opinion | natunbarta.com | Top Online Newspaper in Bangladesh
বুধবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৭
webmail
কাশ্মীরকে একসময় বলা হতো ভূস্বর্গ অর্থাৎ পৃথিবীর বেহেশত। সেই 'স্বর্গে' এখন নরকের আগুন জ্বলছে। যখন-তখন এনকাউন্টার, হত্যা, রাজপথে বিক্ষোভ, অঘোষিত কারফিউ - সবই কাশ্মীরে খুবই চেনা দৃশ্য এখন। এরকম একটা গোলযোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে বসবাস কঠিন, সাংবাদিকতা কঠিনতর। তারপরও সেখানে মানুষ বাস করছে, সাংবাদিকতাও হচ্ছে। আর সাংবাদিকতার অঙ্গণে পুরুষদের পাশাপাশি, সংখ্যায় কম হলেও,
শুধুই স্মৃতি। কিছু স্পষ্ট। কিছু অস্পষ্ট। এলোমেলো। অগোছালো। রাতেই খবরটা পেয়ে হাসপাতালে যাই। বিছানায় শুয়ে আছেন। সবাই ব্যস্ত। ডাক্তার, নার্স, পুলিশ, আর্মি, দলীয় নেতা-কর্মী, জনগণ। এর ভিতরেই দীপু ভাই কি ঘুমাচ্ছেন? ডাকবো? ওমা নাকে তুলা। চোখের নীচে কানের কাছে লাল লাল রক্তের ছোপ ছোপ দাগ। গভীর ঘুম। মহা ঘুম। চিরতরের ঘুম। দুপুরে
সাংবাদিকতার সূত্রে ইরানের রাজধানী তেহরানে আছি প্রায় সাত বছর। বলে রাখি এ নিয়ে দ্বিতীয় দফায় ইরানে সাংবাদিকতা করতে আসা। যাই হোক, দ্বিতীয় দফার সাত বছরে ইরানে সামান্য কিছু জায়গায় গিয়েছি বেড়াতে। কাজের ভিড়ে এবং নানা কারণে খুব একটা কোথাও যাওয়া হয়ে ওঠে না। সম্প্রতি আমার দুই ছেলে খুব করে ধরলো, ইরানে
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ ইতিহাসের এক অনন্য দলিল। বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণগুলোর মধ্যে এ ভাষণটিও শ্রেষ্ঠতম হিসেবে বিবেচিত। বঙ্গবন্ধুকে বিবিসির শ্রোতাদের ভোটে শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ বাঙালি হিসেবে বিজয়ী করতে ৭ মার্চের ভাষণ অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে। মাত্র উনিশ মিনিটের ভাষণে তিনি বাঙালির হৃদয়ে জমে থাকা দীর্ঘদিনের
৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক সুস্পষ্ট নির্দেশনা। তিনি এদিন পাকিস্তানি শাসক শ্রেণির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে বাংলাদেশের  মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জনের রূপরেখা প্রণয়ন করেন। তাঁর সুদৃঢ় নেতৃত্ব ও কৌশলী কর্মসূচির মাধ্যমে মুক্তিপাগল বাঙালি জাতি পেয়েছিল আলোর দিশা। শোষণ, বঞ্চনা
গেল বছর যখন একুশে ফেব্রুয়ারি হলো তখনও ফাল্গুন মাসেই হলো। আরবি মাস প্রতি বছর ছপাশ ছপাশ করে ইংরেজি মাস থেকে দূরে সরে গেলেও বাংলা মাস মোটামুঠি কাছে পিঠেই থাকে। আমরা তখন নতুন হাইস্কুলে। বাংলাদেশের হাই স্কুল মানেও ক্লাস সিক্স দিয়ে শুরু, এখানের মতো ক্লাস নাইন না। স্কুল থেকে বলা হলো
খেলাধুলা শরীরিক ব্যায়ামের অন্তর্ভূক্ত। শুধু তাই নয় খেলাধুলা অবসর বিনোদনের একটি অন্যতম উৎস। আর এটা সুস্বাস্থ্য গঠনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব দিক বিবেচনা করেই ক্রীড়া মন্ত্রণালয় রাখা হয়েছে এবং এর পেছনে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করা হয়ে থাকে। কিন্তু ক্রিকেট খেলাটা বর্তমানে এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, যেকোনো দেশের
ঐতিহাসিক ১০ জানুয়ারি বাঙালির ইতিহাসে স্মরণীয় দিন। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে ১৯৭২ সালের এই দিনে বাঙালি জাতির স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আগমন বাঙালি জাতির জন্য একটি বড় প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। ২৯০ দিন পাকিস্তানের কারাগারে মৃত্যুযন্ত্রণা শেষে লন্ডন-দিল্লী হয়ে তিনি মুক্ত স্বাধীন স্বদেশের মাটিতে পা রাখেন। লন্ডন ও দিল্লী
গতবছরের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে রাজধানীর বেইলী রোডের একটি ছয়তলা থেকে এক নবজাতককে ছুঁড়ে ফেলে দেয়া হয়। পরে জানা যায়, ওই ছয়তলা বাসার ১৭ বছর বয়সী এক গৃহকর্মী শিশুটির গর্ভধারিণী। আমি ওই গৃহকর্মীকে গর্ভধারিণী বলে সম্বোধন করলাম, মা বলে সম্বোধন করিনি। কারণ, গর্ভে ধারণ আর মা হওয়া এক জিনিস নয়। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোতে
কুদরতি সৃষ্টির সুরে একদিন নেচে উঠেছিল খোদার আরশ কুরসি। জেগে উঠেছিল মানুষের মৃত আত্মাগুলো। সজীব ও সতেজ হয়ে উঠেছিল উত্তপ্ত পৃথিবীর শুষ্ক প্রকৃতি। জিবরাইলের হাতের বাঁশিতে সুর ফুঁকেছিলেন মোহাম্মদ। সেদিন বাঁশির সুরে টান দিয়ে তিনি বলেছিলেন- ‘ইকরা বিসমি রাব্বিকাল্লাজি খালাক/খালাকাল ইনসানা মিন আলাক’। প্রেমময়ের সেই সুর আরব উপদ্বীপ পাড়ি দিয়ে ইথারে
দেশের ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী লেখা-পড়া করে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (এমপিওভুক্ত ও ননএমপিও)। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার (সরকারি হিসাব মতে) বৈধ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে এমপিও হয়নি। অবশ্য বেসরকারি হিসাবে এ সংখ্যা প্রায় সাড়ে আট হাজার। যদিও এ সব প্রতিষ্ঠান সরকারের অনুমোদন ও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। ফলে ওই সস
বদরুল চেয়েছিল খাদিজাকে একেবারে শেষ করে দিতে। কিন্তু নিজে উল্টো জব্দ হয়ে গেল। বেঁচে উঠেছেন খাদিজা। শুধু বেঁচেই ওঠেননি, বেশ ভালোভাবে বেঁচে উঠেছেন তিনি। আহ্! কী ভালোই না লাগছে। যেন গ্রিক উপকথার সেই ফিনিক্স পাখির গল্প। আগুনে মরে গেলেও ছাই থেকে আবার বেঁচে ওঠে ফিনিক্স পাখি। খাদিজা হচ্ছেন আমাদের সেই
বুঝলাম, মুসলিম জাতি খুব অসহায়। তাদের কোনো উপায় নেই, গতি নেই। তাদের প্রতি সহমর্মিতা জানালাম। তারপর...। এই তারপরের আর কোনো শেষ নেই শুরু নেই। কারণ এর কতকটার জন্য আমি/আপনিও দায়ী। না হলে আমি/আপনি নিজেদের দায়িত্ব একটি সেক্যুলার যন্ত্রের হাতে তুলে দিতাম না। রোহিঙ্গা শব্দের আগে কতগুলো শব্দ যোগ হয় জানেন তো
