শনিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭
webmail
Mon, 17 Jul, 2017 06:17:30 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তাডটকম
ঢাকা:ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেড(এমবিএল)-এর ১৭তম বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আজ র‌্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এমবিএল শীর্ষস্থানীয় এফএমসিজি ও এমএনসি কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি। বর্তমানে বাংলাদেশে রুপচর্চা, বিউটি ও ওয়েলনেস পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে এমবিএল অন্যতম বিশ্বস্ত নাম।
 
ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সৌগত গুপ্ত সভাপতিত্ব করেন। সভায় ম্যারিকো বাংলাদেশের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ‘নবীন পান্ডে’, পরিচালনা পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে সঞ্জয় মিশ্রা, মঃ বিবেক কারভি ও স্বতন্ত্র পরিচালক মীজ রোকেয়া আফজাল রহমান, জনাব মাসুদ খান ও আশরাফুল হাদিসহ কোম্পানির ঊর্দ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
 
এজিএম থেকে কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৫ টাকা করে) অনুমোদন করা হয়েছে। এর আগে কোম্পানির বিগত অর্থবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য অন্তর্বর্তীকালিন ৪৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ (প্রতিটি শেয়ারের বিপরীতে ৪৫ টাকা) ঘোষণা ও বিতরণ করা হয়েছে। ফলে চলতি ২০১৭ সালের ৩১ মার্চে সমাপ্ত অর্থবছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের অনুমোদিত মোট লভ্যাংশের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫০০ শতাংশ (প্রতি শেয়ারে ৫০০ টাকা)।
 
সভায় বক্তব্য প্রদানকালে ম্যারিকো বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সৌগত গুপ্ত কোম্পানির কার্যক্রমের সফলতা তুলে ধরে বলেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যতদিন আমরা বৃদ্ধির পাশাপাশি নির্মাণের দক্ষতার উপর নজর রাখি, ফলাফলগুলি অনুসরণ করবে। টেকসই মুনাফা অর্জনের জন্য সঠিক কাঠামো এবং ব্র্যান্ড স্থাপত্য নিশ্চিত করা অপরিহার্য এবং আমরা তা অর্জনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।” তিনি আরো জানান, আলোচ্য অর্থবছরে ম্যারিকো বাংলাদেশ কর-পরবর্তী নিট মুনাফা অর্জন করেছে ১৪৪ কোটি টাকা। আর মোট আয় হয়েছিল ৬৯২ কোটি টাকা। আলোচ্য বছরে ম্যারিকো বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি আয় বা ইপিএসের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৫.৭২ টাকা।
 
ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের বার্ষিক সাধারণ সভায় কোম্পানির বিপুলসংখ্যক শেয়ারহোল্ডার উপস্থিত ছিলেন। সভায় কোম্পানির পক্ষ থেকে উপস্থাপিত সবগুলো এজেন্ডা সর্বসম্মতিক্রমে অনুমোদিত হয়। এজিএমে অনুমোদিত উল্লেখযোগ্য এজেন্ডাগুলো ছিল- কোম্পানির পরিচালকমন্ডলীর প্রতিবেদন ও অডিটর রিপোর্ট বা নিরীক্ষা প্রতিবেদন অনুমোদন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের অডিটেড ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্ট বা নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুমোদন, নির্বাচন/পুনঃনির্বাচন এবং স্বতন্ত্র অডিটর বা নিরীক্ষক নিয়োগ অনুমোদন। ২০০৯ সনে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর এটি হলো ম্যারিকো বাংলাদেশ লিমিটেডের ৮ম এজিএম।
 
সভায় জানানো হয়, বিগত অর্থবছরে ম্যারিকো বাংলাদেশ কর, মূল্য সংযোজন কর(মূসক বা ভ্যাট)ও ডিউটি বা শুল্ক বাবদ সরকারের কোষাগারে মোট ১৯৫ কোটি টাকা জমা দিয়েছে। আলোচ্য বছরে ঢাকা আহসানিয়া মিশনের (ডিএএম) সহযোগিতায় ম্যারিকো বাংলাদেশ তার সামাজিক দায়বদ্ধতা বা সিএসআর কার্যক্রমও অব্যাহত রাখে। এর আওতায় ৩ হাজারেরও বেশি সুবিধা বঞ্চিত ও স্কুলে না যাওয়া শিশুকে বিনামূল্যে শিক্ষার সুযোগ করে দিতে ৭৫টি চিল্ড্রেন লার্নিং সেন্টার (সিএলসি) স্থাপন করেছে আইসিএসবি কর্তৃক প্রদত্ত কর্পোরেট গভর্নেন্সে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য কোম্পানি “সিলভার পুরস্কার” অর্জন করেছে এবং আইসিএমএবি শ্রেষ্ঠ কর্পোরেট পুরস্কার -২০১৬ অর্জন করেছে ‘মেরিট সার্টিফিকেট’।                     
 
নতুনবার্তা/কিউএমএইচ

Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top