শুক্রবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৭
webmail
Thu, 15 Dec, 2016 05:24:05 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম

ঢাকা: রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে রাষ্ট্রপতির সংলাপের মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে বলে আশা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর।

বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রবিজ্ঞানী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের ৮৪তম জন্মদিন উপলক্ষে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়ে এ আশা ব্যক্ত করেন তিনি। এ সময় এমাজউদ্দীন আহমদকে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা পৌঁছে দেন রিজভী।

রিজভী আহমেদ বলেন, “গণতন্ত্র ধ্বংসের জন্য বর্তমান সরকারের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনও দায়ী। তাই একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রাথমিক ধাপ হিসেবে স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠনে ১৩ দফা প্রস্তাব দিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন।”

তিনি বলেন, “মাননীয় চেয়ারপারসন যে ১৩ দফা দিয়েছেন, সেই আলোকে যে আলোচনার বা সংলাপের উদ্যোগ নিয়েছেন, মহামান্য রাষ্ট্রপতি তার মধ্য দিয়ে একটি শক্তিশালী, স্বাধীন এবং নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠিত হবে, এটাই হচ্ছে আমাদের প্রত্যাশা।”

এ সময় এমাজউদ্দীন আহমদ বলেন, “গণতন্ত্রকে কার্যকর করতে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে পারস্পরিক আলোচনা প্রয়োজন।”

তিনি বলেন, “একটা স্বাধীন শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন গঠনই যথেষ্ট না। গণতন্ত্রকে যদি কার্যকর করতে হয়, অর্থপূর্ণ করতে হয়, তাহলে বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে একটা সংলাপ হওয়া দরকার, একটা আলোচনা হওয়া দরকার। যাতে গণতান্ত্রিক আবহটা তৈরি হয়।”

এমাজউদ্দীন আহমদের জন্মদিন আজ

বিশিষ্ট রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদের জন্মদিন আজ। তিনি বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভের (ইউডা) ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ ১৯৩২ সালের ১৫ ডিসেম্বর অবিভক্ত বাংলার মালদহ জেলার কালিয়াচক থানার কালিনগরে জন্ম নেন। পরে সেখান থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চলে আসেন এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেন। তার বাবা মরহুম সামসুদ্দীন আহমদ পেশায় শিক্ষক ছিলেন।

১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাসের পর ১৯৫০ সালে আইএ ও ১৯৫২ সালে বিএ পাস করেন তিনি। ১৯৫৪ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ ও ১৯৬১ সালে ইংরেজিতে এমএ পাস করেন। ১৯৭৭ সালে কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি লাভ করেন এমাজউদ্দীন আহমদ। পরে ১৯৭০ সালের ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনিয়র লেকচারার হিসেবে যোগ দেন।

দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত থাকার পর ১৯৯৮ সালের আগস্টে অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর নেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান, হাজী মুহম্মদ মুহসীন হলের প্রাধ্যক্ষ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি প্রভৃতি। সর্বশেষ ১৯৯২ সালের ১ নভেম্বর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি নিযুক্ত হন এবং ১৯৯৬ সালের ৩১ আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

দেশে ও বিদেশে, জাতীয় আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে প্রকাশিত তার গ্রন্থাদি বিপুলভাবে সমাদৃত হয়েছে। বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা তার গবেষণা গ্রন্থের সংখ্যা এরই মধ্যে অর্ধশতক ছাড়িয়ে গেছে। বিশ্বের ১৫০টি জার্নালে তার গবেষণালব্ধ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদকসহ বিভিন্ন সম্মানে ভূষিত হয়েছেন এমাজউদ্দীন আহমদ।

নতুন বার্তা/টিটি
 


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top
    close