শনিবার, ২৪ জুন ২০১৭
webmail
Fri, 19 May, 2017 06:18:04 PM
কাজী মাহমুদ হুসাইন
নতুন বার্তা ডটকম
ঢাকা: হেডলাইন পড়ে অবাক হলেন তো!অবাক হবারই কথা তবে জ্যোতির্বিদ্যায় যাঁদের কিছুটা আগ্রহ আছে তাঁরা অবাক না হয়ে বরং আরো বেশি আগ্রহী হবেন। এমনই তথ্য জানিয়ে ইয়াহু নিউজ আজ ‘নাসা’র একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। পরিতাপের বিষয় হলো আমাদের একমাত্র পরমাত্মীয় চির চেনা চাঁদের মত একে খালি চোখে দেখা যাবে না।
 
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা 2007-OR10 হিসাবে তালিকাভুক্ত তৃতীয় বৃহত্তম বামন গ্রহের কক্ষপথে চাঁদ আবিষ্কার করেছেন। নাসা’র হাবল্ টেলিস্কোপ এবং অন্য দু’টি মহাকাশ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এই আষ্কিারে সাহায্য করেছিল যা আমাদের সোলার সিস্টেমের বাইরের অংশে অবস্থিত একটি নিষ্কৃয় অঞ্চলে অবস্থিত, যা ‘কুইপার বেল্ট’ নামে পরিচিত। মার্কিন যুক্ত রাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল এ্যারোনটিকস্ এ্যান্ড স্পেস্ এ্যাডমিনিস্ট্রেশন’(নাসা) বর্ণনা করেছে যে, এটা ৪.৬ বিলিয়ন বছর আগে সৌরজগতের গঠন যঞ্জের সময় মহা-জাগতিক কারণে বঞ্চিত বরফের ধ্বংসাবশেষ।
 
আবিষ্কারটি এই সত্য প্রতিষ্ঠিত করেছে যে ‘কুইপার বেল্ট’-এর সর্বাধিক বামন গ্রহগুলি ৬০০ মাইলেরও বেশি জায়গা জুড়ে সংযুক্ত রয়েছে। ‘নাসা’ বলে যে, মহাকাশের এ অস্তিত্বগুলি "কী ভাবে যুবক সৌরমন্ডলে চাঁদের গঠন প্রকৃয়া হয়েছিল, সেদিকে অন্তর্দৃষ্টি নিক্ষেপ করে"।
 

জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বামন গ্রহের সংরক্ষণাগারের ছবিগুলিতে পর্যবেক্ষণ করে এই চাঁদ খুঁজে পেয়েছিলেন, যা হাবল’-এর ওয়াইড ফিল্ড ক্যামেরা ৩ দ্বারা গৃহীত হয়েছিল। তবে, নাসা’র কেপলার টেলিস্কোপের 2007 OR10-এর পর্যবেক্ষণ দ্বারা চাঁদের অস্তিত্ব সম্পর্কে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা প্রথম প্রমান পেয়েছিলেন। ‘কেপলার’ পর্যবেক্ষণে দেখা যায় যে বামন গ্রহটির আবর্তন ৪৫ ঘণ্টা ধীর গতির সময়কাল।
 
পর্যবেক্ষক ‘কিস্’ বলেন "কুইপার বেল্ট অবজেক্টের জন্য সাধারণত ঘূর্ণন বা আবর্তন সময়সীমা ২৪ ঘন্টার আওতায় রয়েছে।" তিনি আরো বলেন, "আমরা হাবল আর্কাইভের দিকে তাকিয়ে ছিলাম কারণ চাঁদের ধীর গতির ফলে মহাকর্ষীয় আকর্ষণ দ্বারা ঘন ঘন পরিবর্তন হতে পারে। প্রাথমিক তদন্তকারী হাবলের ছবিতে চাঁদটি হারিয়ে ফেলেন কারণ এটি ছিল‘ খুব দুর্বল।"
 
চাঁদটি দুটি আলাদা হাবল-ছবিতে দেখা যায় যা বছরের পর বছর ধরে নেওয়া হয়েছিল এবং এটা প্রকাশ করেছিল যে চাঁদ বামন গ্রহের সাথে মহাকর্ষীয়ভাবে আবদ্ধ রয়েছে কারণ এটি বামন গ্রহের সাথে আবর্তিত হয়, যেমনটি তারা গুলির পটভূমিতে দেখা যায়।
 
এ সম্পর্কে বিষদ জনা যাবে নিচের লিংকটিতে।
https://www.yahoo.com/news/nasa-discovers-moon-orbiting-third-082745532.html
 

নতুনবার্তা/কিউএমআর


Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top