মন্দিরে নওয়াজ শরিফ! | international | natunbarta.com | Top Online Newspaper in Bangladesh
বৃহস্পতিবার, ৩০ মার্চ ২০১৭
webmail
Thu, 12 Jan, 2017 03:28:32 PM
নতুন বার্তা ডেস্ক

পাকিস্তান: সতীর মৃত্যুর পরে শিবের তাণ্ডবের কথা প্রায় সকলেরই জানা। কিন্তু রুদ্ররূপের পরে পত্নী বিরহে যে অশ্রু বিসর্জন তিনি করেছিলেন, তাতে ভারত ও পাকিস্তানের দু’জায়গায় দুটি জলাশয় তৈরি হয়। প্রতিবেশী এই দুই দেশে যতই মতবিরোধ-ঝামেলা থাকুক না কেন, এই একটি ঘটনা অস্বীকার করার কথা বোধহয় কেউই ভাববেন না।



কথিত, ভারতের অজমেঢ়ের পুষ্কর হ্রদ ও পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের কাটাস হ্রদ— এই দুই হ্রদই তৈরি হয়েছিল মহাদেবের অশ্রুজলে। খ্রিস্টপূর্ব ৬১৫ থেকে ৯৫০ সালের মধ্যে হিন্দু রাজবংশ ‘শাহি’-রা এই অঞ্চলে রাজত্ব করত বলে জানা গেছে। সেখানেই রয়েছে কাটাস রাজ শিব মন্দির।

৯০০ বছরের এই ঐতিহাসিক শিব মন্দিরেই, বুধবার ঘটে গেল আরো এক ঐতিহাসিক ঘটনা। বুধবার, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ, এই মন্দির সংস্কার ও সংরক্ষণের কাজ শুরু করাতে হাজির ছিলেন সেখানে। দুই রাষ্ট্রের মধ্যে যখন সম্পর্কের ক্রমশ অবনতি ঘটছে, সেই সময়ে এমন ঘটনা অল্প হলেও স্বস্তি এনেছে পাকিস্তানের হিন্দু সংখ্যালঘুদের মনে। অনুষ্ঠানে শরিফ বেশ কিছু কথা বলেন, যা সেই সব মানুষদের বিরুদ্ধে যাঁরা ইসলামের অপপ্রচার করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শিখ, হিন্দু ও খ্রিস্ট ধর্মের উচ্চপদস্থ নেতারাও।

‘আমার মতে, হিন্দু-মুসলিম-শিখ-ক্রিশ্চান— আমরা সকলেই সমান’, বলেন নওয়াজ শরিফ। তিনি আরো বলেন, ইসলাম প্রচার করার জন্য তার ‘অদ্ভুত তর্জমা’ করা আইনত ঠিক নয়। এমন প্রচার করা, বা তা শোনা একেবারেই ঠিক নয়।

প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফের এ হেন পদক্ষেপ দু’ভাবে বিশ্লেষণ করেছেন পাকিস্তানের কর্মকর্তারা—

এক, ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনকে লক্ষ্য করেই তার এই কাজে হাত দেয়া। যাতে দেশের সংখ্যালঘু হিন্দু ভোটগুলি তার দিকেই থাকে।

দুই, আন্তর্জাতিক স্তরেও যাতে পাকিস্তানের নাম থেকে ‘মুসলিম গোঁড়ামি’-র তকমা কেটে যায়, এটি তারও একটি প্রচেষ্টা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নতুন বার্তা/ওএফএস
 


Print
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ


শিরোনাম
Top