ঢাকার বাইরে

ফরিদপুরে আলুর বাম্পার ফলনদাম পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাঁসি

ফরিদপুর: ফরিদপুরে চলতি মৌসুমে উন্নত জাতের ডায়মন্ট আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে আলুর ভাল দাম পাওয়া কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটেছে। সরকারি সহযোগিতা পেলে আগামীতে আরও বেশী বেশী আলু চাষ করবে এই অঞ্চলের কৃষকেরা। আর কৃষি বিভাগ বলছে, নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে কৃষকদের সবধরনের সহযাগিতা করা হচ্ছে।

ফরিদপুরে দিন দিন কৃষিতে বৈচিত্র ফুটে উঠেছে। এ জেলায় সব ধরনের কৃষি পন্য উৎপাদন হচ্ছে। এ জেলায় উৎপাদন হয়ে থাকে অর্থকারী ফসল পাট, ধান, গম, মশলা জাতীয় ফসল পেঁয়াজ, পেঁয়াজ বীজ, রসুনসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি। এর পাশা-পাশি এ জেলায় নতুন করে শুরু হয়েছে উন্নত জাতের ডায়মন্ট আলুর চাষ। চলতি বছর আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বাজারে আলুর সঠিক মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটেছে। কৃষকেরা এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মাঠ থেকে আলু তোলার কাজে। বসে নেই কৃষানীরাও। তারাও আলু সংরক্ষনে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চলতি বছর জেলার সদর উপজেলার চরমাধবদিয়া, মধুখালী ও বোয়ালমারী উপজেলায় উন্নত জাতের ডায়মন্ট আলুর চাষ হয়েছে।

কৃষকেরা জানায় এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে ২০হাজার টাকা খরচ হয়ে থাকে। আর একবিঘা জমির উৎপাদিত আলু ৫০ থেকে ৬০হাজার টাকা বিক্রি করা সম্ভব।

আলুর ফলন ভাল হয়েছ। বাজারে ভাল দামও পাচ্ছি। তবে সার ও অষুধের দাম কম হলে আমরা আরও লাভবান হতে পারব।

ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায় চলতি বছর প্রায় একহাজার হেক্টোর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছে।
ফরিদপুর সরদ উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো. আবুল বাসার মিয়া বলেন, ফরিদপুর জেলায় কৃষিতে বৈচিত্র ফুটেউঠেছে। এজেলায় এখন সব ধরনের কৃষি পন্য উৎপাদন হয়ে থাকে। আমরা কৃষি বিভাগের পক্ষথেকে কৃষকদের নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে সবধরণের সহযোগিতা করে থাকি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর এর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ কার্তিক চন্দ্র চক্রবর্তী বলেন, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর আলুর উৎপাদন খুবই ভাল হয়েছে। কৃষক লাভবান হবে। এই অঞ্চলে দিন দিন আলুর আবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আলু চাষীদের আমরা সবধরনের সহযোগিতা করে থাকি।

নতুন বার্তা/কেকে

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker