রোববার, ২২ এপ্রিল ২০১৮
বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে শিশু এবং নারী ধর্ষণ উদ্বিগ্ন ভাবে বেড়েছে। ক্রমেই মহামারী আকার ধারণ করছে ধর্ষণ এবং ধর্ষণ শেষে হত্যা। উচ্চবিত্ত থেকে নিম্নবিত্ত, শিশু থেকে তরুণী সমাজের সব ক্ষেত্রে, সব বয়সেই ঘটে যাচ্ছে ধর্ষণের ঘটনা। কুমিল্লার তনু থেকে বগুড়ার রূপা, শিশু রিশা থেকে দুই মারমা সহোদরা, হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জের বিউটি আক্তার
ক্ষমতা কি কিছু মানুষ কে উন্মাদ করে দেয়? অন্য মানুষ কে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করতে শেখায়! ক্ষমতার আসনে বসামাত্রই মানুষের চেহারা বদলে যায় কেন? প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার জন্য ভিতরের পশুস্বভাব মাথাচাড়া দিয়ে উঠে। সভ্যতা, মানবিকতা গায়ে থেকে খুলে ঝাঁপিয়ে পড়তে এক মুহুর্ত দেরী করে না।   আজকাল আমাদের সবাইর সহন ক্ষমতা আশ্চর্যরকম কমে গেছে।
নারীর ওপর শক্তি প্রয়াগের চরম রূপ ধর্ষণ। ধর্ষণ যতোটা অবদমিত যৌনতা, তার চেয়ে বেশি নারী বিদ্বেষের প্রকাশ। অকেকেই দাবি করেন, ধর্ষণ বিকারগ্রস্ত লোকের বিকৃত কাজ। কিন্তু ধর্ষণ মোটেই বিকারগ্রস্তের রোগ নয়, এটি পুরুষতন্ত্রের রোগ, সচেতন ভাবে নারীকে সন্ত্রস্ত রাখার উপায়। পুরুষতন্ত্র উৎসাহ দেয় ধর্ষণে। সমাজও ধর্ষণকারীর পক্ষে।   ধর্ষণ একটি রাজনৈতিক অপরাধও
  ইউনিলিভার বাংলাদেশ বিভিন্ন সময়ে তাদের বিভন্ন ব্যাবসার কৌশল নিয়ে বাংলাদেশে নন্দিত এনং নিন্দত হয়েছে। তারা বাংলাদেশের মানুষের ‘সাদা গায়ের রং’ প্রীতির কারনে ‘ফেয়ার এন্ড লাভলী’ নামক একটি ক্রিম-কে রং ফর্সাকারী ক্রিম বলে চালিয়ে দিয়ে প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করে নিচ্ছে। ভালোবাসা দিবসের বাংলাদেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে তাদের ‘কাছে আসার গল্প’
‘মেয়ে বড় হইসে? দিনকাল ভালো না, বিয়ে দিয়ে দেন। আরে বিয়ের পরেও পড়তে পারবে তো! পড়াশোনা শেষ? এখনো বিয়ে দিচ্ছেন না কেন? মেয়ের কামাই খাবেন? কতো টাকা রোজগার করে? এই টাকায় তো লিপিস্টকও কেনা যায় না, বিয়ে দিয়ে দেন, জামাইর টাকায় ইচ্ছামতো শপিং করুক, ঘুরে বেড়াক। আরে নাতি-নাতনির মুখ দেখতে
আজকাল মানুষ বাহিরের চাকচিক্য দেখেই অতি সহজেই মুগ্ধ হয়ে যায়। দুই চার ঘন্টা বা দুদিনেই এক্কেবারে কাছের মানুষের মতন ব্যবহার করা শুরু করে দেয়। একটা মানুষকে বিচার করতে পারে কতো সহজেই!মনের গভীরতা বোঝার বা তার মর্যাদা দেবার ক্ষমতাই বা আছে কয়জনের?! মার্জিতরুচির মানুষইতো কমে যাচ্ছে।   এখন সবচেয়ে কঠিন কাজ মানুষ চেনা।
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দূর্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো বন্যা। প্রতিবছর মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কমবেশী সারাদেশে বৃষ্টিপাত হয়।যেখানে বার্ষিক গড়ে প্রায় ২০৩ সেন্টিমিটার। যার মধ্যে শুধু বর্ষাকালে গড় বৃষ্টিপাত হয় ৩০৯ সেন্টিমিটার। এছাড়াও আবহাওয়ার কারণেও ব্যাপক বৃষ্টিপাত হয় এদেশে।   বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে এর ভয়াবহতা রুপ নেয় বিশাল আকারে।নদীমাতৃক এ দেশেবর্তমানে অভিন্ন নদী রয়েছে