ছোট বেলা থেকে দেখে এসেছি শিশুদের সুরক্ষায় যক্ষ্মা, ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি’সহ ৬টি টিকা দেয়া বাধ্যতামূলক ছিলো। সম্প্রতি টিকার পরিমাণ বেড়ে ঠেকেছে ১০টিতে। রোগ প্রতিরোধে বাচ্চাদের বিনামূল্যে টিকাগুলো সরবরাহ করে বিভিন্ন সংস্থা। টিকার কারণে শিশুর শারীরিক রোগ হয়তো ঠেকানো সম্ভব হয়েছে। কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে অন্যত্র। ঘরে কিংবা বাইরে, শহরে কিংবা গ্রামে।
ভাল কাজে প্রতিযোগিতায় যেমন মানসিক আনন্দ আছে, তেমনি রয়েছে সামাজিক দায়বদ্ধতা। সমাজবন্ধু তারাই যাঁরা সমাজের অসহায় এবং দুঃখি মানুষের পাশে অকাতরে দাঁড়ায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরই সাংবাদিক বান্ধব এবং দুঃখি মানুষের বন্ধু। তাই তিনি নিজ দায়িত্বে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন করেছেন। প্রাথমিকভাবে পাঁচ কোটি টাকা সরকারি অনুদান দিয়েছেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া
একজন ডাক্তারের একটি সফল অপারেশন একজন মানুষকে নবজীবন দান করতে পারে। আবার ওই ডাক্তারেরই একটি ভুল অপারেশনের কারনে একজন জীবিত মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিতে পারে। ঠিক তেমনি গণমাধ্যমের একজন রিপোর্টারের প্রতিটি রিপোর্ট একেকটি অপারেশনের চেয়েও বেশী গুরুত্বপূর্ণ। একটি রিপোর্ট শুধু একজন মানুষকে নয়, একটি জনগোষ্ঠী, একটি সংগঠন ও একটি
‌‌'যে প্রেম করতে দুইদিন, ছাড়তে একদিন; এমন প্রেম আর কইরো না দরদী।' এই গান হয়তো সবারই জানা। প্রেমের জন্য কেউ তাজমহল গড়েছে, কেউ মায়ের হৃদপিণ্ড খুলে উপহার দিয়েছে প্রেয়সীকে। লাইলি-মজনু, শিরি-ফরহাদ, চন্ডিদাশ-রজকিনীসহ অমর প্রেমের গল্পগুলো এখন আর পড়তে কিংবা জানতে চায় না আধুনিক প্রেমিক প্রেমিকারা। নিজেরাই ইহিতাস গড়তে চায়। না জেনে না
মাছুম বিল্লাহ ইউনেসকো ১৯৯৪ সাল থেকে ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন করার ঘোষণা দেয়। শিক্ষকদের সম্মান ও স্বীকৃতি জানানোর জন্য বিশ্বব্যাপী দিবসটি পালন করা হয়। এবার বিশ্ব শিক্ষক দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে—‘শিক্ষকদের মূল্যায়ন করা ও তাদের অবস্থার উন্নতি ঘটানো’। বাংলাদেশ সরকার সব ধরনের শিক্ষকদের নতুন জাতীয় পে স্কেলের আওতাভুক্ত করেছে। নিঃসন্দেহে এটি
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহান কিছুদিন আগে আত্মহত্যা করেছেন। শুনেছি আকতার জাহানের পারিবারিক জীবন সুখময় ছিল না। স্বামীর সঙ্গে ডিভোর্স হয়েছিল। শিশু সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করতেন আকতার জাহান। স্বামী ওদিকে দ্বিতীয় বিয়ে করে নিয়েছেন। এবং আকতারের চরিত্র খারাপ ছিল এ কথাও বলে বেরিয়েছেন চারদিকে। আত্মহত্যার কারণ খুঁজতে গিয়ে
মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা কড়া নাড়ছে। প্রাণে প্রাণে বাজছে মিলন সুর। এই সুর উৎসবের, এই সুর আনন্দের, এই সুর ভ্রাতৃত্বের, সৌহার্দের, সম্প্রীতির। ধনী-গরিব ভেদাভেদ ভুলে কাঁধে কাঁধ রেখে ঈদের নামাজ আদায় করবে যেমন, তেমনি কোরবানিকৃত পশুর মাংসও ভাগ বাটোয়ারা করে নেবে সবাই। মুখে মুখে থাকবে খুশির
আরো খবর
সর্বশেষ সংবাদ


শিরোনাম
Top