বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭
webmail
Thu, 30 Nov, 2017 12:25:34 PM
নিজস্ব প্রতিবেদক
নতুন বার্তা ডটকম
ঢাকা: গুগল ‘ডেটালি’(Datally)নামে একটি সহজ ও স্মার্ট এ্যান্ড্রয়েড এ্যাপ চালুর ঘোষণা দিয়েছে। এই এ্যাপ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য মোবাইল ফোনের ডেটা বুঝতে পারা এবং তা কন্ট্রোল ও সেভ করার ক্ষেত্রে খুবই সহায়ক হবে। ‘ডেটালি’ যেকোনো এ্যানড্রয়েড ৫.০ (ললিপপ) বা আরো আধুনিক সংস্করণের মোবাইল ফোনেই ব্যবহারের উপযোগী। এটি আজ থেকে বিশ্বব্যাপী গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাবে।
 
সারা বিশ্বে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা ডেটা ব্যবহারে বড় সমস্যায় পড়েন এবং এ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে থাকেন। এই সমস্যার দুর্দান্ত সমাধান দিবে ‘ডেটালি’। বিশ্ব জুড়ে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের উপর গুগলের পরিচালিত একটি ব্যাপকভিত্তিক গবেষণায় উঠে আসে যে, স্মার্টফোন ব্যবহারকারী অনেকেইে তাঁদের স্মার্টফোনে ডেটা সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবহার নিয়ে সমস্যায় পড়েন এবং উদ্বেগের মধ্যে থাকেন। বিশেষ করে যারা স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী নবাগতরা এই সমস্যায় বেশি ভোগেন, যারা “নেক্সট বিলিয়ন ইউজার” নামে পরিচিত। স্মার্টফোনে নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা শুধু যে ডেটা ব্যবহারে ভারসাম্য রাখা নিয়ে বেশ উদ্বিগ্ন থাকেন তা-ই নয়, বরং তাঁদের স্মার্টফোন থেকে ডেটা কখন কীভাবে কোথায় চলে যায় সেটিও বুঝতে পারেন না। কারণ কোন এ্যাপ্লিকেশনে (এ্যাপ) কীভাবে ডেটা রাখতে হবে তা তাঁরা জানেন না বলে নিয়ন্ত্রণও করতে পারেন না।
 
এসব সমস্যার সমাধানে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য গুগলের ডেটালি,তে রয়েছে চারটি বিশেষ ফিচার বা বৈশিষ্ট্য।
 
বৈশিষ্টগুলো হলো:
ডেটা সেভার: ডেটালিতে ডেটা সেভার এ্যাপ থাকায় স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা যখন-তখন ডেটা ব্যবহার এবং কনটেন্ট ও ইনফরমেশন বা তথ্য আপডেট তথা হালনাগাদ করে নিতে পারবেন। ডেটালির ডেটা সেভারটিতে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য এ্যাপ-বাই-এ্যাপ অর্থাৎ এ্যাপ অনুযায়ী ডেটা কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণের সুযোগ রয়েছে। এর ফলে একজন ব্যবহারকারী যে এ্যাপে ডেটা রাখতে চান সেখানেই থাকবে বা ডেটা সেভ হবে। যেসব ব্যবহারকারীরা ডেটালি এ্যাপটি টেস্ট করা সুযোগ পেয়েছেন তাঁরা ৩০ শতাংশ পর্যন্ত মোবাইল ডেটা সেভ করেছেন।
 
 
ডেটা সেভার বাবল: ডেটালিতে রয়েছে ডেটা সেভার বাবল। যখন একজন ব্যবহাকারী কোনো এ্যাপে যাবেন বা ঢুকবেন তখন ডেটালির এই ডেটা সেভার বাবল দেখা যাবে। ফলে ওই ব্যবহারকারী সহজেই ডেটা ব্যবহার করতে পারবেন। আবার যখন ওই এ্যাপে ডেটা ব্যবহার করা হবে তখন ডেটা সেভার বাবল ডেটা ব্যবহারের কারেন্ট রেট বা অবস্থা দেখাবে। এর ফলে একজন ব্যবহারকারী সহজেই ওই এ্যাপের ডেটা কি করবেন সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কিংবা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সেটিও নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। মোবাইল ডেটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডেটা সেভার বাবল একটি স্পীডোমিটারের মতো কাজ করবে।
 
পার্সনালাইজড এ্যলার্ট: ডেটালি এ্যাপে আছে পার্সনালাইজড এ্যালার্ট। এর ফলে কোনো এ্যাপে প্রচুর পরিমাণে ডেটা ব্যবহার শুরু হলে, অর্থাৎ কী পরিমাণ ডেটা ব্যবহার হয়েছে সেটি দেখা যাবে। দৈনিক, সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে এই এ্যালার্ট দেখা যাবে।
 
ওয়াই-ফাই ফাইন্ডার: ব্যবহারকারীরা কখনো কখনো অধিক পরিমাণে ডেটা ব্যবহার করতে চান। এ ধরনের মুহূর্তে ব্যবহারকারীদের একটি পরিকল্পনা থাকতে হয়, যেমন- কখন তারা এইচডি ভিডিও দেখতে চান। এ ক্ষেত্রে হাই-ব্যান্ডউইথ বা উচ্চ গতিসম্পন্ন পাবলিক ওয়াই-ফাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্য ডেটালিতে রাখা হয়েছে ওয়াই-ফাইন্ডার, যা ডেটালি কমিউনিটির পরিচালিত নিকটস্থ নেটওয়ার্কের খোঁজ বা তথ্য জানিয়ে দিবে। তখন একবার নেটওয়ার্ক পেয়ে গেলে ব্যবহারকারীরা নিজেরাই তাঁদের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক রেট করতে পারবেন।
 
নতুনবার্তা/কিউএমএইচ
 
 

Print
আরো খবর
    সর্বশেষ সংবাদ


    শিরোনাম
    Top
    close