‘অযৌক্তিক’ কোটা পদ্ধতির দৌরাত্ম্যে বিপন্ন হতে বসেছে দেশের বিপুলসংখ্যক মেধাবীর স্বপ্নের ভবিষ্যৎ। সরকারি বিভিন্ন চাকরিতে যোগ্যতার মানদণ্ডে এগিয়ে থেকেও কোটার মারপ্যাঁচে ছিটকে পড়ছে সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা। আর সেখানে কোটার কল্যাণে স্থান করে নিচ্ছে অপেক্ষাকৃত কম মেধাবীরা, ক্ষেত্রবিশেষে সুযোগ নিচ্ছে মেধাহীনরাও। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে কোটা পূরণ না হওয়ায় বছরের পর বছর
ঢাকা: বোন বড় হয়েছে। বিয়ের কথা বার্তা চলছে। পারিবারিকভাবে মতের মিল হওয়ার পর আকদ এর দিন ধার্য্য করা হয়। অনুষ্ঠানের শেষে ছেলের বাড়ি থেকে নাকি রাতে ৫০ জন আমার বোনকে দেখতে আসবে। নতুন আত্মীয়। তাদের জন্য যেমন তেমন খাবার করা যাবে না। অনেক টাকার বাজার করলাম। দেখলাম ওরা বেশকিছু মিষ্টি নিয়ে
মৌরি মুসতারি রোগী দেখছি, দরজার সামনে মোটামুটি ভিড়। কেউ থাই গ্লাস দরজা সরিয়ে উঁকিঝুঁকি মারছে, অথচ ভিতরে একজন ৩৬ বছরের নারী, PLID এর চিকিৎসা চলছে। বারবার নিষেধ সত্ত্বেও কাজ হচ্ছে না, ভিতর থেকে শুনতে পাই, “জোয়ান ছেমরি ডাক্তার তো, তাই ভাব বেশি মনে হয়। ত্যাজ দেখছিস, ধমক লাগায় আবার। এম. ডি
মো. আবদুর রহিম শনিবার ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। প্রতি বছর সাড়ম্বরে দিনটি পালন করা হয়ে থাকে। শত বছরের দোড়গোড়ায় দাঁড়িয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্জনের খতিয়ান দেখে পুলকিত হই, অন্যদিকে সাম্প্রতিককালে ঘটে যাওয়া কয়েকটি ঘটনা আমাদের সমস্ত অর্জনকে ম্লান করে দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে আমার মাথা হেট হয়ে যায়।
আমার ভালো রকমের ‘লিফট ফোবিয়া’ আছে। লিফট ফোবিয়া মানে লিফট ফোবিয়াই, এক্রোফোবিয়া (উচ্চতা ভীতি) নয়। মার্কেট বা কোনো উঁচু ভবনে ওঠার সময় আমি মূলত এস্কেলেটর ব্যবহার করি বা সেই সুবিধা না থাকলে সিঁড়ি বেয়েই যাই, সেটা ১০তলা পর্যন্ত হোক না কেন। ভয়টা শুরু হয়েছিল ২০০১-এ। আমাদের পুরো পরিবার তখন সৌদি-আরবে, আব্বুর
এজবাস্টন: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শুরুতে কেউ ভেবেছিল ভারত-বাংলাদেশ মুখোমুখি হবে সেমিফাইনালে? বাংলাদেশ এখন বড় দলগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন উন্নতিও করছে। ভারত ওদের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী ও এগিয়ে ঠিকই। কিন্তু একটু অসাবধান হলেই পিছলে পড়ার একটা আশঙ্কা এ সব ম্যাচে থেকেই থাকে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ম্যাচ দেখার পরে যদিও
পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক শাসন থেকে মুক্ত করার লক্ষে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান (তখনও বঙ্গবন্ধু উপাধি লাভ করেননি) ১৯৬৬ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন। বাঙালিরা এটাকে বলল মুক্তির সনদ (মেগনা কার্টা)। কিন্তু পাকিস্তান সরকার এটিকে প্রচার করল পাকিস্তান ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রদ্রোহিতা হিসেবে। অথচ ছয় দফা
কাশ্মীরকে একসময় বলা হতো ভূস্বর্গ অর্থাৎ পৃথিবীর বেহেশত। সেই 'স্বর্গে' এখন নরকের আগুন জ্বলছে। যখন-তখন এনকাউন্টার, হত্যা, রাজপথে বিক্ষোভ, অঘোষিত কারফিউ - সবই কাশ্মীরে খুবই চেনা দৃশ্য এখন। এরকম একটা গোলযোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে বসবাস কঠিন, সাংবাদিকতা কঠিনতর। তারপরও সেখানে মানুষ বাস করছে, সাংবাদিকতাও হচ্ছে। আর সাংবাদিকতার অঙ্গণে পুরুষদের পাশাপাশি, সংখ্যায় কম হলেও,
শুধুই স্মৃতি। কিছু স্পষ্ট। কিছু অস্পষ্ট। এলোমেলো। অগোছালো। রাতেই খবরটা পেয়ে হাসপাতালে যাই। বিছানায় শুয়ে আছেন। সবাই ব্যস্ত। ডাক্তার, নার্স, পুলিশ, আর্মি, দলীয় নেতা-কর্মী, জনগণ। এর ভিতরেই দীপু ভাই কি ঘুমাচ্ছেন? ডাকবো? ওমা নাকে তুলা। চোখের নীচে কানের কাছে লাল লাল রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। গভীর ঘুম। মহা ঘুম। চিরতরের ঘুম। দুপুরে
সাংবাদিকতার সূত্রে ইরানের রাজধানী তেহরানে আছি প্রায় সাত বছর। বলে রাখি এ নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ইরানে সাংবাদিকতা করতে আসা। যাই হোক, দ্বিতীয় দফার সাত বছরে ইরানে সামান্য কিছু জায়গায় গিয়েছি বেড়াতে। কাজের ভিড়ে এবং নানা কারণে খুব একটা কোথাও যাওয়া হয়ে ওঠে না। সম্প্রতি আমার দুই ছেলে খুব করে ধরলো, ইরানে
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা বিষয়টি সুস্পষ্ট হওয়া সত্তেও স্বাধীনতা পরবর্তীতে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের উদ্দেশ্যে বিষয়টি প্রশ্নবিদ্ধ করার অপপ্রয়াস চালানো হয়। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে নস্যাৎ করার জন্য মেতে ওঠে একদল স্বার্থান্বেষী মহল। এর দ্বারা বাঙালি জাতির ইতিহাসকে বিকৃত করার যে ষড়যন্ত্র চালানো হয় তা জাতি হিসেবে আমাদের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। এই সংস্কৃতি
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইতিহাসের এক অনন্য দলিল। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণগুলোর মধ্যে এ ভাষণটিও শ্রেষ্ঠতম হিসেবে বিবেচিত। বঙ্গবন্ধুকে বিবিসির শ্রোতাদের ভোটে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে বিজয়ী করতে ৭ মার্চের ভাষণ অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে। মাত্র উনিশ মিনিটের ভাষণে তিনি বাঙালির হৃদয়ে জমে থাকা দীর্ঘদিনের
৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক সুস্পষ্ট নির্দেশনা। তিনি এদিন পাকিস্তানি শাসক শ্রেণির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলাদেশের  মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জনের রূপরেখা প্রণয়ন করেন। তাঁর সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও কৌশলী কর্মসূচির মাধ্যমে মুক্তিপাগল বাঙালি জাতি পেয়েছিল আলোর দিশা। শোষণ, বঞ্চনা
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ


শিরোনাম
Top