খেলা

এশিয়া সেরা হওয়ার চূড়ান্ত মঞ্চে বাংলাদেশ!

ঢাকা: প্রতিপক্ষ যখন পাকিস্তান তখন অন্যরকম এক শক্তি ভর করে মাশরাফি বাহিনীর উপর। পাকিস্তান দেশটির জন্ম হয়েছে মূলত বাংলাদেশের কাছে পরাজিত হওয়ার জন্য।
সেই ধারাবাহিকতায় ২০১৬ সালের মতো পাকিস্তানকে হারিয়ে আবারও এশিয়া কাপের ফাইনালে টিম বাংলাদেশ।

অলিখিত সেমিফাইনালে রূপ নেওয়া এই ম্যাচ জয়ে সবচেয়ে বেশি অবদান মুশফিক-মিঠুনের । তেমনি বল হাতে দুর্দান্ত করেছেন মুস্তাফিজুর। অধিনায়ক মাশরাফি কোন উইকেট পাননি। তবে প্রায় আট ফুট লাফিয়ে তিনি শোয়েব মালিকের যে ক্যাচ ধরেছেন তা বাংলাদেশি দর্শকদের চোখে দীর্ঘদিন লেগে থাকবে। ইনজুরি নিয়ে খেলা ম্যাশের দলের প্রতি নিবেদন প্রকাশ পেয়েছে আরও একবার।

বুধবার আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি। প্রথমে ১২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে দলকে উদ্ধার করেন মুশফিকুর রহিম এবং মোহাম্মদ মিঠুন। দু’জনে গড়েন ১৪৪ রানের দুর্দান্ত জুটি। এরপর মিঠুন ফিরে যান ব্যক্তিগত ৬০ রানে। আর মুশফিক বাংলাদেশের প্রথম ব্যাটসম্যান হিসেবে ৯৯ রানে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন। শেষ পর্যন্ত ৭ বল বাকি থাকতে ২৩৯ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস।

জবাবে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানকে শুরু থেকে অস্বস্তিতে রাখে বাংলাদেশ। টাইগারদের দেয়া ২৪০ রানের লক্ষ্য যথেষ্ট কিনা তা নিয়ে ছিল সন্দেহ। কিন্তু শুরুতেই সব সংশয় মুছে দেয় বাংলাদেশ। পাকিস্তানের ১০০ রানের মধ্যে ৫ উইকেট তুলে নেন মুস্তাফিজ-মেহেদিরা। এরপর যা একটু সংশয় তৈরি হয়েছিল ইমাম উল এবং আসিফ আলীকে নিয়ে। কিন্তু দু’জনকেই রান তাড়ার চাপে ফেলে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে ফেলেন মাহমুদুল্লাহ এবং মেহেদি মিরাজ।

পাকিস্তানের ১৬৭ রানে সপ্তম উইকেট হিসেব আসিফ আলী এবং পরে ১৮১ রানে ইমাম উল ফিরে গেলে ম্যাচ হাতের মুঠোয় চলে আসে টাইগারদের। পাকিস্তনের ইনিংস থামে ২০২ রানে। বাংলাদেশ জয় পায় ৩৭ রানের। তবে তাদের অলআউট করতে না পারায় মনে একটু খেদ হয়তো থেকে গেছে।
মুশফিকুর রহিম পান ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker