মঙ্গলবার, ১৯ জুন ২০১৮
Thu, 08 Mar, 2018 09:57:05 AM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম

ঢাকা: দুর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাস একমাস পূর্ণ হলো আজ। বেগম জিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, সরকার কারাবাস দীর্ঘায়িত করার চেষ্টা করলেও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে মুক্ত করা হবে। অন্যদিকে দুদকের আইনজীবী বলছেন, সব কিছুই হচ্ছে আদালতের নির্দেশে। বেগম জিয়ার মামলায় সরকারের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বলেও জানান দুদক আইনজীবী।    

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় গেল ৮ ফেব্রুয়ারি ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ২ কোটি ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড হয় বেগম জিয়ার। এরপর থেকেই ১ মাস ধরে রাজধানীর নাজিম উদ্দিন রোডের পুরনো কারাগারেই রয়েছে তিনি।

উচ্চ আদালত বেগম জিয়ার অর্থদণ্ড স্থগিত করলেও জামিন বিষয়ে আদেশের জন্য বিচারিক আদালতের নথির জন্য অপেক্ষা করছেন।নথি আসার সময়সীমাও শেষ হবে ১৯ মার্চ।

সরকারি হস্তক্ষেপে কারাবাস দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন বেগম জিয়ার আইনজীবীরা। এ অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন দুদকের আইনজীবী।

বেগম খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জন্যই তাকে জেলে রাখা হয়েছে। সরকারের ইচ্ছা মতোই সবকিছু হচ্ছে। এর ফলাফল খুব খারাপ হবে।

দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান বলেন, তারা আগেও এ কথা বলেছেন। এখনও তারা একই কথা বলছেন। আমি মনে করি এটা কালক্ষেপণ নয়। সবকিছু নিয়ম মতোই হচ্ছে।

নথি আসার পর জামিনের আদেশ দেয়া হবে উচ্চ আদালতের এমন মতামতকে বেগম জিয়ার আইনজীবীরা নজির বিহীন বললেও দুদক আইনজীবী বলছেন, যথাসময়ে আসবে মামলার নথি।

খন্দকার মাহবুব বলেন, হাইকোর্টের ইতিহাসে এমন কোনো নিদর্শন যেই যেখানে জামিনের শুনানির পর আদালতের নথি আসার অপেক্ষায় আদেশ স্থগিত রাখা হয়।

দুদকের আইনজীবী এ বিষয়ে বলেন, মাননীয় হাইকোর্ট ১৫ দিনের মধ্যে নথি পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। অবশ্যই ১৫ দিনের মধ্যে নথি আসবে।

বিগত সেনাসমর্থিত সরকারের আমলেও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় একমাস ১৫ দিন কারাগারে ছিলেন বেগম জিয়া।আর রায় ঘোষণার পর দণ্ডিত হয়ে এক মাস ধরে কারাগারে তিনি।

নতুন বার্তা/এমআর


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top