মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
webmail
Tue, 15 Aug, 2017 12:19:18 AM
ড. মসিউর রহমান

মুক্তিযুদ্ধ শেষে স্বাধীন বাংলাদেশ ছিল যুদ্ধবিধ্বস্ত। ধ্বংসের চিহ্ন দেশের সর্বক্ষেত্রে প্রকট। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ পুনর্গঠনের দায়িত্ব হাতে নেন। অগণিত মানুষের হাতে তখন যুদ্ধাস্ত্র। অস্ত্রমুক্ত না হলে দেশে স্বাভাবিক অবস্থা ও শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। পুলিশ, আধাসামরিক ও সামরিক বাহিনী এমন সুসংহত নয় যে, শক্তি প্রয়োগ করে অস্ত্র উদ্ধার করা যায়। বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা তার কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে। বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্যই এ উদ্যোগ সফল হয়েছে।
প্রশাসনিক ব্যবস্থা অবিন্যস্ত হয়ে পড়েছিল। প্রশাসন পুনর্বাসিত না হলে অন্য কোনো কর্মপরিকল্পনাও সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব ছিল না। প্রশাসন থেকে উগ্র পাকিস্তানপন্থীদের বাদ দেয়া ছিল অত্যাবশ্যক। তাদের সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার সমস্যা ছিল। বঙ্গবন্ধু অতি সতর্কতার সঙ্গে উগ্র পাকিস্তানপন্থীদের চিহ্নিত করেন, যাদের সংখ্যা ছিল নগণ্য। প্রশাসন কর্মকর্তাদের মনে যাতে আতংক সৃষ্টি না হয়, বঙ্গবন্ধু সে বিষয়ে সতর্ক ছিলেন। পাকিস্তান থেকে খেতাবপ্রাপ্ত অনেক কর্মকর্তা সাময়িকভাবে চাকরিচ্যুত হন; বঙ্গবন্ধু তাদের ক্ষমা করে পুনর্বহাল করেন।

দেশের অবকাঠামো, বিশেষত পরিবহন অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে পড়েছিল। জাহাজ ডোবার ফলে বন্দর হয়ে পড়ে অচল। বন্দর সচল না হলে আমদানি-রফতানি সম্ভব নয়; বিশেষ করে খাদ্য আমদানি ছিল জরুরি। শত্র“বাহিনী পোড়ামাটি নীতি অনুসরণ করে; ফলে অবকাঠামো ধ্বংস হয়েছিল ব্যাপক। পরিবহন অবকাঠামো পুনঃস্থাপন ও পুনর্নির্মাণ জরুরি ভিত্তিতে সম্পন্ন করা হয়।


শিল্প-কারখানা অচল হয়ে পড়েছিল। ব্যবসা-বাণিজ্য হারিয়েছিল গতি। কলকারখানার মালিক ও পরিচালনা পদে নিযুক্ত ছিল অবাঙালি। তারা এদেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিল। আইনের মাধ্যমে এসব কলকারখানার কর্তৃত্ব সরকার গ্রহণ করে এবং পরিচালক পদে বাঙালিদের নিয়োগ দেয়। পাকিস্তান সরকারের সহায়তায় অনেক বাঙালি এসব কলকারখানার আংশিক মালিকানা পেয়েছিল। তারা ছিল নিদ্রাবিভোর অংশীদার; পুঁজি বিনিয়োগ ও পরিচালনার ভার নূ্যূনতম, মুনাফার অংশভোগী প্রধানত। তারা আশা করেছিল, পাকিস্তানিদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির পূর্ণ মালিকানা পাবে। তাদের আশা পূরণ হয়নি। আশাহত সম্পদলিপ্সু অনেকেই পরবর্তীকালে মুক্তিযুদ্ধবিরোধী গোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মেলায়।

বাংলাদেশের জাতীয়করণ নীতির একটি বৈশিষ্ট্য লক্ষণীয়- পাকিস্তানি মালিকদের পরিত্যক্ত সম্পত্তি রাষ্ট্র গ্রহণ করে। একই খাতে ছিটেফোঁটা বাঙালি মালিকানাও সরকার নেয়- অর্থাৎ খাতগুলো জাতীয়করণের অন্তর্ভুক্ত হয়। এর আগে ভারত ও শ্রীলংকায় অনুরূপ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছিল। গুনার মিরডাল (অর্থনীতিতে নোবেলপ্রাপ্ত, সুইডেনের মন্ত্রী) এরূপ জাতীয়করণ প্রক্রিয়াকে ‘রেডিক্যাল ন্যাশনালিজম’ নামে অভিহিত করেছেন। গুনার মিরডালের ব্যাখ্যা বাংলাদেশের বেলায়ও প্রযোজ্য হতে পারে।

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ার জন্য বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের সদস্য পদ গ্রহণ করা ছিল আবশ্যক। বিশ্বব্যাংক বেশকিছু সমস্যা সৃষ্টি করে। তাদের দাবি স্বাধীনতার আগে পাকিস্তান যে ঋণ নিয়েছিল, তা পরিশোধের আংশিক দায়ভার বাংলাদেশ সরকার যেন গ্রহণ করে। অবিভক্ত পাকিস্তানের জাতীয় আয় ও রফতানির বড় অংশ আসত বাংলাদেশ থেকে, তাই বাংলাদেশ অর্ধেকের বেশি ঋণ পরিশোধের দায়ভার নেবে। বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশ সরকারকে তাদের প্রস্তাব জানায়। বিষয়টির গুরুত্ব বোঝানোর জন্য ভাইস প্রেসিডেন্ট কারগিল বঙ্গবন্ধুকেও ব্যক্তিগতভাবে এ বিষয়ে অবহিত করেন।
বঙ্গবন্ধুর উত্তর এবং সমস্যা সমাধান- উভয় ছিল অভিনব ও সাহসী কিন্তু যুক্তিসঙ্গত। ভাইস প্রেসিডেন্টের মন্তব্যের উত্তরে বঙ্গবন্ধু বলেন : ‘যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি আজীবন সংগ্রাম করেছেন এবং তার ডাকে বাঙালি প্রাণ দিয়েছে, বিশ্বব্যাংক সেই অবিচারকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায়। তার ডাকে মুক্তিযোদ্ধারা প্রাণ দিয়েছে, বাঙালি ত্যাগ স্বীকার করেছে; প্রয়োজন হলে তিনি আবার তাদের ত্যাগের জন্য আহ্বান জানাবেন। জাতি ত্যাগ স্বীকার করবে, কিন্তু অন্যায়কে মানবে না।’
বঙ্গবন্ধু পরিকল্পনা কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিষয়টি পরীক্ষা করতে বলেন। সমাধান সম্পর্কে তার পরামর্শ ছিল নিুরূপ :

ঋণের অর্থে যে প্রকল্প তৈরি হয়েছে, তা যদি বাংলাদেশ ভূখণ্ডে অবস্থিত হয়, বাংলাদেশ সেই ঋণের অপরিশোধিত অংশের দায়িত্ব নিতে পারে। এ মূলনীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ সরকার বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে বিষয়টি মীমাংসা করে।
আগে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট কারগিলের কথোপকথন উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ওয়াশিংটনে ফিরে গিয়ে তিন-চার সপ্তাহের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উত্তর পাঠান। বিশ্বব্যাংক বঙ্গবন্ধুর বক্তব্য মেনে নিয়েছে এবং তার আলোকে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করে।

বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হয় তখন বিশ্বব্যাপী জ্বালানি তেল ও খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছিল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নিক্সন আন্তর্জাতিক মুদ্রা ডলার ভাসমান ঘোষণা করেন, ফলে বিশ্বমুদ্রা বাজারেও অস্থিরতা দেখা দেয়। বাংলাদেশ সরকার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য সংস্থা ইউএসএআইডির সঙ্গে সহায়তার জন্য আলোচনা শুরু করে। ওই সময় বাংলাদেশ কিউবায় যৎসামান্য পাট বিক্রয়ের জন্য চুক্তি করেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের আইনানুসারে কিউবা কিংবা অন্য কোনো কমিউনিস্ট দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক থাকলে তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাহায্য পাওয়ার অনুপযুক্ত। চুক্তির শেষ পর্যায়ে এবং স্বাক্ষরের জন্য যখন প্রস্তুত, তখন যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ জানায়, কিউবার সঙ্গে বাণিজ্যিক চুক্তি হওয়ার ফলে তারা সহায়তা দিতে অপারগ।
দুই বছর বা তার অধিক সময় আলোচনার পর আকস্মিক তারা এ তথ্য দেয়। বাংলাদেশ থেকে জানতে চাইলে তাদের উত্তর- যুক্তরাষ্ট্রের আইনে অনেক জটিল শর্ত অন্তর্ভুক্ত থাকে; তারা এ সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। তাদের বক্তব্য যুক্তিহীন। কংগ্রেসকে শর্ত শিথিলের জন্য অনুরোধ করার ক্ষমতা আইনে প্রেসিডেন্টকে দেয়া ছিল। তিনি বাংলাদেশের জন্য এ ক্ষমতা ব্যবহার করেননি। মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে বৈরী মনোভাব দেখিয়েছিল, প্রেসিডেন্টের আচরণ ছিল তারই পরম্পরা।

১৯৭৪ সালে বিশ্বব্যাপী খাদ্যাভাব এবং দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। অন্য দেশকে দেয়ার উদ্ধৃত খাদ্য একমাত্র যুক্তরাষ্ট্রের ছিল। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য দিতে অস্বীকার করলে বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়ে। ভারত সরকারকে এ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছিল। তাদের কাছ থেকে জরুরি ভিত্তিতে কিছু পরিমাণ খাদ্য পাওয়া যায়। ভারতেও এ সময় খাদ্যাভাব দেখা দিয়েছিল।
রাশিয়া যুক্তরাষ্ট্র থেকে খাদ্য ক্রয়ের জন্য চুক্তি করেছিল। যুক্তরাষ্ট্র খাদ্য রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। বিশ্বখাদ্য পরিস্থিতি ও আর্থ-রাজনীতি (পলিটিক্যাল ইকোনমি) বোঝার জন্য তথ্যটি উল্লেখ করা হল।

দেশের সংবিধান রচনার জন্য বঙ্গবন্ধু উদ্যোগ নেন। অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান অধ্যাদেশ দ্বারা কিছু সময়ের জন্য রাষ্ট্র পরিচালিত হয়েছিল। স্বাধীনতার আগে নির্বাচিত সব জাতীয় সংসদ ও প্রাদেশিক আইন পরিষদের সদস্যদের নিয়ে সংবিধান প্রণয়ন পর্ষদ (কনস্টিটিটুয়েন্ট অ্যাসেম্বলি) গঠন করা হয়। সংবিধান প্রণয়ন চূড়ান্ত হয়ে গেলে এ পরিষদ অবলুপ্ত হয় এবং নতুন সংবিধান অনুযায়ী সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। অতি অল্প দেশেই যুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতার পর এত কম সময়ে সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু বিচক্ষণতার সঙ্গে সংবিধান রচনায় পাকিস্তানের বিভ্রান্তি পরিহার করেন। ১৯৪৭ সালের পর পাকিস্তান উপমহাদেশ বিভক্তির আগে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে সংবিধান প্রণয়ন পর্ষদ গঠন করে। তারা একাধারে সংসদ ও সংবিধান রচনার দায়িত্ব পালন করেন। প্রথম সংবিধান রচনায় তারা প্রায় ১০ বছর কাটিয়ে দেয়। ১৯৫৬ সালে সংবিধান অনুমোদনের ২ বছরের মধ্যে (১৯৫৮) সংবিধান ও গণতন্ত্র নস্যাৎ করে সামরিক বাহিনী ক্ষমতা দখল করে।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সংবিধান প্রণয়নে আওয়ামী লীগ নেতা সোহরাওয়ার্দীর অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। তিনি ওই সময় পাকিস্তান কেন্দ্রীয় মন্ত্রিপরিষদে আইনমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

