মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮
Sun, 25 Feb, 2018 12:09:39 AM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম

ঢাকা: জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির দায়ে সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের ওপর রোববার শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিম সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রোববারের দৈনন্দিন কার্যতালিকার ৩৬ নম্বরে বিষয়টি রাখা রয়েছে বলে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা গেছে।

আবেদনে এ মামলায় আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জামিন চাওয়া হয়েছে। দুদকের মামলা শুনানির জন্য হাইকোর্টের সংশ্নিষ্ট বেঞ্চে প্রতি বুধ ও বৃহস্পতিবার দিন ধার্য থাকলেও গত বৃহস্পতিবার এ আদালতের বিচারক রোববার দুপুর ২টায় শুনানির দিন ধার্য করেন।

এর আগে ওইদিন হাইকোর্টের এ বেঞ্চে খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন উপস্থাপন করা হলে আদালত আপিল শুনানির জন্য আবেদন গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে নিম্ন আদালতে দেওয়া খালেদা জিয়ার অর্থদণ্ড স্থগিত করেন।

এ ছাড়া বিচারিক আদালতে দেওয়া মামলার যাবতীয় নথি তলব করেন আদালত। আদেশের কপি হাতে পাওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে এ কপি হাইকোর্টে দাখিল করতে বলা হয়।

জামিন আবেদনে যা আছে: গত ৩০ বছর তার পায়ে গেটে বাত। ডায়াবেটিস ২০ বছর ধরে। ১০ বছর ধরে ভুগছেন উচ্চ রক্তচাপ আর আয়রন স্বল্পতায়। আছে দুই হাঁটু প্রতিস্থাপনের কারণে হওয়া প্রচ যন্ত্রণাও। হাইকোর্টে দাখিল করা জামিন আবেদনে এমন নানা শারীরিক জটিলতার কথা উল্লেখ করেছেন খালেদা জিয়া।

জামিন আবেদনে আরও বলা হয়, তার বয়স ৭৩ বছর। তিনি শারীরিক বিভিন্ন জটিলতায় ভুগছেন।

১৯৯৭ সালে তার বাঁ হাঁটু এবং ২০০২ সালে ডান হাঁটু প্রতিস্থাপন করা হয়েছে উল্লেখ করে আবেদনে আরও বলা হয়, হাঁটু প্রতিস্থাপনের কারণে তার গিঁটে ব্যথা হয়, যা প্রচণ্ড যন্ত্রণাদায়ক। এমনকি হাঁটাহাঁটি না করতেও চিকিৎসকের পরামর্শ রয়েছে। এসব শারীরিক জটিলতার কারণ বিবেচনায় তার জামিন মঞ্জুরের আরজি জানানো হয়।

উপমহাদেশ ও দেশের উচ্চ আদালতের দীর্ঘ ঐতিহ্যের কথা আবেদনে উল্লেখ করে বলা হয়, যখন আসামি একজন নারী হয়, তখন তার অনুকূলে জামিন বিবেচনা করা হয়ে থাকে। সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আবেদনকারীর জামিন আবেদন মঞ্জুর করা হোক। আর জামিন আবেদনকারী বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী এবং রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপারসন। তা ছাড়া যে মামলায় তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক।

নতুন বার্তা/এমআর


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top