বৃহস্পতিবার, ২৪ মে ২০১৮
Mon, 07 May, 2018 10:00:16 AM
ফরিদপুর প্রতিনিধি
নতুন বার্তা ডটকম
ফরিদপুর: ফরিদপুরে সরকারি কলেজের এক শিক্ষিকা ও সোনালী ব্যাংকের এক কর্মকর্তার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শিক্ষিকার নাম সাজিয়া বেগম ও ব্যাংক কর্মকর্তার নাম ফারুক হাসান। গতকাল রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে শহরের দক্ষিণ ঝিলটুলি এলাকায় একটি চারতলা ভবনের নিচতলায় ব্যাংকার ফারুক হাসানের ফ্ল্যাট থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করা হয়।
 
পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, সাজিয়া ফরিদপুর সরকারি সারদা সুন্দরী মহিলা কলেজের গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। তিনি ২৯তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে চাকরিতে যোগ দেন।
 
আর ফারুক হাসান সোনালী ব্যাংক ফরিদপুর শহর শাখায় কর্মরত ছিলেন। তারা একই ভবনে পাশাপাশি ফ্ল্যাটে থাকতেন। ফরিদপুর জেলা পুলিশের অ্যাডিশনাল এসপি আতিকুল ইসলাম বলেন, উদ্ধারকৃত পুরুষের লাশটি ছিল ঝুলন্ত অবস্থায়। আর নারীর রক্তাক্ত মরদেহ মেঝেতে পড়ে ছিল। তার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। এটি হত্যাকাণ্ড নাকি অন্য কোনো কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে তাৎক্ষণিকভাবে সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
 
তিনি আরও বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি-মালিকের ছেলে ওই ফ্ল্যাটের মূল দরজা খোলা পান। তিনি উঁকি দিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায় একজনের মরদেহ দেখে চিৎকার দেন। এরপর লোকজন জড়ো হয় এবং খবর দিলে পুলিশ এসে দুটি লাশ উদ্ধার করে।
 
ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি এ এফ এম নাসিম বলেন, বাড়ির যে ফ্ল্যাটে সাজিয়া থাকতেন তার পাশের ফ্ল্যাটেই ভাড়া থাকতেন ফারুক। ওপরের তলায় বাড়ির মালিক থাকেন।
 
ওসি বলেন, সাজিয়ার মুখমণ্ডল রক্তাক্ত ছিল। মনে হয়েছে দেয়ালের সঙ্গে আঘাত করা হয়েছে। তার স্বামী ঢাকায় ব্যবসা করেন বলে পুলিশ জানতে পেরেছে। মাঝেমধ্যে তিনি ফরিদপুরে আসতেন। তবে ফারুকের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন নেই। তিনি বিবাহিত কি-না তাও জানা যায়নি। ওই নারীকে হত্যার পর তিনি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলেও পুলিশ ধারণা করছে।
 
ওসি আরও জানান, দু'জনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্কও থাকতে পারে। তবে সব বিষয় মাথায় রেখে তদন্ত চলছে। মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হতে দু'জনের মরদেহ মর্গে পাঠানো হচ্ছে। তাদের স্বজনদের খবর দেওয়া হয়েছে।
 
নতুন বার্তা/এফকে
 
 

 


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top