতো নির্ভীক সাংবাদিক দেখিনি।”
তিনি বলেন, “সরকার হেফাজতের কত লোক মেরেছে কোনো মিডিয়াতো তা লেখেনি। নির্যাতন, নিষ্পেষণ থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য দেশের ১৬ কোটি মানুষ রুখে দাঁড়াবে। একবার রুখে দাঁড়ালে তারা আর ফিরে যাবে না। স্বৈরাচারের পতন ঘটাবেই।”
গাজী বলেন, “আমরা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারে বিশ্বাস করি। আমরা মনে করি সরকারের শুভ বুদ্ধির বোধ হবে। তারা মিডিয়াগুলো খুলে দেবে মাহমুদুর রহমানকে মুক্তি দেবে।”
তিনি আরো বলেন, “আদালত নিরপেক্ষ নয়। দলীয় নিয়োগের প্রতি তাদের গভীর আনুগত্য। বিচারের নামে আদালত নাটক সাজালে, প্রহসন করা হলে কোনো না কোনো সময় অন্য আদালত আপনাকে কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। মানুষ ন্যায় বিচার না পেলে রুখে দাঁড়াবে এটা আদালতকে বুঝতে হবে।”
আব্দুস শহিদ বলেন, “তথ্যমন্ত্রী সম্প্রতি বলেছেন, আমার দেশ বন্ধ করায় নাকি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ক্ষুণœ হয়নি। তথ্যমন্ত্রীর কাছে আমি জানতে চাই, সংবাদপত্র বন্ধ করলে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ক্ষুণœ না হলে হয় কীসে?”
বিবৃতিদাতা ১৫ সম্পাদককে অভিন্দন জানিয়ে কাদের গণি চৌধুরী বলেন, “দেশের ১৫ শ্রেষ্ঠ সম্পাদকের বিবৃতির পর, একমাস টানা সাংবাদিকদের প্রতিবাদের পরও গণমাধ্যমের প্রতি বিন্দুমাত্র শ্রদ্ধা থাকলে তথ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করতেন। কিন্তু নির্লজ্জ তথ্যমন্ত্রী এখনো গণমাধ্যম বিরোধী বক্তব্য দিচ্ছেন।”
ইলিয়াস খান বলেন, “বাংলাদেশ এখন কঠিন দুঃসময় পার করছে। এখানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে মানুষ হত্যা করা হলে কথা নেই। কিন্তু গাছ কাটা হলে আওয়ামী বুদ্ধিজীবীদের আর দুঃখের শেষ নেই। দুই মাস পুলিশি পাহারায় শাহবাগে আন্দোলন চালানো হলেও তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের কথা থাকে না। কিন্তু আমরা প্রেস ক্লাবের সামনে প্রতিবাদ করতে নামলে তাদের মুখে ঝড় উঠে।”
কবি আব্দুল হাই শিকদার বলেন, “এ সরকারের সময়ে সবকিছু বন্ধ, সভা সমাবেশ বন্ধ, কথা বলাও বন্ধ। কী বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে আমরা রয়েছি? দেশের সবচেয়ে শ্রদ্ধাভাজন সম্পাদকদের বিবৃতিকে তথ্যমন্ত্রী বলছেন, এগুলোর দরকার ছিল না।”
মুম্বাই: আপকামিং ‘রামাইয়া বাস্তবিয়’ ছবির প্রচারে এতটাই ব্যস্ত যে প্রেম করার সময় পাচ্ছেন না শ্রুতি হাসান।
প্রেমহীন জীবন ছিপছিপে গড়নের লাবন্যময়ী শ্রুতির। অবশ্য এ নিয়ে তার অভিযোগও নেই। কাজই তার সবকিছু। এমনটাই জানান শ্রুতি।
