শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮
Thu, 18 May, 2017 02:16:26 PM
কামরুজ্জামান শাহীন
ভোলা প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম

ভোলা: ভোলার দৌলতখানে মেঘনা নদী ভাঙ্গন ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে। জরুরী ভিত্তিতে নদী ভাঙ্গন রোধের ব্যবস্থা না নিলে দৌলতখান বাজার শহর রক্ষা করা যাবেনা। গত কয়েক দিনে দৌলতখান পৌরসভার এক, দুই, ও তিন নং ওয়ার্ডের প্রায় দুইশত বাড়ি ঘর ভেঙ্গে গেছে। মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে পরেছে।  

দৌলতখান থানা থেকে মাত্র দুইশত গজ দূরে মেঘনা নদী। তার পাশেই ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল তার সথেই বেড়িবাঁধ। বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেলে দৌলতখানকে আর রক্ষা করা যাবে না। এমনটাই জানাচ্ছেন ভাঙ্গন কবলিত পরিবারগুলো।

তারা কান্না বিজড়িত কণ্ঠে জানান, আমরা এখন কি করব, কোথায় যাব। মাত্র কয়েকদিন হলো ৫ তলা বিশিষ্ট একটি নতুন থানা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। যার ব্যয় ধরা হয়েছে সাত কোটি পঞ্চাশ লক্ষ টাকা। হয়তো বা এমন ও হতে পারে উদ্বোধনের আগেই মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

গত ২০০৩ সালে সাবেক এমপি আলহাজ্ব হাফিজ ইব্রাহীম ৩২ কোটি টাকা ব্যয় করে প্রায় এক কিলোমিটার এলাকায় জিও ব্যাগ ও ব্লক পালানোর ফলে নদী ভাঙ্গন অনেকটা বন্ধ ছিল। সেই ব্ল-কটি আস্তে আস্তে নদীর গর্ভে প্রায় বিলীন হয়ে গেছে।

স্থানীয় জন প্রতিনিধি জাকির হোসেন বাবুল জানান, নদী ভাঙ্গন রোধের জন্য আমরা নিজ উদ্যোগে প্রায় কয়েক লক্ষ টাকার বালি বস্তা ভরে নদীতে ফেলেছি। সেই বস্তাও নদীতে তলিয়ে গেছে।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী কাজী কামালসহ অন্যান্য ব্যবসায়ীরা জানান, আমরা অনেকটা আতংকের মধ্যে আছি, যে কোন সময় বেড়িবাঁধ ভেঙে কয়েকশত দোকান- পাট ও ঘরবাড়ি নদীতে তলিয়ে যেতে পারে।

জরুরী ভিত্তিতে ব্লক ও জিও ব্যাগের ব্যবস্থা করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান করছি। বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে গেলে দৌলতখানের কয়েক হাজার কোটি টাকার সম্পদ হারিয়ে যাবে, ধন দৌলতে ছিল দৌলতখানের নাম, হয়তো বা মানচিত্র থেকে চিরতরে দৌলতখানের নাম মুছে যাবে। ভোলার এ বাজারটি প্রায় দেড় কিলোমিটার।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডে নির্বাহী প্রকৌশলী বাবুল আক্তার বলেন, আমাদের কাছে কোনো বরাদ্দ নেই, জরুরী ভিত্তিতে কাজ করার জন্য ১১ কোটি টাকার প্রজেক্ট পাঠানো হয়েছে, মন্ত্রী মহোদয় সুপারিশ করলে কাজটি হতে পারে বলে জানান।
 
নতুন বার্তা/ওএফএস


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top