বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭
webmail
Thu, 18 May, 2017 07:27:35 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম

ঢাকা: বনানীতে ছাত্রী ধর্ষণে দোষী ক্ষমতাধর হলেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান খান কামাল।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর মহাখালীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) পক্ষ থেকে উইমেন্স হলিডে মার্কেট উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বনানীতে ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত চলছে। তদন্তে যার নাম আসবে, যার গাফিলতি থাকবে বা এ ঘটনায় যারা সহযোগিতা করেছে বলে দেখা যাবে, সে যে-ই হোক, যত ক্ষমতাধর ব্যক্তি হোক, তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।”

তিনি বলেন, “দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। দেশে যত ধরনের সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও দুর্নীতিবাজ আছে, তাদের একটা নিয়ন্ত্রণরেখার মধ্যে আবদ্ধ করে ফেলেছি। সার্বিক নিরাপত্তার বিচারে বিশ্বে এখন বাংলাদেশের অবস্থান ৩৭তম। এটা দেশের নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নতির পরিচয় বহন করে।”

অনুষ্ঠানে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেসবাউল ইসলাম, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের সহাকারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এএমডি) মো. সাইফুর রহমান পাটোয়ারী, ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেডের এসইভিপি আহসান জামান চৌধুরী, ওয়েল গ্রুপের প্রধান নির্বাহী সাঈদ নুরুল ইসলাম, ডিএনসিসির ২০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. নাছির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

জুয়েলারি মালিক সমিতির ধর্মঘট

এদিকে, ঢাকায় একটি সোনার দোকানে অভিযানের পরপরই এর প্রতিবাদে অনির্দিষ্ট কালের জন্য ধর্মঘটের ডাক দেয় বাংলাদেশ জুয়েলারি মালিক সমিতি।

সমিতি বলছে দেশজুড়ে প্রতিটি জুয়েলারি শোরুম বা দোকানে এই ধর্মঘট কার্যকর হবে।

সমিতির সহ সভাপতি এনামুল হক খান বিবিসিকে বলেন, “এনবিআর এর সঙ্গে আমাদের কথা ছিল আর কোনো অভিযান হবে না। কিন্তু আজ আমিন জুয়েলার্সে অভিযান হয়েছে, এর প্রতিবাদে আমরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছি।”

তিনি বলেন, “অন্য ব্যবসায়ীরা আশঙ্কা করছেন এভাবেই অন্য দোকান গুলোতেও অভিযান হতে পারে।”

এদিকে ঢাকা নিউ মার্কেটের একজন স্বর্ণ ব্যবসায়ী ‘মাধুরী জুয়েলার্স’ এর রাজিব পাল জানাচ্ছেন, এই ঘোষণার পর পরেই বিকাল ৫টার দিকে নিউ মার্কেটের সব স্বর্ণের দোকান বন্ধ করে দেয়া হয়।

শুল্ক গোয়েন্দা অধিদপ্তর গত কয়েকদিনে দুই দফায় অভিযান চালিয়ে বনানী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামির পরিবারের মালিকানাধীন আপন জুয়েলার্স এর পাঁচটি বিক্রয় কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়।

বাংলাদেশের শুল্ক গোয়েন্দারা সেসময় বলেছেন, আপন জুয়েলার্সের কর্ণধাররা জব্দকৃত সাড়ে ১৩ মন স্বর্ণ এবং ৪২৭ গ্রাম হীরার বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। তবে এতে অন্য স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের আতংকিত হওয়ার কোনো কারণ নেই বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন।

নতুন বাতা/টিটি
 


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top
    close