দক্ষিণ ভারতের প্রখ্যাত অভিনেতা কমল হাসানের মেয়ে শ্রুতি এরই মধ্যে নিখিল আদভানি পরিচালিত ‘ডি-ডে’ ছবিতে যৌনকর্মীর চরিত্রে অভিনয় করে সুনাম কামিয়েছেন। এর আগে কেবল ‘গুড গার্ল’ ইমেজের চরিত্রেই দেখা গেছে এই মায়াবী চেহারা আর ‘টিএনএজ লুক’এ দেখা গেছে এ তারকাকে। দক্ষিণী ছবিতে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন শ্রুতি, বছর দুয়েক পর আবারো ফিরে এলেন বলিউডি ‘রামাইয়া বাস্তবিয়’ ছবিতে। ব্যস্ততার প্রভাব পড়েছে শ্রুতি প্রেমেও। সূত্র:টাইমস অফ ইন্ডিয়া
ঢাকা: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশনের (বিআইডব্লিউটিসি) জন্য ভেসেল ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু করেছে মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন।
বুধবার গ্রমীণফোনের প্রধান কার্যালয়ে প্রযুক্তিনির্ভর এই বিশেষায়িত সেবার উদ্বোধন করেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খান।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান মজিবর রহমান, গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার অ্যালান বনকে, চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মাহমুদ হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নতুন এই সেবা সম্পর্কে গ্রামীণফোনের চিফ মার্কেটিং অফিসার অ্যালান বনকে জানান, এই ট্র্যাকিং ব্যবস্থা কেবল বিআইডব্লিউটিসির কার্যদক্ষতা বৃদ্ধির সহায়ক হিসেবে কাজ করবে না, প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো সংকটময় মুহূর্ত মোকাবিলা করতে সাহায্য করবে।
প্রসঙ্গত, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে বিআইডব্লিউটিসি তাদের ফেরি, স্টিমার ও টাগেরর মতো জলযানের অবস্থান জানতে পারবে।
কলম্বিয়া: হাঁপানির উপসর্গ রোধে আদা বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারে। আদার মধ্যে যে প্রাকৃতিক উপাদান ব্রনকাডিয়েটিং রয়েছে হাঁপানি রোগীদের স্বাভাবিক শ্বাস নিতে তা সাহায্য করে। কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের এক সমীক্ষায় এমনটাই প্রকাশ করা হয়েছে।
গবেষণায় বলা হয়, ব্রনকাডিয়েটিং মেডিটেশনের বিটা অ্যাগোনিস্ট একটি সাধারণ হাঁপানির ওষুধ, যা ধীরে ধীরে শরীরে কাজ করে এয়ারওয়ে স্মুথ মাসল (এএসএম) টিস্যুকে স্বাভাবিক রেখে শ্বাস নিতে দেহকে সাহায্য করে। শ্বাসনালীর মাধ্যমে ফুসফুসের ভেতর বাতাস প্রবাহিত হয়। আর শ্বাসনালীতে বাতাস প্রবাহে বাধা পেলে হাঁপানি রোগের সৃষ্টি হয়। আদার মধ্যে যে প্রাকৃতিক উপাদান রয়েছে তা হাঁপানি রোগীদের ওষুধ হিসেবে কার্যকর ভূমিকা রাখে। একজন শ্বাসকষ্টের রোগী আদা খেয়ে কীভাবে স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে পারে এই গবেষণায় সেটাই দেখা হয়েছে।
কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের পরিচালক ও প্রধান গবেষক এলিজাভেদ টাউনসেন্ড বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে হাঁপানি রোগ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু হাঁপানির কারণ উদ্ভাবন সত্ত্বেও কেন এ রোগের ব্যাপক বিকাশ ঘটছে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। তাই ৪০ বছর ধরে হাঁপানি রোগ নিয়ে ব্যাপক গবেষণা হচ্ছে এবং হাঁপানির উপসর্গ লক্ষ করে নতুন নতুন চিকিত্সা দেয়া হচ্ছে এতে আক্রান্তদের। এ সময় দেখা যায়, আদা বা আদা দিয়ে তৈরি ওষুধ হাঁপানি রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। সূত্র: জিনিউজ।
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী৷ তাঁর ১৫০তম জন্মদিন ১২ মে ৷
বাংলা শিশুসাহিত্যে উপেন্দ্রকিশোরের অসামান্য অবদানের কথা সবার জানা থাকলেও, তাঁর ছবি আঁকা, ফোটোগ্রাফি চর্চা, বা প্রসেস শিল্পে হাফটোন ব্লক তৈরির ক্ষেত্রে অসামান্য মৌলিক গবেষণার কথা নিয়ে আলোচনা হয়েছে খুবই কম৷ এদেশে যখন ছবি ছাপার ক্ষেত্রে কাঠখোদাই ও ধাতুখোদাই-এর প্রযুক্তিই শেষ কথা, তখন উপেন্দ্রকিশোর একাই এই জগতে সূচনা করেছিলেন সম্পূর্ণ নতুন একটি যুগের৷
ইলাস্ট্রেশনের কাজে হাত দেওয়ার অনেক আগে থেকেই তেল ও জলরঙে ছবি আঁকতেন তিনি৷ স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও শিলাইদহের কুঠিবাড়ির জন্য উপেন্দ্রকিশোরের আঁকা ছবি সংগ্রহ করেছিলেন৷ পুরোপুরি ইওরোপীয় টেকনিকেই ছবি আঁকতেন উপেন্দ্রকিশোর৷ সত্যজিতের ভাষায়, 'খাস বিলিতি কায়দায় তেল রং, জল রং, কালি কলমে ছবি এঁকেছেন৷' ল্যান্ডস্কেপ থেকে শুরু করে পৌরাণিক ঘটনা ও প্রাচীন ইতিকথার চরিত্র, এই সব কিছুই ছিল তাঁর ছবির বিষয়৷ যদিও কোনও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রথাগত ভাবে ছবি আঁকা শেখেননি তিনি, কিন্ত্ত আশ্চর্যের ব্যাপার তা বোঝার কোনওরকম উপায়ই নেই৷ নিজের চেষ্টায় এতটাই নিখুঁত ভাবে তিনি শিখে নিয়েছিলেন ড্রয়িং, অ্যানাটমি এবং ছবি আঁকার প্রকরণগত অন্যান্য ক্রিয়াকৌশল৷
উপেন্দ্রকিশোরের পেন্টিংগুলো কোথায় কী ভাবে আছে বা আদৌ আছে কি না সেটা বলা কঠিন, কিন্ত্ত তাঁর অমর শিশুসাহিত্যের সঙ্গে সঙ্গে চিরদিনের জন্য থেকে গিয়েছে তাঁর অসামান্য কিছু ইলাস্ট্রেশন, যা গোটা বাঙালি জাতি কোনও দিনও ভুলতে পারবে না৷
