জাতীয়

বিএনপি দুর্নীতিবাজকে নেতা বানিয়েছে

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রী এবং সংসদ নেতা শেখ হাসিনা আজ বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে বলেছেন, গঠনতন্ত্র সংশোধন করে দলটি সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছে। তিনি এ দলের কঠোর সমালোচনা করে বলেছেন, যে দল দুর্নীতিকে নীতি হিসেবে গ্রহণ করেছে সে দল জনগণের কল্যাণে কি কাজ করতে পারবে।

তিনি বলেন, ‘সে দল লুটপাট করতে পারবে, মানুষ খুন করতে পারবে। কিন্তু মানুষের কল্যাণে কাজ করতে পারবে না। এটা হলো বাস্তবতা।’

শেখ হাসিনা আজ দশম জাতীয় সংসদের ১৯তম অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে একথা বলেন।

তিনি বলেন, একজন যখন জেলে গেল (খালেদা জিয়া) সাজাপ্রাপ্ত হয়ে সাথে সাথে আরেকজন সাজাপ্রাপ্তকে দায়িত্ব দিল (তারেক রহমান)। তিনি আবার দেশেও থাকে না, পলাতক। পলাতক এবং সাজাপ্রাপ্ত আসামী বিদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে, তাকে দিল চেয়ারম্যানের দায়িত্ব।

বাংলাদেশে বিএনপি’র নেতৃত্বে এমন একজনও ছিল না নেতা হবার মতো, এ প্রশ্ন উত্থাপন করে প্রধানমন্ত্রী এ সময় বলেন, অবশ্য যারা নেতৃত্ব পাবার মত তাদের প্রত্যেক নেতার বিরুদ্ধেই দুর্নীতির মামলা রয়েছে।

তিনি এ সময় বিএনপি’র দুর্নীতির সমালোচনা করে বলেন, তারা যে কান্ড করেছে তার আঁচড় এদেশের প্রত্যেকটি মানুষের গায়েই লেগে আছে।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় হঠাৎ করেই বিএনপি’র গঠনতন্ত্রের ৭ ধারাটির পরিবর্তন প্রসঙ্গে বলেন, বিএনপি নেত্রীর যে সাজা হবে সেটা বিএনপি আগেই টের পেয়েছে কি-না জানি না। না হলে কোন ফৌজদারী দন্ডবিধিতে অভিযুক্ত আসামী দলের কোন পদে থাকতে পারবেন না সংক্রান্ত ৭ ধারাটি তারা খালেদা জিয়ার রায় ঘোষণার পূর্বেই সংশোধন করে নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়। সেই মোতাবেক তাদের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাজাপ্রাপ্ত হলেও যে কেউ দলের পদে থাকতে পারবে। অর্থাৎ দুর্নীতিকেই তারা গ্রহণ করে নিল।

শেখ হাসিনা এ সময় রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি’র নীতি ও আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, আজকে বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে তত্ত্বাবধায়ক সরকার যেসব মামলা দিয়েছে সেই একই মামলা তাঁর বিরুদ্ধেও দেয়ার চেষ্টা করেছিল।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের সমস্ত একাউন্ট ফ্রিজ করে দিয়েছিল এবং কাগজপত্র নিয়ে পরীক্ষা করেছে।

সরকার প্রধান বলেন, তাঁরা এই ট্রাস্ট থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য যে বৃত্তি দেন সে সমস্ত শিক্ষার্থীদের প্রত্যেকের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ-খবর নিয়েছে। সত্যিই বৃত্তির টাকা প্রদান করা হয় কি না, সকল কাগজপত্র পরীক্ষা করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কাজেই তারা এইভাবে চেষ্টা করেছে এখানে এতটুকু ফাঁক পায় কি না।
শেখ হাসিনা বলেন, আল্লাহর রহমতে কিছুই তারা পায়নি। কিন্তু তারা সর্বনাশ করেছিল বরাদ্দ বন্ধ করে রাখায় বৃত্তির টাকা প্রদান করা যায়নি। বর্তমানে এই ট্রাস্ট থেকে ১৮শ’ জনকে বৃত্তি দেয়া হচ্ছে এবং সেই সময় প্রায় ১২শ’ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি এবং ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আহতদের সাহায্য করা হচ্ছিল। এই অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে রাখাতে অনেক ছেলে-মেয়ের লেখাপড়া বন্ধ হয়ে গেছে ।

প্রধানমন্ত্রী এ সময় একটি ঘটনার উল্লেখ করেন ঐ ট্রাস্ট ফান্ড থেকে ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার শিকার একজন দুই পা পঙ্গু মহিলা সাহায্য পেতেন। ঐ টাকাটা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাঁর সংসারটা পর্যন্ত ভেঙ্গে যায়। ফলে স্বামী তাঁকে ত্যাগ করে আরেকটি বিয়ে করে ।

তিনি বলেন, কত কষ্ট মানুষকে তারা দিয়েছে। যারা অনুদান দিয়েছিল তাদেরকেও হয়রানি করেছিল। কিন্ত

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker