রোববার, ২৭ মে ২০১৮
Sun, 10 Jan, 2016 06:25:05 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম

ঢাকা: তৈরি পোশাক শিল্পের আধুনিকায়ন এবং উন্নয়নে আগামী বুধবার রাজধানীতে শুরু হচ্ছে তৈরি পোশাক শিল্পের তিনটি আর্ন্তজাতিক প্রর্দশনী। ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় চার দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীগুলোর উদ্বোধন করবেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

‘গার্মেন্টেক বাংলাদেশ ২০১৬’; ‘ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক র্সোসিং ফেয়ার’ এবং ‘গ্যাপেক্সপো’ শীর্ষক তিনটি প্রদর্শনীতে ৩০টি দেশের ৩০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশগ্রহণ করবে।  

জাকারিয়া ট্রেড আ্যান্ড ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল, এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেড এবং বাংলাদেশ গার্মেন্ট অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েসন (বিজিএপিএমইএ) সম্মিলিতভাবে প্রদর্শনীগুলোর আয়োজন করবে বলে রোববার এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে আয়োজকরা জানান পোশাক শিল্পের মেশিনারি এবং এর সহায়ক পণ্যের ১৫তম আর্ন্তজাতিক প্রদর্শনী ‘গার্মেন্টেক বাংলাদেশ ২০১৬’; সপ্তম ‘ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিক র্সোসিং ফেয়ার’ এবং সপ্তম ‘গ্যাপেক্সপো’ শীর্ষক তিনটি প্রদর্শনী একই ছাদের নীচে অনুষ্ঠিত হবে, যা চলবে  আগামী ১৩ থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত।
 
আয়োজক প্রতিষ্ঠান জাকারিয়া ট্রেড আ্যান্ড ফেয়ার ইন্টারন্যাশনাল’এর প্রধান নির্বাহী টিপু সুলতান ভূঁইয়া বলেন, “গত বছরের সফল প্রদর্শনীর পর তৈরি পোশাক খাত ২০২০ সালের মধ্যে ৫০ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। ‘গার্মেন্টেক বাংলাদেশ ২০১৬’ এর ১৫তম আসরে তৈরি পোশাক শিল্পের আধুনিকায়ন, মানোন্নয়ন এবং মূল্যমান বৃদ্ধির প্রযুক্তিগত দিক-নির্দেশনা থাকবে।”

এএসকে ট্রেড অ্যান্ড এক্সিবিশন প্রাইভেট লিমিটেডের পরিচালক নন্দ গোপাল কে বলেন, “চারদিনব্যাপী এ প্রদর্শনীগুলো একই ছাদের নীচে অনুষ্ঠিত হওয়ায় টেক্সটাইল এবং তৈরি পোশাক খাত সংশ্লিষ্টদের জন্য অভিজ্ঞতা অর্জনের অসাধারণ এক সুযোগে পরিণত হতে যাচ্ছে যা শীর্ষস্থানীয় আন্তজার্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে ইতোমধ্যে ব্যাপক প্রসংশা কুড়িয়েছে।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয় প্রদর্শর্নীতে পোশাক তৈরির সর্বাধুনিক আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিসমূহ তুলে ধরা হবে। এসব প্রযুক্তি দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের  প্রধান চ্যালেঞ্জ  উৎপাদন, মান, কমপ্লায়েন্স এবং মূল্য সংযোজন বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

বাংলাদেশ বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকদের মধ্যে অন্যতম এবং এই শিল্পের নিরাপত্তা এবং কমপ্লায়েন্স নিয়ে প্রত্যাশা দিন দিন বাড়ছে। তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারকরা মানসম্মত গার্মেন্ট পণ্য উৎপাদনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ কারনেই সর্বাধুনিক প্রযুক্তির উৎস তুলে ধরা এবং সেগুলোর কার্যক্রম প্রদর্শণের জন্য ‘গার্মেন্টেক বাংলাদেশ ২০১৬’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

‘গার্মেন্টেক বাংলাদেশ ২০১৬’ জাপান, কোরিয়া, তাইওয়ান, চীন, ভারত, তুরষ্ক, হংকং, সিঙ্গাপুর, জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের শীর্ষস্থাণীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সর্বাধুনিক স্যুয়িং, নিটিং, এমব্রয়ডারি, লন্ড্রি, ফিনিশিং, ডায়িং, ক্যাড/ক্যাম, প্রিন্টিং কাটিং, স্প্রেডিং মেশিনারি তুলে ধরবে। প্রদর্শনীতে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু মেশিনারি চালু করা হবে। দেশের পোশাক শিল্পের নীতি-নির্ধারক এবং সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের কাছে এ ধরনের প্রদর্শনী বরাবরই আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল।

সপ্তমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য ‘ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার্ন অ্যান্ড ফেব্রিকস সোর্সিং ফেয়ার’এ বাংলাদেশের পাশাপাশি ভারত, চীন এবং সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন কোম্পানি প্রাকৃতিক ও কৃত্রিম সুতা এবং ওভেন ও নিট শিল্পের জন্য উভয়ের মিশ্রনের সর্বাধুনিক সংগ্রহ তুলে ধরবে। প্রদর্শনীতে আগত দর্শনার্থীদের সামনে গার্মেন্টস শিল্পের জন্য প্রাকৃতিক এবং কৃত্রিম ফেব্রিকের  নতুন এবং উদ্ভাবনীমূলক মিশ্রণ উপস্থাপন করা হবে।

বাংলাদেশ র্গামেন্ট অ্যাকসেসরিজ অ্যান্ড প্যাকেজিং ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েসন (বিজিএপিএমইএ) এর সহযোগিতায় ‘গ্যাপেক্সপো-২০১৬’ এর সপ্তম আসরে থাকবে বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর গার্মেন্ট অ্যাকসেসরিজ এবং মোড়কসহ সংশ্লিষ্ট পণ্যের বিস্তৃত সংগ্রহ।

প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ গার্মেন্ট অ্যাকসেসরিজ, মোড়কীকরণ এবং লেবেল, জিপার, ট্যাগ, ট্যাপ, থ্রেড, রিবন, বাটন, রিভেট, লেইস, হুক, ট্রান্সফার ফিল্ম, পেপার, ইন্ক ইত্যাদিসহ সংশ্লিষ্ট মেশিনারি তুলে ধরবে।

নতুন বার্তা/এসএ
 


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top