গ্রন্থচিত্রণের কাজ তিনি শুরু করেছিলেন নিজের লেখাকে কেন্দ্র করেই৷ তাঁর লেখা 'সেকালের কথা', 'ছেলেদের রামায়ণ', 'ছেলেদের মহাভারত', 'টুনটুনির বই', 'ছোট্ট রামায়ণ'-এর ছবি ছাড়াও এঁকেছেন রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত 'সচিত্র সন্তকাণ্ড রামায়ণ', সীতা দেবী ও শান্তা দেবীর 'হিন্দুস্তানী উপকথা', সীতা দেবীর 'নিরেট গুরুর কাহিনী' ও রবীন্দ্রনাথের 'নদী' কবিতার ছবি৷ এ ছাড়াও রয়েছে ১৯১৩-তে তাঁরই সম্পাদনা ও প্রকাশনায় ছোটদের বিখ্যাত মাসিকপত্র 'সন্দেশ'-এর জন্য আঁকা অজস্র ইলাস্ট্রেশন৷
এই 'সন্দেশ' পত্রিকাটি থেকেই খুঁজে পাওয়া যায় উপেন্দ্রকিশোরের প্রতিভার সম্পূর্ণ পরিচয়৷ সম্পাদনা করা ছাড়াও, প্রচ্ছদ ও অন্যান্য ছবি আঁকা থেকে শুরু করে কবিতা, গল্প, পুরাণের কথা, বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ, ধাঁধা ও হেঁয়ালি রচনা, ব্লক মেকিং ও প্রিন্টিং সবই হত তাঁর হাত দিয়ে৷ 'সন্দেশ'-এর আগে ছোটদের জন্য যে সব পত্রিকা বেরিয়েছে সেগুলোর ছবি অথবা ছাপা কোনওটাই ততটা চিত্তাকর্ষক ছিল না৷ এ দেশে 'সন্দেশ'-ই প্রথম ছোটদের কাগজ, যেখানে রঙিন ছবি ছাপা হয়৷
ইউরোপীয় কেতায় ছবি আঁকলেও উপেন্দ্রকিশোরের ইলাস্ট্রেশনে যে আশ্চর্য বাঙালিয়ানার পরিচয় পাওয়া যায় তা তাঁর আগে অন্য কোনও গ্রন্থচিত্রীর কাজে দেখা যায়নি৷ এ ছাড়া তাঁর আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি ও অপূর্ব রসবোধ যে তাঁর কাজগুলোকে সময়ের থেকে আরও অনেক এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই৷ এ প্রসঙ্গে সত্যজিৎ লিখেছেন, 'ইলাস্ট্রেটর হিসেবে উপেন্দ্রকিশোরের কাজে যে দক্ষতা ও রীতিবৈচিত্র্য দেখা যায় তার তুলনা ভারতবর্ষে নেই৷... পৌরাণিক গল্পের ছবিতে হাস্যরসের তেমন সুযোগ নেই৷ কিন্ত্ত সেখানেও --- হয়তো শিশুদের কথা চিন্তা করেই --- দৈত্য দানব রাক্ষস পিশাচের চেহারা আঁকতে উপেন্দ্রকিশোর ভয়ঙ্কর রসের সঙ্গে হাস্যরস মেশাতে দ্বিধা করেননি৷' তাঁর নিজের ও অন্যান্যদের বইয়ের সঙ্গে সব মিলিয়ে অন্তত শ'খানেকের মতো হাফটোন ছবি এঁকেছিলেন তিনি৷ যার মধ্যে বেশ কিছু রঙিন ছবিও ছিল৷ ইদানীং পুনর্মুদ্রণের সময় উপেন্দ্রকিশোরের লাইন ড্রয়িংগুলো ছাপা হলেও হাফটোন ছবিগুলোর অধিকাংশই আর ছাপা হয় না৷ এটা অত্যন্ত দুঃখের৷ উপেন্দ্রকিশোরের রচনার এতগুলো সংস্করণের মধ্যে অন্তত একটি মূলানুগত সংস্করণ অবশ্যই থাকা উচিত৷
১৮৯৫ সাল নাগাদ বিদেশ থেকে প্রসেস ক্যামেরা ও অন্যান্য আধুনিক যন্ত্রপাতি নিয়ে এসে হাতে কলমে কাজ শুরু করেন উপেন্দ্রকিশোর৷ ফোটোগ্রাফি ও হাফটোন ছবি ছাপার করণকৌশল নিয়ে গবেষণা শুরু করেছিলেন তারও অন্তত দশ বছর আগে থেকে৷ হাফটোন নিয়ে উপেন্দ্রকিশোরের গবেষণা মূলত প্রসেস ক্যামেরাকে কেন্দ্র করেই৷ নেগেটিভের মানকে কী ভাবে আরও উন্নত করা যায় তা নিয়ে কত রকমের পরীক্ষা-নিরীক্ষা যে করে গিয়েছেন তার কোনও শেষ নেই৷ এই নিরন্তর গবেষণার ফল হিসেবে দেখা যায় বিলেতের বিখ্যাত প্রিন্টিং-এর পত্রিকা 'পেনরোজ অ্যানুয়াল'-এ একটির পর একটি তাঁর লেখা প্রবন্ধ৷ মোট ন'খানা প্রবন্ধ লিখেছিলেন উপেন্দ্রকিশোর পেনরোজ অ্যানুয়েলে, যেগুলো একে একে প্রকাশ হতে শুরু করা মাত্রই তখনকার বিলেতের ছাপাখানার জগতে হইচই পড়ে গিয়েছিল৷ উপেন্দ্রকিশোরের এই মৌলিক গবেষণা ও আবিষ্কারকে অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে স্বীকার করে নিয়েছিলেন পেনরোজ কর্তৃপক্ষ৷ এমনকী তাঁর পদ্ধতি অবলম্বন করে লন্ডনে ছাপার কাজও শুরু হয়ে যায়, যা সুকুমার রায় বিলেতে গিয়ে নিজের চোখেই দেখে এসেছেন৷
ভাবতে অবাক লাগে অত বছর আগে একজন বত্রিশ বছর বয়সী বাঙালি যুবক ছোট একটা ভাড়া বাড়িতে বসে, সামান্য কিছু উপকরণ নিয়ে শুধু নিজের অসামান্য প্রতিভার জোরে কতদূর এগিয়ে যেতে পারেন৷
নিজের লেখা বই বা অন্যান্য যাঁদের বইতে উপেন্দ্রকিশোর ছবি এঁকেছেন, সেগুলো ছাপা যেখানেই হোক না কেন, ছবিগুলোর ব্লক করেছেন তিনি নিজেই৷ একমাত্র যোগীন্দ্রনাথ সরকারের সিটি বুক সোসাইটি থেকে প্রকাশিত 'ছেলেদের রামায়ণ'-এর প্রথম সংস্করণটি ছাড়া৷ উপেন্দ্রকিশোরের এই বইটিতে তাঁর নিজের আঁকা ছবির ব্লক খুবই খারাপ হয়েছিল৷ পরবর্তী সংস্করণে অবশ্য তিনি নিজে আবার নতুন ভাবে ব্লক করেন৷ প্রথম দিকে 'সখা ও সাথী', 'মুকুল', 'প্রদীপ'--- এই সব পত্রিকার জন্য বহু ছবির ব্লক তৈরি করেন উপেন্দ্রকিশোর৷ এ ছাড়াও বিশেষ ভাবে এসে পড়ে প্রবাসী পত্রিকার কথা৷ এখানেই উপেন্দ্রকিশোর প্রথম ডুয়োটাইপ পদ্ধতিতে ছবি ছাপা শুরু করেন৷ এক রঙের হাফটোন ছবিকে দু'টো ব্লকের সাহায্যে এ ভাবে ছাপার পদ্ধতি এ দেশে প্রথম চালু করেন উপেন্দ্রকিশোরই৷
হাফটোন ব্লকের উৎকর্ষ যে কী পর্যায়ে যেতে পারে, তার একটি অসামান্য উদাহরণ রবীন্দ্রনাথের 'জীবনস্মৃতি'-র প্রথম সংস্করণ৷ এই বইতে গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের আঁকা চব্বিশটি ছবির হাফটোন ব্লক তৈরি করেছিলেন উপেন্দ্রকিশোর৷ আজকের মুদ্রণ শিল্পের এই আকাশছোঁয়া উন্নতির যুগেও ওই মানের কাজ কল্পনা করা যায় না৷
১৯১০ -এ উপেন্দ্রকিশোর তাঁর প্রতিষ্ঠান U Ray Artist-এর নাম বদলিয়ে রাখলেন U Ray & Sons৷ যা আজ বাংলা মুদ্রণ ও প্রকাশনার গৌরবময় ইতিহাসেরই অন্য আর একটি নাম৷ এর পর মাত্র পাঁচ বছর বেঁচেছিলেন তিনি৷ মাত্র বাহান্ন বছরের একটি জীবনে সৃজনশীলতার এই বহুমুখী প্রকাশের কথা ভাবলে আজও আমাদের বিস্মিত হওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় থাকে না৷
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি জুক জেরেমিককে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচন সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে। আপনি কি তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত?