ক্রিকেটখেলাহোমপেজ স্লাইড ছবি

ওয়েল প্লেইড সাকিব!

আল আরফিন রূপক: বোলার সাকিব বেশকিছু আবেদনের রেজাল্ট যেনো নিজে জোর করে নেন, এটার কারণও আছে। সাকিবের বেশকিছু ডেলিভারির আবেদন অনেক কনফিডেন্সে করেন। কিছুদিন আগে একটা ক্লোজ আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলেও রিভিউয়ে জয়ী হয় সাকিব। গতকাল মুশফিকের বিরুদ্ধে এই আবেদনটি খালি চোখে ক্লোজ মনে হয়েছে, সাকিবের আর্মারে লাইন মিস করেছে মুশফিক।

পরিষ্কার দেখা যাচ্ছিলো মিডল+লেগে আঘাত হানতে যাচ্ছে ডেলিভারিটি। এরপরেও আম্পায়ার তার সিদ্ধান্তে অনড়! সাথে সাথেই আম্পায়ারের সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ হয়ে লাথি দিয়ে স্টাম্প ভাঙেন সাকিব। ক্রিকেটের নিয়মে এটি বেয়াদবি হলেও বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে এটির দরকার ছিলো; অনেক বেশী দরকার ছিলো। আবাহনীর জার্সিতে মাঠে ১১ জন খেললেও দ্বাদশ খেলোয়াড়ের দায়িত্বে থাকে আম্পায়াররা।

এটা নতুন নয়, বেশকিছুদিন ধরেই হয়ে আসছে। আজ যেটা করলো সাকিব সেটার প্রয়োজন ছিলো অনেক। চোখের সামনে অন্যায় দেখেও ক্যারিয়ার বাঁচাতে অনেকে চুপ থাকলেও সাকিব এই জায়গায় বরাবরই সেরা; এখানে বেয়াদব সাকিব কিংবা ঘাড়ত্যাড়া সাকিবকেই দরকার।

ম্যাচে এই বির্তকেই শেষ হতে পারতো! কিন্তু দলীয় ৬ষ্ঠ ওভারের শেষ বল করার আগে ২/৪ ফোঁটা বৃষ্টি না পড়তেই খেলা বন্ধ করেছে আম্পায়ার। অথচ সেই সময় বৃষ্টি তেমন ছিলোনা। আম্পায়ারটা একটা বল আরামসে করাতে পারতো। কিন্তু সেটা করেনি তারা। হয়তো ৬ ওভারের পর বৃষ্টি আইনে সিদ্ধান্ত আসবে জানতেন সাকিব, বা সেটা বলা হয়েছিলো দলকে। এখানে মাত্র একটা বলের জন্য ৬ ওভারে পূরণ না হলে আম্পায়াদদের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে স্ট্যাম্প তুলে ছুঁড়ে ফেলে প্রতিবাদ জানান সাকিব।

এখানে সাকিব একদমই উচিত জবাব দিয়েছে। দিনশেষে এই একটা বেয়াদবের কারণে বেশকিছু জিনিস খোলাসা হয়। সবকিছুই একটা লিমিট থাকে, অন্যায়ের উপর অন্যায় করলে সেটা মানা আসলেই বেশ কষ্টকর। এখন হয়তো সাকিবের বিরুদ্ধে একশনে যাবে বিসিবি, তবে একশনে যদি যেতেই হয় তাহলে আবাহনীর বিপক্ষেও তলব করা দরকার। এভাবে দিনের পর দিন দুর্নীতি করে বাংলাদেশ ক্রিকেটকে নষ্ট করার চেষ্টা আর কতো?

Related Articles

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker