মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭
webmail
Tue, 12 Sep, 2017 06:20:56 PM
নীলফামারীর প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম

নীলফামারী: নীলফামারীর ডোমারে ঘড়ে ঢুকে গৃহকর্তা অতুল চন্দ্র রায়(৬০) হত্যার ঘটনায় অতুলের নাতী সুমন সহ তিনজনকে আটক করেছে ডোমার থানা পুলিশ।

মঙ্গলবার দুপুরে তাদের জবানবন্দীর জন্য আদালতে নেওয়া হয়। আটকরা হলো, উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের নয়ানী বাকডোকরা গ্রামের প্রেমানন্দের ছেলে ও নিহত অতুলের নাতী সুমন চন্দ্র, (১৬) ।নয়ানী বাকডোকরার সকালের ছেলে প্রকাশ চন্দ্র  (১৬)ও একই ইউনিয়নের কাউয়াতলী গ্রামের রফিকুল কবিরাজের ছেলে নিশান (১৭)।

আটক তিনজনেই ডোমার বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেনীর ছাত্র।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে নয়ানী বাকডোকরার মাষ্টারপাড়ায় বাড়ীতে একা পেয়ে টেপ দিয়ে হাত,পা ও মুখ বেধে হত্যা করে বাড়ীর জিনিসপত্র চুরি করে দুর্বত্তরা বলে জানিয়েছিল নিহত অতুলের নাতী সুমন। সুমন জানিয়েছিল, সকালে আমার নানী আমার মামীকে আনার জন্য পাশ্ববর্তী ডিমলার ডালিয়ায় যান।

বাড়ীতে নানু অতুল রায় একাই থাকবে বলে আমাকে তার সাথে থাকার জন্য বলে। আমি সন্ধা ৬টার দিকে বই খাতা নিয়ে নানুর বাড়ীতে এসে দেখি বাড়ীর গেট ভিতর দিক দিয়ে বন্ধ রয়েছে।প্রায় আধাঘন্টা নানুকে ডাকাডাকির পর সারাশব্দ না পেয়ে আমি দেয়াল টপকে নানুর বাড়ীতে প্রবেশ করে ঘড়ে ঢুকতেই দেখি বাড়ীর সব দরজা খোলা। ভিতরে প্রবেশ করে দেখি ঘড়ের দরজায় নানুর হাত,পা ও মুখ টেপ ও শাড়ী দিয়ে বাধা। আমি হতচকিত হয়ে পাশেই আমার মামার বাড়ীতে গিয়ে তাদের ডেকে আনি। তারাসহ আমি হাত,পার বাধন খুলে নানুকে স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে গেলে ডাক্তার তাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন।

এ ব্যাপারে শুক্রবার (০৮ ই সেপ্টেম্বর ) থানায় অজ্ঞাত ব্যাক্তিদের আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেছিলেন নিহত অতুলের স্ত্রী দেবমায়া। মামলা নম্বর-৬। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখে এবং বাদীসহ বিভিন্নজনের সাথে কথা বলে। এক পর্যায়ে ঘটনার প্রথম সাক্ষী নিহত অতুলের নাতী সুমনের বক্তব্যে অমিল থাকায় তার মোবাইল কল লিস্ট পর্যালোচনা করলে পুলিশের সন্দেহ হয়। তারা সোমবার ঘটনার প্রথম সাক্ষী সুমনকে থানায় ডেকে আনে। তাকে বিভিন্ন জিজ্ঞাসাবাদে সুমন এক পর্যায়ে তার দুই বন্ধু মিলে তার নানা অতুলকে হত্যার কথা স্বীকার করে। রাতে পুলিশ নিশান ও প্রকাশের বাড়ীতে তল্লাশী চালিয়ে চুরি যাওয়া বেশ কিছু টাকা উদ্ধার করে। মঙ্গলবার দুপুরে জবানবন্দীর জন্য সুমনকে আদালতে নেওয়া হয়।

ডোমার থানা অফিসার্স ইন চার্জ(তদন্ত) মোঃ ইব্রাহিম খলিল আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান ,সুমনের কথায় অমিল দেখা দিলে তার মোবাইল কললিষ্ট পর্যালোচনার ভিত্তিতে জিঙ্গাসাবাদ করার এক পর্যায়ে সে তার নানাকে হত্যার কথা স্বীকার করে ।তার স্বীকারুত্তির ভিত্তিতে অন্য দুজনকে গেস্খফতার করা হয় ।তাদের কোর্টে প্রেরন করা হয়েছে ।

নতুন বার্তা/কেকেআর
 


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top
    close