জাতীয়হোমপেজ স্লাইড ছবি
কিশোয়ার : একটি অনুপ্রেরণার নাম।

ইমাম হোসেন: অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় রিয়েলিটি টিভি শো “MasterChef” এর তেরোতম আসরে কিশোয়ার চৌধুরী এখন প্রথম চারে। কিশোয়ারের এই সাফল্য আমরা ভীষণ গর্বিত। সবাই প্রতিযোগিতায় কিশোরের সর্বোচ্চ সাফল্য কামনায়। রান্নার এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে কিশোয়ার আমাদের আবহমান বাঙ্গালীর চিরচেনা খাবারগুলোকে বিশ্ব দরবারে নান্দনিক ভাবে উপস্থাপন করে যাচ্ছেন।
ভীষণ প্রশংসা কুড়াচ্ছে, একই সাথে বিচারক ও দর্শকদের কাছ থেকে। ব্যক্তিগতভাবে রান্নায় আমার ভীষণ আগ্রহ। তাইতো প্রায়ই মনোযোগ দিয়ে কিশোয়ারের রেসিপি আর রান্না করা দেখি। আমার মতো নবীশ শেফও বুঝতে পারে, কিশোয়ার রান্নায় অনেক অভিজ্ঞ আর এ প্রতিযোগিতার জন্য নিজেকে তৈরী করেছে অনেক বছর ধরে। আর কিশোয়ারের এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছেন একজন গুনী কুশিলব।
যিনি রন্ধন শিল্পে কিশোয়ারকে তৈরী করেছেন অনেক যত্ন নিয়ে, নিজের মতো করে। হ্যা, উনি আমার বেশিরভাগ গল্পের প্রধান চরিত্র একজন সফল “মা”। রান্নায় কিশোয়ার যে মা লায়লা চৌধুরীর শিষ্য, তথ্যটা প্রতিযোগিতায় অকপটে জানিয়ে যাচ্ছেন। গুনী এই মায়ের প্রতি রইলো অসীম শ্রদ্ধা, একজন বিশ্বমানের রন্ধন শিল্পী দেওয়াতে।
কিশোয়ার চৌধুরীর বাবার নাম কামরুল চৌধুরী। কামরুল চৌধুরী অস্ট্রেলিয়ায় সফল একজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী। অস্ট্রেলিয়ায় প্রিন্টিং মেশিনারিজ বিজনেসের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী কামরুল চৌধুরী একজন প্রকৃত সমাজ সেবক। উনার দুহাজার ঊনিশ সালে প্রথম বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ান হিসেবে পাওয়া সরকারের খেতাব “Medal of the Order of Australia” বাংলাদেশকে মূলধারার অস্ট্রেলিয়ায় ভিন্নভাবে পরিচয় করেছে।
আর দু হাজার একুশে এসে তারই সুযোগ্য কন্যা আমাদের প্রিয় “কিশোয়ার” বাংলাদেশকে নিয়ে যাচ্ছে ভিন্ন এক উচ্চতায়। আগ্রহভরে অপেক্ষা করছি কিশোয়ারের মাস্টারশেফের শিরোপা জেতার মুহূর্তটা দেখার জন্য। প্রবাসে বাংলাদেশীরা এখন মাথা উচুঁ করে চলতে পারে, আর এটা সম্ভব হচ্ছে এসব চ্যাম্পিয়নদের কল্যাণেই।