পাকিস্তানে সংবিধান রচনার দীর্ঘসূত্রতার বড় কারণ কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজনৈতিক চরিত্র। উপমহাদেশ বিভক্তির (১৯৪৭) আগে একমাত্র বাংলায় (বর্তমান বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ) মুসলিম লীগ সরকার ক্ষমতায় ছিল। বর্তমান পাকিস্তানের সব প্রদেশে ক্ষমতায় ছিল মুসলিম লীগ বিরোধী দল। বিভক্তির পর পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব নেন ভারত থেকে আগত মুসলিম লীগ নেতারা; বাংলার মুসলিম লীগ নেতাদের ঘোষণা করা হয় দেশের শত্রু। ফলে তৈরি হয় কিম্ভূতকিমাকার অবস্থা, সমর্থকবিহীন নেতৃত্ব। ক্ষমতায় থাকতে হলে নির্বাচন পরিহার তাদের জন্য আবশ্যিক। ক্রমেই এ সরকারের বৈধতা ক্ষয় পায়। সামরিক বাহিনীর ক্ষমতা দখল ছিল বৈধতাহীন সরকারকে নর্দমায় নিক্ষেপ করা।

যুদ্ধোত্তর স্বাধীন দেশে জাতিকে একতাবদ্ধ করা একটি বড় দায়িত্ব। স্বাধীনতার আগে অবৈধ দখলদার সরকারের সঙ্গে অনেকেই সম্পৃক্ত থাকে। তাদের অনেকে অবৈধ দখলদারদের সমর্থক, কেউ অবস্থার চাপে এবং সাধারণ জীবনযাপনের প্রয়োজনে প্রকাশ্য বিরোধিতা করে না। পূর্ব ইউরোপের কমিউনিস্ট রাষ্ট্রের এবং দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকারের পতনের পর এ সমস্যাটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাদের সমস্যা সমাধানের জন্য নতুন ধারণার সৃষ্টি হয়েছে- যারা উগ্র সমর্থক ও অপরাধ করেছে তারা শাস্তি পাবে; যারা অবস্থার শিকার হয়ে জীবন কাটিয়েছে তারা ক্ষমার যোগ্য; অনুশোচনার আন্তরিকতাও বিচার করা হয়। বঙ্গবন্ধু তার নেতৃত্বের ক্ষমতাবলে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সফল হন। পূর্ব ইউরোপ এবং দক্ষিণ আফ্রিকা পরবর্তীকালে যে পদক্ষেপ নেয়, বঙ্গবন্ধু তার অঘোষিত পথিকৃৎ।

বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে কারিশমা বাদ দিয়ে তার অবদান ও বৈশিষ্ট্য বোঝা যায় না। ম্যাক্স বিবর সরকারের বৈধতার তিনটি উৎস চিহ্নিত করেছেন- ইতিহাসের ধারানুসারে বংশপরম্পরায় ক্ষমতা হস্তান্তর/গ্রহণ; যুক্তি ও আইনভিত্তিক রাষ্ট্র; এবং কারিশমা। কারিশমা শব্দের আভিধানিক অর্থ অলৌকিকত্ব। ধর্মনিরপেক্ষ সমাজবিজ্ঞান বা রাজনীতি আলোচনায় অলৌকিকত্ব প্রয়োগ হয় না, সম্মোহনী ক্ষমতা বা অসাধারণ কিছু করার ক্ষমতা বোঝায়। বৈপ্লবিক পরিবর্তনে নেতৃত্ব এবং পরিবর্তিত সরকারের বৈধতার উৎস নেতৃত্বের কারিশমা।

সাম্প্রতিক রাজনৈতিক আলোচনায় কারিশমা শব্দের ব্যবহার কমে গেছে, তার স্থলে প্রতিস্থাপিত হয়েছে রূপান্তরকারী নেতৃত্ব (ট্রানসফরমেটিভ লিডারশিপ) অর্থাৎ সমাজ ও অর্থনীতিতে মৌলিক পরিবর্তনের জন্য যে নেতৃত্ব আবশ্যক। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সম্মোহনী ক্ষমতার উত্তরাধিকারী এবং রূপান্তরকারী নেতা। ওয়েবসাইট

নতুন বার্তা/টিটি


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top
    close