ব্যবসা ও বাণিজ্য

সোহাগের নতুন দিন

সব উদ্যোগেরই পেছনে তাকালে সাধারণ হোক আর অসাধারণই হোক, একটা গল্প উঠে আসে। সোহাগের রয়েছে তেমনি একটি গল্প। সাদামাটা হলেও তরুণ এই উদ্যোক্তার দৃঢ়তা, নিবিড় পরিশ্রম ও সংগ্রামের চিত্র উঠে এসেছে তার পথচলার  গল্পে। 

সোহাগ বিনা বেতনে কাজ করতেন শিক্ষানবীশ মার্চেইন্ডাজার হিসাবে নারায়ণগঞ্জের একটা ফ্যাক্টরিতে। তারপর অন্যান্য ক্ষেত্রে কাজ করেছেন কিন্তু তার মনে ভালোবাসা ছিলো পোশাক শিল্পের প্রতি। সেই ভালোবাসা থেকে শুরু করেন পোশাক বিক্রি করার ব্যবসা। কিন্তু প্ল্যাটফর্ম টা ছিলো অনলাইন।

২০১৬ সালের মাঝামাঝির দিকে, তারণ্যের স্রোত যখন অনলাইনে সোহাগ তখন পূর্বের পোশাক শিল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতা ও সৎ সাহস নিয়ে মাত্র ৫০০ টাকা নিয়ে শুরু করেন figdot.com এর।

 

ইতিমধ্যেই ফিগডট গ্রাহকদের কাছে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কম দামে ভালো পণ্য বিক্রি করার জন্য তাদের সুনাম আছে। অনেক প্রতিবন্ধকতার পথ পাড়ি দিয়ে সোহাগ আজ সফলতার পথে হাটছে। তার প্রতিষ্ঠান ফিগডটের আজকের এই অবস্থানের পেছনে সবচেয়ে বড় অবদান সোহাগের পরিবার এবং বন্ধুদের। তার কন্ঠে বন্ধুদের প্রতি ছিলো অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা।

সবাই যখন ছুটছে চাকরির পেছনে তখন কেন বেছে নিলেন উদোক্তার জীবন। এমন প্রশ্নের উত্তরে সোহাগ বলেন,

আমিও চাকরি করেছি, আমি চাকরি করেছি শেখার জন্য। আমার চাকরির অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা করছি।
আমি মনে করি, ব্যবসা করার আগে সবারই কিছুদিন আগে চাকরি করা উচিত।

ই-কর্মাস সাইটের ব্যাপারে ইদানীং গ্রাহকদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব লক্ষ্য করা যায়। এর মধ্যে ও আপনার ফিগডটের সফলতার রহস্য কি? 

সোহাগ বলেন, ‘সততা ব্যবসায় সফলতার মূল ভিত্তি’ এই কথা টা আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি এবং ধারণ করি। সৎ থাকলে তার সাফল্য অনিবার্য।

সোহাগের স্বপ্ন, তার প্রতিষ্ঠান ফিগডট কে বাংলাদেশের প্রথম সারির ই- কর্মাস সাইটের তালিকায় নিয়ে যাওয়া। এবং তিনি বিশ্বাস করেন তিনি তা পারবেন। এই তরুণ উদোক্তার স্বপ্নের পথ হোক সুন্দর। সোহাগদের হাতে গড়ে উঠুক স্বনির্ভর আগামী। কারণ সোহাগরা জিতলে হারবে না বাংলাদেশ।

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker