মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮
Fri, 08 Jun, 2018 03:35:46 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম
ঢাকা: অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, তার প্রত্যেক বাজেটই নির্বাচনী বাজেট। এবারের বাজেট 'নির্বাচনী বাজেট' এমন সমালোচনার জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
 
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।
 
অর্থমন্ত্রী বলেন, 'আমার প্রত্যেক বাজেটই নির্বাচনী বাজেট। আর তা তো হবেই। কারণ আমি একটি রাজনৈতিক দলের সদস্য। রাজনৈতিক দলের একজন সদস্য হিসেবে আমাকে জনগণকে খুশি করতে হয়।'
 
এই বাজেট 'গরীব মারার বাজেট' কি-না— এমন প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী পাল্টা প্রশ্ন করে জানতে চান দেশে দরিদ্র মানুষ বাড়ছে কি-না।
কেউ উত্তর না দিলে এক পর্যায়ে অর্থমন্ত্রী নিজেই উত্তর দিয়ে বলেন, 'না, দেশে দরিদ্র মানুষ বাড়ছে না। এক সময় দেশে দরিদ্র মানুষের হার ছিল ৭০ শতাংশ। গত সাত বছর আগেও দেশে দরিদ্র মানুষের হার ছিল ৩০ শতাংশ। এখন দেশে দরিদ্র মানুষের হার ২২ দশমিক ৪ শতাংশ। সুতরাং এই বাজেট গরীব মারার বাজেট— এই কথাটা ঠিক না।'
 
বাজেটে করপোরেট ট্যাক্স হার কমানোর প্রস্তাব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মুহিত বলেন, '৪০ শতাংশের ওপর করপোরেট কর খুব কম দেশেই আছে। আমরাও সেটা নামিয়ে এনেছি।'
 
অনলাইনে কেনাবেচা সেবায় ৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ যথাযথ হয়েছে কি-না জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, 'কেনাবেচার ওপরেই তো চার্জ বসানো হয়। অনলাইন কেনাবেচা এখন অনেক বেড়েছে। তাই চার্জ বসানো যেতেই পারে।'
 
তবে বাজেটে অনলাইন কেনাকাটায় কর বসানো হয়নি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, বাজেটে অনলাইন কেনাকাটায় কর বসানো হয়নি। বাজেট বক্তৃতায় এটা ভুল ছাপা হয়ে থাকতে পারে। গুগল ও ইউটিউবের মতো ভার্চুয়াল ব্যবসার ওপর কর বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
 
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে আগামী ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেটে ৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা ব্যয়ের বিপরীতে মোট রাজস্ব আয় প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩ লাখ ৩৯ হাজার ২৮০ কোটি টাকা, যা জিডিপির ১৩ দশমিক ৪ শতাংশ। এতে আয়-ব্যয়ের ঘাটতি দাঁড়াবে ১ লাখ ২৫ হাজার ২৯৩ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।
 
প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। এছাড়া গড় মূল্যস্ফীতি প্রাক্কলন করা হয়েছে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ।
 
নতুন বার্তা/এফকে
 

 


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top