মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮
Thu, 07 Jun, 2018 02:10:17 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম
ঢাকা:  এ বছরের ন্যায় আগামী অর্থবছরেও একই হার অর্থাৎ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করমুক্ত অব্যাহত থাকছে। তাই আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত সাধারণ শ্রেণির কর দিতে হবে না।
আজ (বৃহঃষ্পতিবার) অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করছেন। ওই বাজেট বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
 
বাজেট প্রস্তাবনায় অর্থমন্ত্রী বলেন, এ বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। মহিলা করদাতাসহ বিভিন্ন শ্রেণির করদাতাদের জন্য এ সীমা কিছুটা বেশি ছিল। করমুক্ত আয়ের সীমা কি হবে তা নিয়ে প্রচুর আলোচনা হয়। আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি যে উন্নত দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা সাধারণভাবে মাথাপিছু আয়ের ২৫ শতাংশের নীচে থাকে।
‘উন্নয়নশীল দেশগুলোতে করমুক্ত আয়সীমা সাধারণত মাথাপিছু আয়ের সমান বা তার কম থাকে। কিন্তু বাংলাদেশে করমুক্ত আয়ের সীমা মাথাপিছু আয়ের প্রায় দ্বিগুণের মতো। অর্থাৎ, আমাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটের তুলনায় অনেক বেশি। করমুক্ত আয়ের সীমা বেশি হলে কর প্রদানে সক্ষম বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি করজালের বাইরে থেকে যান। এতে করের ভিত্তি দুর্বল থাকে।
 
অর্থমন্ত্রী বলেন, সার্বিক বিবেচনায় আমি আগামি বছরে করমুক্ত আয়ের সাধারণ সীমা ও করহার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করছি। তবে কোন ব্যক্তি-করদাতার প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্য থাকলে এরূপ প্রতি সন্তান বা পোষ্যের জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৫০ হাজার টাকা হবে।
 
সাধারণ করদাতার দাতার জন্য ২ লাখ ৫০ হাজার টাকায় কোনো কর দিতে হবে না। মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা  ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতা  ৪ লাখ টাকা পর্যন্ত, গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করমুক্ত আয়সীমায় থাকবেন। 
 
তিনি বলেন, বিদ্যমান আইনে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন, অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন এবং সিটি কর্পোরেশনের বাইরের অন্যান্য এলাকার কোম্পানি করদাতা ব্যতীত অন্য করদাতাদেরকে যথাক্রমে ৫ হাজার, ৪ হাজার ও ৩ হাজার টাকা ন্যূনতম কর পরিশোধ করতে হয়। অঞ্চলভিত্তিক ন্যূনতম করের এ হার বহাল রাখার প্রস্তাব করছি।
 
নতুনবার্তা/কিউএমএইচ
 

Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top